1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ০৬:১৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সিটি করপোরেশন বহির্ভূত বিরোধী দলীয় আসনের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ নেদারল্যান্ডস ও মরক্কোর হাইভোল্টেজ ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে রাউন্ড অব ৩২ জাতীয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর রেললাইনের ওপর থেকে দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাক সরানোর পর রাজবাড়ী-ঢাকা রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক সংসদে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ: তিন ধাপে দেশের অর্থনীতি পুনর্গঠনের রূপরেখা ঘোষণা সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি অসুস্থ হয়ে ঢামেক হাসপাতালে, পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে পুনরায় কারাগারে একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য চিত্রশিল্পী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুস্তাফা মনোয়ারের জানাজা আগামীকাল যাত্রাবাড়ীতে ডিএমপির বিশেষ অভিযান, বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ২৩ জন গ্রেফতার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভিওন চেয়ারম্যান অগি ফাবেলার সৌজন্য সাক্ষাৎ ঢাকা সেনানিবাসে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সাথে জাপানি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

‘বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে ভারতকে কথা বলতে দেওয়া উচিত’

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২২ জুন, ২০২৩
  • ১০৮ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে ভারত সরকারকে কথা বলতে দেওয়া উচিত। তবে বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের আকাঙ্ক্ষার কথা ইতিমধ্যে স্পষ্ট করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে হোয়াইট হাউজের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের কৌশলগত যোগাযোগের সমন্বয়কারী জন কিরবি এ কথা বলেন।

 

ব্রিফিংয়ে জন কিরবির কাছে একজন সাংবাদিক জানতে চান, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির যুক্তরাষ্ট্র সফরে আঞ্চলিক গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতা ও মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হবে কি না? এ সময় বাংলাদেশ প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, দেশটিতে অবাধ, সুষ্ঠু ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের সমর্থনে যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে ভিসা-নীতি ঘোষণা করেছে। আপনি কি মনে করেন, ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে বাংলাদেশে ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টার সঙ্গে থাকবে?

জবাবে জন কিরবি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন বিশ্বের যেখানেই যান না কেন, যে নেতার সঙ্গেই কথা বলেন না কেন, তিনি সাধারণত মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে থাকেন। বর্তমান প্রশাসনের পররাষ্ট্রনীতির একটি মৌলিক উপাদান মানবাধিকার। আশা করা যায়, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গেও আলাপকালে প্রেসিডেন্ট বাইডেন যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগের বিষয়টি তুলবেন, যেমনটা তিনি সব সময় করেন।

বাংলাদেশ প্রসঙ্গে জন কিরবি বলেন, ‘আমি মনে করি, বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়ে ভারত সরকারকে কথা বলতে দেওয়া উচিত। কিন্তু বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যুক্তরাষ্ট্র তার আকাঙ্ক্ষার কথা ইতিমধ্যে স্পষ্ট করেছে। যারা বাংলাদেশের নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করবে, তাদের যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে বিধিনিষেধ দিতে ভিসা-নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। তাই আমি শুধু আমাদের অবস্থানের কথা বলতে পারি। তবে তাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে ভারত সরকারকে কথা বলতে দেওয়া উচিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026