1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৩১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
বাংলাদেশ যুব ফুটবল দলের জয়ে স্পিকারের অভিনন্দন শিশুদের স্বাবলম্বিতা ও কল্যাণ নিশ্চিতে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি শিশুদের স্বাবলম্বিতা ও কল্যাণ নিশ্চিতে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি স্থানীয় সরকার নির্বাচন আইনের অপেক্ষায়, প্রশাসক নিয়োগ চলছে তেলিয়াপাড়া দিবস উপলক্ষে হবিগঞ্জে দিনব্যাপী অনুষ্ঠান কদমতলী গ্যাসলাইটার কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ৪ জনের মৃত্যু আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সীমাবদ্ধতার সুপারিশসহ ১৩৩টি অধ্যাদেশ পর্যালোচনা শিক্ষামন্ত্রী: পরীক্ষায় নকল সহ সহায়তাকারীদের কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে হাম-রুবেলা টিকাদান কার্যক্রম শুরু হচ্ছে ১৮ জেলায় ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধে ৩৬তম দিনে প্রতিরোধ শক্তি ধরে রাখছে

তেলিয়াপাড়া দিবস উপলক্ষে হবিগঞ্জে দিনব্যাপী অনুষ্ঠান

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২ বার দেখা হয়েছে

সারাদেশ ডেস্ক

হবিগঞ্জের মাধবপুরে শনিবার (৪ এপ্রিল) ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া দিবস নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে। ১৯৭১ সালের এ দিনে তেলিয়াপাড়া চা বাগানের ম্যানেজার বাংলোতে অনুষ্ঠিত বৈঠককে কেন্দ্র করে দিনটির তাৎপর্য।

দিবসের মূল আয়োজনের অংশ হিসেবে সকালে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ইউনিট কমান্ডের উদ্যোগে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। পরে দুপুরে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি তেলিয়াপাড়া বৈঠককে স্বাধীনতা যুদ্ধের রণকৌশল নির্ধারণ এবং যুদ্ধের সূচনার গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করেন। সভায় তার ভাষ্য অনুযায়ী, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পরিকল্পনা এবং সর্বাধিনায়ক এম এ জি ওসমানীর নেতৃত্বে দেশব্যাপী যুদ্ধ পরিচালিত হয় এবং সেক্টরভিত্তিক সংগঠনের সিদ্ধান্তও এ বৈঠক থেকে এসেছে।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় আইনজীবীরা। জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ইউনিট কমান্ডের আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা রফিক সভায় সভাপতিত্ব করেন।

ইতিহাসভিত্তিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল তেলিয়াপাড়ায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার কৌশল নির্ধারণ এবং দেশের বিভিন্ন সেক্টরে ভাগ করার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এই সিদ্ধান্ত স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রাথমিক রণনীতি স্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

দিবসটি শুধু অতীতের স্মৃতিকে উদযাপন নয়, বরং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের জ্ঞান বৃদ্ধি এবং স্থানীয় জনগণ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঐতিহাসিক শিক্ষার প্রসার ঘটানোর একটি সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে স্থানীয় সমাজকর্মী, শিক্ষার্থী ও মুক্তিযোদ্ধাদের উপস্থিতি লক্ষ্যণীয় ছিল।

সকাল থেকে শুরু হওয়া পুষ্পস্তবক অর্পণ, followed by আলোচনা সভা, এবং দিনব্যাপী অন্যান্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তেলিয়াপাড়া দিবস পালনের মাধ্যমে ইতিহাস সচেতনতা এবং মুক্তিযুদ্ধের মূল নীতিমালা জনসমক্ষে উপস্থাপন করা হয়েছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026