1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ০২:৩২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
তরুণদের সম্ভাবনাকে জাতীয় অগ্রগতির চালিকাশক্তিতে রূপান্তরের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর দেশের বিভিন্ন জেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি: ছাত্রদলের ১০ দফা জরুরি নির্দেশনা জারি দেশের ৪৩১ উপজেলায় ১০১ শয্যার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স করার সিদ্ধান্ত সরকারের মেধাভিত্তিক বাংলাদেশ গড়তে এবং চলমান দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ: মাহদী আমিন দেশে হাম ও উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৭৫০ ফলাফল ফাঁসের ঘটনায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা বরখাস্ত চট্টগ্রাম অঞ্চলে বন্যা ও পাহাড়ধস মোকাবিলায় সরকারের ১০ দফা জরুরি পদক্ষেপ বাংলাদেশকে বিশ্বমানের বিনিয়োগ-বান্ধব দেশ করতে সব ধরনের পদক্ষেপের আশ্বাস যুক্তরাজ্যের সাথে নৌ, সড়ক ও রেলপথে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ও জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী

যে শহরের বাসিন্দারা অফিসে যান বিমানে করে!

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২১ অক্টোবর, ২০২১
  • ২৩৬ বার দেখা হয়েছে
শহরে বসবাসরত সবার বাড়িতেই বিমান আছে। তা দিয়ে কেও যাচ্ছেন কাজে। কেউবা মনকে হালকা করতে বেরিয়ে পড়ছেন বিমান নিয়ে। এ এমন এক শহর যেখানে অলিগলি, ছোট-বড় রাস্তা বলে কিছুই নেই। একটাই পথ- তার পুরোটাই রানওয়ে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত এই শহরটির নাম ক্যামেরন পার্ক। ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে অবস্থিত এই এলাকা আসলে মার্কিন সরকারের নথিভুক্ত কোনো শহর হয়। সবাই একে ফ্লাই-ইন রেসিডেন্সিয়াল কমিউনিটি হিসেবেই চিনে। সোজা কথায় এটি একটি এয়ারপার্ক। এই ধরনের কমিউনিটি মূলত বিমানপোতে গড়ে ওঠে।
বিভিন্ন মার্কিন গণমাধ্যমের খবরে দেখা যায়, শহরকে দুইভাগে ভাগ করে একটি রানওয়ে। বিমান অনায়াসে সেখানে ওঠানামা করতে পারে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্রের বহু বিমানপোত অকেজো হয়ে পড়েছিল। একইসঙ্গে অবসরপ্রাপ্ত পাইলটের সংখ্যাও ক্রমশ বৃদ্ধি পেয়েছিলো। পাইলটের সংখ্যা ১৯৩৯ সালে ৩৪ হাজার থেকে বেড়ে ১৯৪৬-এ ৪ লাখে গিয়ে ঠেকে।
যুদ্ধে অংশ নেওয়া অবসরপ্রাপ্ত পাইলটদের আরামের অবসর দিতেই ফ্লাই-ইন রেসিডেন্সিয়াল কমিউনিটি গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেয় মার্কিন কর্তৃকপক্ষ। যুক্তরাষ্ট্রের বেসামরিক বিমান কর্তৃপক্ষ অকেজো বিমানপোতগুলো ঠিক করে অবসরপ্রাপ্ত বিমানচালকদের থাকার ব্যবস্থা করে দেয়। চেনা পরিচিত পরিবেশে থাকতে পাইলটদের ভালো লাগবে, এই ধারণা থেকেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
১৯৬৩ সালে সেই ভাবনা থেকেই তৈরি হয়েছিলো পার্কটি। একসময় নাম ছিলো ক্যামেরন পার্ক এয়ারপোর্ট। সেই নাম বদলে হয় ক্যামেরন পার্ক এয়ারপার্ক। শহরের প্রতিটি পরিবারেরই কোনও না কোনও সদস্য একসময় পাইলট বা বিমানচালক ছিলেন।
ক্যামেরন পার্ক এয়ারপার্কে হাতে গোনা ১২৪টি বাড়ি রয়েছে। তার মধ্যে ২০টি বাড়ি ফাঁকা পড়ে রয়েছে।
সেই সব বাড়ি সস্তায় বেঁচেও দিচ্ছেন অনেকে। ফেব্রুয়ারি মাসেই এমন একটি বাড়ির বিজ্ঞাপন প্রকাশ্যে আসে। ইন্টারনেটে দেওয়া সেই বিজ্ঞাপনে প্লেনের হ্যাঙ্গারসহ বাড়িটির দাম চাওয়া হয়েছিল মাত্র ৬ লাখ ৮৫ হাজার ডলার!
তবে ক্যামেরন পার্কের অধিকাংশ বাসিন্দা আরামেই আছেন। ছোট্ট শহর এ সুবিধার কমতি নেই। স্কুল, বাজার, হাসপাতাল, এমনকি শপিংমলও রয়েছে। আর যদি কিছু না পাওয়া যায় তা হলেই বা চিন্তা কীসের। প্লেনে চড়ে কাছের শহরে চলে যাওয়া তো মিনিট কয়েকের ব্যাপার মাত্র!
s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026