1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
মাঠে নামার আগেই সেমিফাইনালে তুলে দেওয়া হলো ভারতকে জাদুকরী ফ্রি কিক মেসির, গোলকিপারের শেষ সময়ের ভুলে মায়ামির হার বাংলাদেশে অল্প বয়সে আকস্মিক মৃত্যুর প্রধান পাঁচটি কারণ কী কক্সবাজার বিমানবন্দরে নতুন টার্মিনাল থেকে ফ্লাইট চলাচল শুরু ২২ অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়েতে অবৈধ লেনদেন, সর্তক করল বাংলাদেশ ব্যাংক শিক্ষক দিবসে ১০০ গুণী শিক্ষককে সম্মাননা দেবেন প্রধানমন্ত্রী ঢাকার চাঁদ উদ্যানে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগে গ্রেপ্তার ৮ ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: বিএনপি-জামায়াতসহ ৬ প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল বুক ফাটিয়ে বলব ওরা রাজাকার, বাংলার রাজনীতিতে ওদের স্থান নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী নায়কের ‘স্ত্রীর আপত্তিতে’ সিনেমা থেকে বাদ পড়েন তাপসী পান্নু

তেলিয়াপাড়া দিবস উপলক্ষে হবিগঞ্জে দিনব্যাপী অনুষ্ঠান

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৬৩ বার দেখা হয়েছে

সারাদেশ ডেস্ক

হবিগঞ্জের মাধবপুরে শনিবার (৪ এপ্রিল) ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া দিবস নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে। ১৯৭১ সালের এ দিনে তেলিয়াপাড়া চা বাগানের ম্যানেজার বাংলোতে অনুষ্ঠিত বৈঠককে কেন্দ্র করে দিনটির তাৎপর্য।

দিবসের মূল আয়োজনের অংশ হিসেবে সকালে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ইউনিট কমান্ডের উদ্যোগে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। পরে দুপুরে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি তেলিয়াপাড়া বৈঠককে স্বাধীনতা যুদ্ধের রণকৌশল নির্ধারণ এবং যুদ্ধের সূচনার গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করেন। সভায় তার ভাষ্য অনুযায়ী, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পরিকল্পনা এবং সর্বাধিনায়ক এম এ জি ওসমানীর নেতৃত্বে দেশব্যাপী যুদ্ধ পরিচালিত হয় এবং সেক্টরভিত্তিক সংগঠনের সিদ্ধান্তও এ বৈঠক থেকে এসেছে।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় আইনজীবীরা। জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ইউনিট কমান্ডের আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা রফিক সভায় সভাপতিত্ব করেন।

ইতিহাসভিত্তিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল তেলিয়াপাড়ায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার কৌশল নির্ধারণ এবং দেশের বিভিন্ন সেক্টরে ভাগ করার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এই সিদ্ধান্ত স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রাথমিক রণনীতি স্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

দিবসটি শুধু অতীতের স্মৃতিকে উদযাপন নয়, বরং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের জ্ঞান বৃদ্ধি এবং স্থানীয় জনগণ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঐতিহাসিক শিক্ষার প্রসার ঘটানোর একটি সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে স্থানীয় সমাজকর্মী, শিক্ষার্থী ও মুক্তিযোদ্ধাদের উপস্থিতি লক্ষ্যণীয় ছিল।

সকাল থেকে শুরু হওয়া পুষ্পস্তবক অর্পণ, followed by আলোচনা সভা, এবং দিনব্যাপী অন্যান্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তেলিয়াপাড়া দিবস পালনের মাধ্যমে ইতিহাস সচেতনতা এবং মুক্তিযুদ্ধের মূল নীতিমালা জনসমক্ষে উপস্থাপন করা হয়েছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026