1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০৯:৫৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সিটি করপোরেশন বহির্ভূত বিরোধী দলীয় আসনের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ নেদারল্যান্ডস ও মরক্কোর হাইভোল্টেজ ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে রাউন্ড অব ৩২ জাতীয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর রেললাইনের ওপর থেকে দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাক সরানোর পর রাজবাড়ী-ঢাকা রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক সংসদে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ: তিন ধাপে দেশের অর্থনীতি পুনর্গঠনের রূপরেখা ঘোষণা সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি অসুস্থ হয়ে ঢামেক হাসপাতালে, পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে পুনরায় কারাগারে একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য চিত্রশিল্পী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুস্তাফা মনোয়ারের জানাজা আগামীকাল যাত্রাবাড়ীতে ডিএমপির বিশেষ অভিযান, বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ২৩ জন গ্রেফতার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভিওন চেয়ারম্যান অগি ফাবেলার সৌজন্য সাক্ষাৎ ঢাকা সেনানিবাসে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সাথে জাপানি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

শিগগিরই কমছে না লোডশেডিং

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ২৯ মে, ২০২৩
  • ১১৮ বার দেখা হয়েছে

লোডশেডিং মোকাবিলায় নানা উদ্যোগ নেয়া হলেও মুক্তি মিলছে না শিগগিরই। চলতি বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির দিনে অবহাওয়া ঠাণ্ডা থাকায় কিছুটা স্বস্তি মিললেও লোডশেডিংয়ের কবল থেকে বের হওয়া যাচ্ছে না। ঘন ঘন বিদ্যুৎবিপর্যয়ে বিরক্ত গ্রাহকরা। তাপমাত্রা নিম্নমুখী হওয়ায় বিদ্যুতে তুলনামূলক চাহিদা কমেছে। এতেও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে ব্যর্থ বিদ্যুৎ বিভাগ। সংশ্লিষ্টরা বলছে, ডলার সংকটে ঋণপত্র (এলসি) খুলতে রাজি হচ্ছে না ব্যাংকগুলো। কয়লা, জ্বালানি তেলের অভাবে বেকায়দায় পড়েছে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ বিভাগ। চলমান বিদ্যুৎ ঘাটতি মোকাবিলায় চলতি বছরের ভরসা ছিল রামপাল, পায়রা ও আদানির বিদ্যুৎ। কিন্তু প্রয়োজনী কয়লার সংস্থান না থাকায় রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রে চার মাসে তিনবার উৎপাদন বন্ধ করতে হয়েছে। এদিকে কয়লা সংকটের কারণে পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৬৬০ মেগাওয়াটের একটি ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ করে দতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ। গত ২৫ মে এই উৎপাদন বন্ধ করা হয়। বাকি ইউনিটও কয়েক সপ্তাহের জন্য বন্ধ হতে পারে শিগগিরই। এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াটের পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র সমগ্র বরিশাল ও খুলনা এবং ঢাকার কিছু অংশের জন্য বিদ্যুতের নির্ভরযোগ্য উৎস। কয়লার জোগান না হলে এই সপ্তাহের মধ্যে বিদ্যুৎকেন্দ্রের অন্য ইউনিটটি থেকেও বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

দেশের সর্ববৃহৎ কয়লাভিত্তিক এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের সূত্র বলছে, তাদের কাছে মাত্র ৫০ হাজার টন কয়লা মজুত রয়েছে এবং দুটি ইউনিটের প্রতিটিতে দৈনিক প্রায় ছয় হাজার টন কয়লা প্রয়োজন। সে হিসাবে ৬৬০ মেগাওয়াটের দ্বিতীয় ইউনিটটি বন্ধ হতে আর দেরি নেই। বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (বিসিপিসিএল) বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পরিচালনা করে এবং ৫০ শতাংশ শেয়ার থাকা চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট কোম্পানি (সিএমসি) কয়লার টাকা দেয়। বিল পরিশোধ করে দেয়ার ছয় মাসের মধ্যে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) কাছ থেকে অর্থ আদায় করে সিএমসি।

গত ২৭ এপ্রিল বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়, পিডিবি ও বাংলাদেশ ব্যাংককে চিঠি দিয়ে বিসিপিসিএল জানায়, ছয় মাসের বেশি বকেয়া থাকায় সিএমসি পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রে কয়লা সরবরাহে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, বকেয়া পরিশোধ না করা পর্যন্ত কয়লা সরবরাহ বন্ধ থাকবে। বিপিডিবি এখনো পাওনা পরিশোধ করতে পারেনি। বিসিপিসিএল সূত্র বলছে, প্রায় ৩০ কোটি ডলার বকেয়া ছিল এবং কয়লা পরিশোধের বিষয়ে পিডিবি ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে আলোচনা চলছে।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026