1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:২২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
কৃষকদের জন্য ধান ও পাট বীজসহ সার বিতরণ উদ্বোধন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারীর পদ ছাড়ছেন জোনায়েদ সাকি মাইকিংয়ের জেরে বৃদ্ধকে মারধরের অভিযোগ, অস্বীকার ইউএনওর গণমাধ্যমকর্মীদের নির্যাতনের তালিকা তৈরির উদ্যোগ: তথ্যমন্ত্রী জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকারের অগ্রাধিকার, তেলের দাম নিয়ে সিদ্ধান্ত লক্ষ্মীপুরে ১২.৬ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন খাল পুনঃখনন কার্যক্রমে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নে জোর হামজনিত নিউমোনিয়ার প্রাদুর্ভাব: স্বাস্থ্যকর্মীদের সব ধরনের ছুটি বাতিল কিউবা সরকার হোলি উইকে হাজারেরও বেশি বন্দি মুক্তি দিয়েছে হায়দরাবাদে কবরস্থানে লুকানো ৪১৪টি গ্যাস সিলিন্ডার জব্দ, ১০ জন আটক

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে মাথায় নিয়ে সম্মেলনের প্রস্তুতি নিচ্ছে আওয়ামী লীগ

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২২
  • ১৪৯ বার দেখা হয়েছে

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে মাথায় নিয়ে দলের ত্রিবার্ষিক জাতীয় সম্মেলনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। গত কয়েক দফা নিয়মিত সম্মেলন হলেও এবার আগাম সম্মেলনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে দলের বিভিন্ন পর্যায় থেকে।

আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র বলছে, দলের নতুন নেতৃত্ব আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গুরু দায়িত্বে থাকবে। নতুন ওই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব দক্ষ-পোক্ত করতে নির্ধারিত মেয়াদের আগেও হতে পারে দলের ২২তম সম্মেলন। ২০০৯ সাল থেকে নিয়মিত সম্মেলন করে আসছে দলটি। সে অনুযায়ী, চলতি বছরের ডিসেম্বরে সম্মেলনের নির্ধারিত সময়। তবে এবার সম্মেলন কিছুটা আগে করার আলেচনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে সেপ্টেম্বরে হতে পারে বলে আলোচনা রয়েছে।

ওই সূত্রগুলোর দাবি, আগে সম্মেলন করার কিছু যৌক্তিক কারণও দেখা দিয়েছে। এর অন্যতম দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের শারীরিক অবস্থা। তা ছাড়া জাতীয় সংসদ নির্বাচনও সম্মেলনের আরেকটি বড় কারণ।

সূত্রমতে, ওবায়দুল কাদেরের শারীরিক অবস্থা যে পর্যায়ে আছে তাতে ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রায় ৮ মাস দলীয় কর্মকান্ডে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে যেভাবে তার সম্পৃক্ত থাকার প্রয়োজন সেভাবে থাকতে পারছেন না তিনি। নির্বাচনের আগে সারা দেশে দলের শক্ত অবস্থান তৈরির জন্য নতুন নেতৃত্ব প্রয়োজন। তাই যত দ্রুত সম্ভব সম্মেলন সম্পন্ন করা প্রয়োজন বলে মনে করছে আওয়ামী লীগের বড় একটি অংশ। ওই অংশ মনে করছে, কেন্দ্রীয় সম্মেলন মেয়াদের আগে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আওয়ামী লীগের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নেতা দেশ রূপান্তরকে বলেন, জাতীয় সম্মেলন নিয়ে দলের ভেতরে এক ধরনের গুঞ্জন উঠেছে। চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে সম্মেলন হয়ে যেতে পারে বলেও ‘আওয়াজ’ রয়েছে। ওই নেতারা আরও বলেন, আওয়ামী লীগের নতুন নেতৃত্ব আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণ করবেন। ফলে নির্বাচনের প্রস্তুতি জন্য নতুন নেতৃত্ব যাতে পর্যাপ্ত সময় হাতে পায় সেই ভাবনা রয়েছে শীর্ষ নেতৃত্বের। নির্বাচনসংশ্লিষ্ট গবেষণা ও কৌশল নির্ধারণ এবং তা বাস্তবায়ন করতে হলে হাতে পর্যাপ্ত সময় থাকা জরুরি। এ কারণেও সম্মেলন এগিয়ে আনার বিষয়টি দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ভাবনায় রয়েছে।

আওয়ামী লীগের একাধিক কেন্দ্রীয় নেতার দাবি, বিভিন্ন জেলা-উপজেলার সম্মেলনও আগাম কেন্দ্রীয় সম্মেলনের বার্তা।

জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য ফারুক খান দেশ রূপান্তরকে বলেন, আওয়ামী লীগ নিয়মিত সম্মেলন করে। এবারও নিয়মিত সময়েই সম্মেলন হবে। তিনি বলেন, ‘সামনে যেহেতু জাতীয় নির্বাচন সেক্ষেত্রে সম্মেলনের মধ্য দিয়ে দক্ষ নেতারা নেতৃত্বে আসবেন, যারা নির্বাচনকেন্দ্রিক নানা গবেষণা, কৌশল নিয়ে মাঠে-ঘাটে কাজ করবেন।’

ফারুক খান বলেন, সারা দেশের নেতাকর্মী-সমর্থক গোষ্ঠীকে উজ্জীবিত করতে কেন্দ্রীয় সম্মেলনের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

অবশ্য গত ২ এপ্রিল দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘নির্ধারিত সময়ে আগামী ডিসেম্বর মাসে আওয়ামী লীগের ২২তম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। সেই সম্মেলনের প্রস্তুতি আমরা নিচ্ছি।’

ওইদিন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের প্রাথমিক সদস্য সংগ্রহ ও নবায়নের জন্য বই বিতরণও করা হয়। তিনি বলেন, এ ছাড়া আগামী বছরের ডিসেম্বর অথবা ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং দলের জাতীয় সম্মেলন এই দুটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। ওইদিন তিনি আরও বলেন, ‘আগামী জাতীয় সংসদ এবং দলের জাতীয় সম্মেলনকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগকে আরও সুসংগঠিত সুশৃঙ্খল, আধুনিক ও স্মার্টার করে গড়ে তোলা হবে। আগামী নির্বাচনে আমরা আর ও স্মার্টার আরও আধুনিক, সুসংগঠিত একটা দল নিয়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অংশ নেব।’

জানা গেছে, ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বেশ কয়েক জেলার নেতার সঙ্গে আলাপকালে সেপ্টেম্বরে দলের সম্মেলন হয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন। দেশের উত্তরাঞ্চলের একটি জেলার সাধারণ সম্পাদক গত মার্চ মাসে ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে ওই নেতাকে তিনি বলেন, সেপ্টেম্বরে কেন্দ্রীয় সম্মেলন হয়ে যাবে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই নেতা ওবায়দুল কাদেরের বরাত দিয়ে দেশ রূপান্তরকে এ তথ্য জানান।

দক্ষিণাঞ্চলের একটি জেলার সভাপতিও ওবায়দুল কাদেরের বরাত দিয়ে জানান, সেপ্টেম্বরে সম্মেলন হবে। এখন প্রস্তুতি শুরু করতে হবে।

জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল  বলেন, ‘সম্মেলনের গুঞ্জন আছে। তবে সম্মেলন এজেন্ডায় রেখে যখন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সভা আহ্বান করা হবে, তখনই নিশ্চিত হওয়া যাবে সম্মেলন কবে হবে।’ তিনি বলেন, ‘কেন্দ্রীয় সম্মেলন করতেই আমরা তৃণমূলের সম্মেলনকে গুরুত্ব দিচ্ছি।’

দলের খুলনা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কামাল আরও বলেন, ‘আমার দায়িত্বপ্রাপ্ত বিভাগে ৬৬টি উপজেলা সম্মেলন শেষ করা হয়েছে। সব জেলারও সম্মেলন শেষ।’

জানা গেছে, নির্ধারিত সময়ের আগে সম্মেলন করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেও। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে তৃণমূলের সম্মেলন শেষ করতে কড়া নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

দলের কেন্দ্রীয় একাধিক নেতা দেশ রূপান্তরকে বলেন, নতুন নেতৃত্ব দায়িত্ব নিলে সাংগঠনিক কাজে গতি আসবে। সম্মেলনের পক্ষে এমন যুক্তিও তুলে ধরেছেন নেতারা। সম্মেলন উপলক্ষে তৃণমূলের নেতারা ঢাকায় জমায়েত হলে এবং দলীয় সভাপতির নির্দেশনা নিয়ে ফিরে গেলে সাংগঠনিক কাজে গতিশীলতা আসবে। জাতীয় নির্বাচন নিয়ে মাঠে নেমে পড়বে দলের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য রিয়াজুল কবির কাওসার দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘সম্মেলন তো চলছেই। বছরজুড়েই সম্মেলন হবে। এরমধ্যে কেন্দ্রীয় সম্মেলনেরও দিনক্ষণ হয়ে যাবে।’

আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য কাজী জাফরউল্যাহ  বলেন, ‘কেন্দ্রীয় সম্মেলন মাথায় রেখেই তো সারা দেশের জেলা-উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তৃণমূলের সম্মেলন শেষ হয়ে গেলেই কেন্দ্রীয় সম্মেলন হয়ে যাবে।’

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026