1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:০৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
চট্টগ্রাম বন্দরে বে টার্মিনাল নির্মাণে সিঙ্গাপুরের প্রস্তাব, দক্ষ জনশক্তি ও বিনিয়োগ বাড়াতে উদ্যোগ গণিত চর্চা ও অলিম্পিয়াডের প্রসারে সর্বাত্মক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রীর চাঁদাবাজির এক লাখ টাকা না পেয়ে অটোরিকশাচালককে গুলি বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ আখতার হোসেনের চুক্তি বাতিল এআইপ্রযুক্তিনির্ভর বিদেশি সাইবার হামলার মুখোমুখি তাইওয়ান, সরকারি সংস্থায় নিরাপত্তা জোরদার জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধির সৌজন্য সাক্ষাৎ: বিশ্বমিডিয়ায় দেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর এখনো চূড়ান্ত হয়নি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে আকাশপথে বৃদ্ধি পাচ্ছে ফ্লাইট সংখ্যা, সুযোগ তৈরি হচ্ছে নতুন কার্গো নেটওয়ার্কের চকরিয়ায় বাস-লেগুনা মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪, আহত ৫ নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় বিদেশি পিস্তল উদ্ধার

যেভাবে মোল্লা হাট থেকে দুবাইয়ে আরাভ ফাহিমা আক্তার সুমি, বাগেরহাট থেকে ফিরে

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৩
  • ২৩৮ বার দেখা হয়েছে

পঁয়ত্রিশ বছর আগে নানা রিজু শেখের বাড়িতে তার জন্ম। বাগেরহাটের মোল্লাহাটেই কেটেছে শৈশব। শৈশবেই নানা বাড়ি ছেড়ে ওঠেন চিতলমারীর ভাড়া  বাসায়। বাবা ফেরি করে হাঁড়ি-পাতিল বিক্রি করতেন। অভাব অনটনের সংসার চালানো মা, খালা আর মামারা নানা জাল জালিয়াতি করে চলতেন। তা দেখেই অপরাধের হাতেখড়ি রবিউল ইসলাম ওরফে সোহাগ মোল্লার। মোল্লার হাটে জন্ম নেয়া এই রবিউল বা সোহাগই এখন দুবাইয়ের নিউ গোল্ড সুকের স্বর্ণের দোকানি আরাভ খান। বাগেরহাট থেকে দুবাইয়ের অভিজাত গোল্ড মার্কেটে ব্যবসায়ী হয়ে ওঠা আরাভের পুরো পথটা ছিল নানা অপরাধ আর অনিয়মের ভরা। বলতে গেলে অপরাধের সিঁড়ি বেয়েই এ পর্যন্ত উঠেছেন। সরজমিন বাগেরহাটের মোল্লাহাট ও চিতলমারি ও গোপালগঞ্জ ঘুরে জানা গেছে তার বেড়ে ওঠার নানা চমকপ্রদ তথ্য।

আরাভের বাবার গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার আশুতিয়া গ্রামে।

বাবা মতিউর রহমান মোল্লা জীবিকার তাগিদে হাঁড়ি-পাতিল কাঁধে করে ফেরি করতেন। টানাপড়েনের সংসার ছিল তাদের। তিন ভাই-বোনের মধ্যে আরাভ বড়। অভাবের সংসারে বেড়ে উঠলেও তার বেশভূষা ও চলাফেরা ছিল উচ্চাবিলাসী।
কৌশলে সখ্যতা গড়তেন প্রভাবশালীদের সঙ্গে। তার মামা-খালা ও মা মিলে করতেন জাল টাকার ব্যবসা। বড় অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিয়ে মানুষকে ফেলতেন ফাঁদে। বাড়িতে বসাতেন গানের আসর। সেইসঙ্গে ফাঁদ পাততেন কবিরাজির। মানুষের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা ধার নিতেন। পরবর্তীতে তাদের জাল টাকা দিয়ে দেনা পরিশোধ করতেন। জাল টাকা বুঝতে পেয়ে কেউ কেউ টাকা ফেরত চাইলে তাদের দেয়া হতো হুমকি।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026