1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০৫:১১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সিটি করপোরেশন বহির্ভূত বিরোধী দলীয় আসনের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ নেদারল্যান্ডস ও মরক্কোর হাইভোল্টেজ ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে রাউন্ড অব ৩২ জাতীয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর রেললাইনের ওপর থেকে দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাক সরানোর পর রাজবাড়ী-ঢাকা রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক সংসদে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ: তিন ধাপে দেশের অর্থনীতি পুনর্গঠনের রূপরেখা ঘোষণা সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি অসুস্থ হয়ে ঢামেক হাসপাতালে, পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে পুনরায় কারাগারে একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য চিত্রশিল্পী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুস্তাফা মনোয়ারের জানাজা আগামীকাল যাত্রাবাড়ীতে ডিএমপির বিশেষ অভিযান, বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ২৩ জন গ্রেফতার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভিওন চেয়ারম্যান অগি ফাবেলার সৌজন্য সাক্ষাৎ ঢাকা সেনানিবাসে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সাথে জাপানি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

কয়লা সংকটে বন্ধ পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৬ জুন, ২০২৩
  • ৯৯ বার দেখা হয়েছে

কয়লা সংকটে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে পটুয়াখালীর পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন। গতকাল দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট সক্ষমতার কেন্দ্রটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের (বিসিপিসিএল) সংশ্লিষ্ট সূত্র। এতে চলমান লোডশেডিং আরো বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল পায়রার। মূলত দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলসহ জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করত এ তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র। গত ২৫ মে কয়লা সংকটের কারণে পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। এর ১২ দিনের মাথায় কেন্দ্রটির দ্বিতীয় ইউনিটও বন্ধ হয়ে গেল।

এক মাস ধরেই পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাওয়ার বিষয়টি আলোচনায় ছিল। বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদও কেন্দ্রটি বন্ধের কথা জানিয়ে বলেছিলেন, ‘জ্বালানি সংকটের কারণে ৫ জুনের পর পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র সাময়িকভাবে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে।’

জ্বালানি আমদানি বাবদ বিপুল পরিমাণ বিল বকেয়া থাকাই মূলত কেন্দ্রটি বন্ধের মূল কারণ। ডলারের সংস্থান না হওয়ায় পায়রার কয়লার বিল বকেয়া পড়ে ৩০ কোটি ডলারের মতো। যদিও ১০ কোটি ডলার কয়েক দফায় পরিশোধ হয়েছে বলে জানায় বিসিপিসিএল। নতুন করে কয়লার এলসি (ঋণপত্র) খোলা হয়েছে। তবে এ কয়লা আমদানি করতে ২০-২৫ দিনের মতো সময় প্রয়োজন। তাই চলতি মাসজুড়ে কেন্দ্রটির উৎপাদন জাতীয় গ্রিড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026