1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১০:২১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সিটি করপোরেশন বহির্ভূত বিরোধী দলীয় আসনের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ নেদারল্যান্ডস ও মরক্কোর হাইভোল্টেজ ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে রাউন্ড অব ৩২ জাতীয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর রেললাইনের ওপর থেকে দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাক সরানোর পর রাজবাড়ী-ঢাকা রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক সংসদে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ: তিন ধাপে দেশের অর্থনীতি পুনর্গঠনের রূপরেখা ঘোষণা সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি অসুস্থ হয়ে ঢামেক হাসপাতালে, পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে পুনরায় কারাগারে একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য চিত্রশিল্পী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুস্তাফা মনোয়ারের জানাজা আগামীকাল যাত্রাবাড়ীতে ডিএমপির বিশেষ অভিযান, বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ২৩ জন গ্রেফতার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভিওন চেয়ারম্যান অগি ফাবেলার সৌজন্য সাক্ষাৎ ঢাকা সেনানিবাসে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সাথে জাপানি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নির্ধারিত দামে মিলছে না ভোজ্যতেল, ফের পেঁয়াজের কেজি ৮০ টাকা

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৫ জুন, ২০২৩
  • ১০১ বার দেখা হয়েছে

লিটারে ১০ টাকা কমিয়ে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৮৯ ও খোলা তেল ১৬৭ টাকা নির্ধারণ করেছে সরকার। তবে ৪ দিন পরও বাজারে এই দামে নিত্যপ্রয়োজনীয় এ পণ্যটি মিলছে না। পাশাপাশি পাম তেলও বিক্রি হচ্ছে বাড়তি দামে। এছাড়া সপ্তাহের ব্যবধানে ফের কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সঙ্গে আদা, জিরা ও দারুচিনির দাম বেড়েছে।

 

বৃহস্পতিবার রাজধানীর কারওয়ানবাজার, নয়াবাজার ও মালিবাগ কাঁচাবাজার ঘুরে ক্রেতা-বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

১১ জুন সরকারের পক্ষ থেকে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮৯ টাকা। পাশাপাশি প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন ১৬৭ ও পাম তেলের দাম ১৩৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়। তবে বৃহস্পতিবার রাজধানীর খুচরা বাজারে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৯৯-২০০ টাকা, খোলা সয়াবিন তেল ১৭৬-১৮০ টাকা ও পাম তেল প্রতি লিটার ১৪৫ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়। যা সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে ১৪, ১১ ও ৮ টাকা বেশি।

নয়াবাজারের মুদি বিক্রেতা মো. তুহিন বলেন, কোম্পানি থেকে নতুন দামের তেল সরবরাহ করা হচ্ছে না। আগের বাড়তি দরের তেল বাড়তি দামেই বিক্রি করতে হচ্ছে। মিল থেকে সরকার নির্ধারিত দামে তেল সরবরাহ করতে মনে হচ্ছে দেরি হবে। কারণ তারা সব সময় সুযোগ খোঁজে। অতি মুনাফা করে বাজারে পণ্য সরবরাহ করে। আর কয়েকদিন পর ঈদ। যে কারণে তারা মিল থেকে নতুন দামে তেল সরবরাহ করছে না।

অন্যদিকে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি করার পর থেকে রাজধানীর খুচরা বাজারে পণ্যটির দাম কমতে শুরু করে। তবে সপ্তাহের ব্যবধানে ফের কেজিপ্রতি ৫ টাকা বেড়েছে পেঁয়াজের দাম।

রাজধানীর খুচরা বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ সর্বোচ্চ ৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। যা গত সপ্তাহেও ৭৫ টাকা ছিল। তবে আমদানি করা পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৫ টাকা কমে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হয়েছে ১৪০ টাকা।

বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এ দিন প্রতি কেজি আমদানি করা আদা ৩২০ টাকায় বিক্রি হয়। যা ৭ দিন আগেও ৩০০ টাকা ছিল। প্রতি কেজি জিরা ৮৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক সপ্তাহ আগে দাম ছিল ৮৫০ টাকা। পাশাপাশি প্রতি কেজি দারুচিনি বিক্রি হচ্ছে ৫৩০ টাকা। যা ৫২০ টাকা ছিল।

কারওয়ানবাজারে পণ্য কিনতে আসা মো. জামিলুর রহমান বলেন, ‘পণ্যের দাম নিয়ে আমরা হতাশায় আছি। প্রতি সপ্তাহে কোনো না কোনো পণ্যের দাম বাড়ে। সরকার কমালেও বাজারে বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে ভোজ্যতেল। পাশাপাশি কুরবানির ঈদ ঘিরে মসলা পণ্যের দাম বাড়তি। বাজারে তদারকি সংস্থাগুলোর কোনো ভূমিকা নেই।’

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026