1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৪৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
খাল পুনঃখনন কার্যক্রমে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নে জোর হামজনিত নিউমোনিয়ার প্রাদুর্ভাব: স্বাস্থ্যকর্মীদের সব ধরনের ছুটি বাতিল কিউবা সরকার হোলি উইকে হাজারেরও বেশি বন্দি মুক্তি দিয়েছে হায়দরাবাদে কবরস্থানে লুকানো ৪১৪টি গ্যাস সিলিন্ডার জব্দ, ১০ জন আটক দেশে তেলের কোনো সংকট নেই: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম প্রধানমন্ত্রীর একদিনের ১৬ ঘণ্টার দাপ্তরিক কার্যক্রম প্রধানমন্ত্রীর একদিনের ১৬ ঘণ্টার দাপ্তরিক কার্যক্রম সরকারি অফিস সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত সরকারি-বেসরকারি অফিসের সময় পরিবর্তন: সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত কার্যক্রম মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডিকে অপসারণ, পেন্টাগনে অস্থিরতার মধ্যে নতুন বিতর্ক

বাংলাদেশের রূপান্তরে এনজিও যুগের পরিসমাপ্তি কি

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৩
  • ১২৩ বার দেখা হয়েছে

এনজিও—ননগভর্নমেন্টাল অর্গানাইজেশন বা বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা। দেশী-বিদেশী উৎস থেকে পাওয়া তহবিল কাজে লাগিয়ে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে নানা কর্মসূচি ও প্রকল্প গ্রহণ এবং বাস্তবায়ন করে থাকে প্রতিষ্ঠানগুলো। স্বাধীনতার পরের কয়েক দশকে দেশের উন্নয়ন অর্থনীতিতে সংস্থাগুলো বেশ প্রভাবশালী হয়ে উঠেছিল। কিন্তু গত এক দশকে সংস্থাগুলোয় বিদেশ থেকে তহবিল আসা এক প্রকার বন্ধ হয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে কমেছে এনজিওগুলোর রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষমতা। টিকে থাকতে এখন বাণিজ্যিক রূপান্তরের পথ বেছে নিতে হচ্ছে প্রতিষ্ঠানগুলোকে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির ধারাবাহিকতায় এখন আর তহবিলের জোগান দিতে চাইছে না বিদেশী দাতারা। এছাড়া কভিডকালীন বিপত্তি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধসহ নানা কারণে বৈশ্বিক অর্থনীতির চলমান দুঃসময়ও এখানে বড় একটি ভূমিকা রেখেছে।

স্বাধীনতার অনেক আগে থেকেই বাংলাদেশে কার্যক্রম চালাচ্ছে বেশ কিছু আন্তর্জাতিক এনজিও। এগুলোর মধ্যে রেড ক্রস/রেড ক্রিসেন্ট, কেয়ার, কারিতাসের মতো বিদেশী কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এখানে সক্রিয় পাকিস্তান আমল থেকেই। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে এনজিওর সংখ্যা ও কার্যক্রম বেড়ে যায়। ১৯৭০ সালের ভোলা সাইক্লোন, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ ও সত্তরের দশকের বড় কয়েকটি দুর্যোগের পরিপ্রেক্ষিতে অর্থনৈতিক, অবকাঠামোগত এবং মানবিক সংকটে পতিত হয় বাংলাদেশ। এরই পরিপ্রেক্ষিতে এখানে কার্যক্রম শুরু করে দেশী-বিদেশী অনেক এনজিও। দাতাদের কাছ থেকে পাওয়া তহবিলে ভর করে প্রতিষ্ঠানগুলো হাতে নিয়েছিল অনেক কর্মসূচি। আশি ও নব্বইয়ের দশক এমনকি চলতি শতকের শুরুর দশকেও দেশের উন্নয়ন আলোচনার বড় একটি অংশজুড়ে ছিল এসব প্রতিষ্ঠান।

নাজুক জনগোষ্ঠীর দারিদ্র্য বিমোচনে এনজিওগুলোর ভূমিকা বেশ আলোচিত হয়েছে। নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত স্যার ফজলে হাসান আবেদ দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও বেশ প্রভাবশালী হয়ে উঠেছিলেন। ক্ষুদ্রঋণ ও কল্যাণমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচনে তাদের তৈরি করা মডেলগুলো হয়ে উঠেছিল পণ্ডিত মহলে আলোচনার বিষয়বস্তু।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026