1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৫৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
খাল পুনঃখনন কার্যক্রমে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নে জোর হামজনিত নিউমোনিয়ার প্রাদুর্ভাব: স্বাস্থ্যকর্মীদের সব ধরনের ছুটি বাতিল কিউবা সরকার হোলি উইকে হাজারেরও বেশি বন্দি মুক্তি দিয়েছে হায়দরাবাদে কবরস্থানে লুকানো ৪১৪টি গ্যাস সিলিন্ডার জব্দ, ১০ জন আটক দেশে তেলের কোনো সংকট নেই: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম প্রধানমন্ত্রীর একদিনের ১৬ ঘণ্টার দাপ্তরিক কার্যক্রম প্রধানমন্ত্রীর একদিনের ১৬ ঘণ্টার দাপ্তরিক কার্যক্রম সরকারি অফিস সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত সরকারি-বেসরকারি অফিসের সময় পরিবর্তন: সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত কার্যক্রম মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডিকে অপসারণ, পেন্টাগনে অস্থিরতার মধ্যে নতুন বিতর্ক

রেমিট্যান্স খেয়ে ফেলছে সোনা চোরাকারবারিরা

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৯ মে, ২০২৩
  • ১২৭ বার দেখা হয়েছে

প্রবাসী শ্রমিকদের কাছ থেকে রেমিট্যান্স সংগ্রহ করে সোনার বার কিনে দেশে এনে পাচার করছে চোরাকারবারিরা। একই সঙ্গে বিদেশে শ্রমিকদের কাছ থেকে নেওয়া অর্থ বিকাশ-নগদের মাধ্যমে দেশে আত্মীয়স্বজনের কাছে পাঠানো হচ্ছে। শ্রমিকরাও হুন্ডি ব্যবসা ও সোনা চোরাচালানে জড়িত বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ব্যাগেজ রুলের আওতায় আনা সোনার শুল্ক আমদানি করা সোনার চেয়ে কম হওয়ার সুযোগ নিচ্ছে পাচারকারিরা। ফলে আন্তর্জাতিক চোরাকারবারিরা বৈধ উপায়ে সোনার বার বাংলাদেশে এনে আবার পাচার করছে। প্রতি বছর ১৮ থেকে ২০ টন সোনার চাহিদা থাকলেও প্রায় ৭৩ হাজার কোটি টাকার সোনার বার এবং অলংকার লাগেজ নিয়মে বাংলাদেশে আসে। কিন্তু অভিবাসীদের পাঠানোর কথা ছিল টাকা। টাকা না এসে সোনা আসায় দেশে ডলার সংকট গভীর হয়েছে বলে জানা গেছে।

আরও জানা গেছে, ব্যাগেজ রুলস-২০১৬-এর আওতায় সিঙ্গাপুর, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং মধ্যপ্রাচ্য থেকে দেশে ফেরার সময় একজন ১১৬ গ্রাম ওজনের দুটি সোনার বার নিয়ে আসতে পারে। এই সুযোগে চোরাকারবারিরা কিছু অর্থ দিয়ে প্রবাসী শ্রমিক ও ভ্রমণকারীদের হাতে তুলে দেয় সোনার বার। শ্রমিকদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা অর্থ দেশে তাদের আত্মীয়স্বজনের বিকাশ ও নগদ অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেয়। এতে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স বাড়ছে না।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026