1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ০৬:২০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সিটি করপোরেশন বহির্ভূত বিরোধী দলীয় আসনের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ নেদারল্যান্ডস ও মরক্কোর হাইভোল্টেজ ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে রাউন্ড অব ৩২ জাতীয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর রেললাইনের ওপর থেকে দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাক সরানোর পর রাজবাড়ী-ঢাকা রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক সংসদে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ: তিন ধাপে দেশের অর্থনীতি পুনর্গঠনের রূপরেখা ঘোষণা সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি অসুস্থ হয়ে ঢামেক হাসপাতালে, পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে পুনরায় কারাগারে একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য চিত্রশিল্পী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুস্তাফা মনোয়ারের জানাজা আগামীকাল যাত্রাবাড়ীতে ডিএমপির বিশেষ অভিযান, বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ২৩ জন গ্রেফতার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভিওন চেয়ারম্যান অগি ফাবেলার সৌজন্য সাক্ষাৎ ঢাকা সেনানিবাসে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সাথে জাপানি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

গুলশানের বিতর্কিত প্লট কৌশলে হাতছাড়া

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২০ জুন, ২০২৩
  • ১৮৯ বার দেখা হয়েছে

রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশানে মালিকানা বিরোধসহ পর্যাপ্ত দালিলিক প্রমাণের অভাবে ‘বিতর্কিত’ প্লট অভিনব কৌশলে হাতিয়ে নিচ্ছেন প্রভাবশালীরা। অভিযোগ রয়েছে, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) একশ্রেণির অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশে হাতছাড়া হচ্ছে এসব প্লট। একেকটি প্লটের দাম ১০০ থেকে ২৫০ কোটি টাকার বেশি। হাতিয়ে নিতে প্রভাবশালীদের প্লটপ্রতি খরচ পড়ছে ১০ থেকে ১৫ কোটি টাকা; যা যাচ্ছে রাজউকের অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পকেটে।

সূত্র বলেছে, প্লটের মূল নথি গায়েব করে সাজানো তদন্ত, আবার কখনো এখতিয়ার-বহির্ভূত সংস্থা দিয়ে তদন্ত করে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে প্লট। এ পর্যন্ত বিতর্কিত তালিকার ছয়টি প্লট হস্তান্তর হয়েছে। এগুলোর মূল্য ৭০০ থেকে ৮০০ কোটি টাকা। অবশ্য রাজউকের এস্টেট ও ভূমি শাখার কর্মকর্তারা যোগসাজশ করে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। রাজউকের চেয়ারম্যান (সচিব) মো. আনিছুর রহমান মিঞা বলেছেন, নিয়ম অনুযায়ী যাচাই-বাছাই করেই হস্তান্তর করা হচ্ছে।

রাজউক সূত্র বলেছে, গত শতকের ষাটের দশকে বরাদ্দ দেওয়া প্লটগুলোর মধ্যে ৩৯টিকে ১৬-১৭ বছর আগে বিতর্কিত তালিকাভুক্ত করে রাজউক। এগুলোর বেশির ভাগই গুলশানে। এসব প্লটের একেকটির মালিক দাবিদার ২ থেকে সর্বোচ্চ ১০ জন পর্যন্ত। এগুলোর বরাদ্দপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা ছিলেন মূলত পাকিস্তানের নাগরিক। এগুলো কবজা করতেই নেওয়া হচ্ছে কৌশল।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026