1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
‘ফুটবল তো কেবল দৌড়ঝাঁপ নয়, দাবার মতো খেলা’ বেন স্টোকসের ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে বোর্ডের বাধা নিষেধাজ্ঞা না থাকলে নিশ্চিতভাবে স্কোয়াডেই থাকতাম: পারেদেস বর্ণবৈষম্য অবসানের প্রতিশ্রুতি পূরণ থেকে বিশ্ব এখনো অনেক দূরে: আইরিন খান গুণী শিক্ষক সম্মাননা ১০০ জনে উন্নীত করা হচ্ছে: মাহ্দী আমিন প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফর বৈশ্বিক অঙ্গনে দেশের মর্যাদা বাড়িয়েছে ত্রৈমাসিক নয়, আবারও প্রতি মাসে জমা দিতে হবে ভ্যাট রিটার্ন এলপিজির সংকট নেই, মজুদ-সরবরাহ পরিস্থিতিও ভালো: মন্ত্রীকে অপারেটররা রাবিতে বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস উদযাপন এশিয়ান গেমসে মাঠে নামার আগে বাংলাদেশ শিবিরে দুঃসংবাদ

২৩ থেকে আবার বিধিনিষেধ ৫ আগস্ট পর্যন্ত

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১৩ জুলাই, ২০২১
  • ২৮২ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদকপবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে চলমান বিধিনিষেধ ১৪ জুলাই মধ্যরাত থেকে ২৩ জুলাই সকাল ৬টা পর্যন্ত শিথিল করা হয়েছে। তবে এই সময়ে মানুষকে সতর্ক অবস্থায় থাকতে হবে এবং মাস্ক পরিধানসহ সব স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। এ বিষয়ে আজ মঙ্গলবার আদেশ জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এর অর্থ দাঁড়াল, এই সময়ে সবকিছুই চলতে পারবে।

ঈদের পর ২৩ জুলাই সকাল ছয়টা থেকে ৫ আগস্ট রাত ১২টা পর্যন্ত আবারও কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ থাকবে। আজকের আদেশে সেই বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে। তাতে এখনকার বিধিনিষেধের মতোই সরকারি-বেসরকারি অফিস, গণপরিবহনসহ সকল যানবাহন বন্ধ এবং শপিংমল ও দোকানপাটও বন্ধ থাকবে। আর এর পাশাপাশি সব ধরনের শিল্প কলকারখানাও বন্ধ থাকবে। চলমান বিধিনিষেধে কলকারখানা খোলা রয়েছে।

করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকার এ বছরের ৫ এপ্রিল থেকে ধাপে ধাপে বিধিনিষেধ দিয়ে আসছে। এর পাশাপাশি এবার স্থানীয় প্রশাসনও বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ বিধিনিষেধ জারি করেছিল। কিন্তু তারপরও করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় ১ জুলাই থেকে সারা দেশে কঠোর বিধিনিষেধ জারি করা হয়। প্রথমে এক সপ্তাহের জন্য বিধিনিষেধ ঘোষণা করা হলেও পরে তা বাড়িয়ে ১৪ জুলাই পর্যন্ত করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এখন শ্রমজীবী মানুষসহ জীবিকার দিক বিবেচনা করে ঈদ ঘিরে বিধিনিষেধ শিথিলের সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সূত্রগুলো জানিয়েছে।

গত মে মাসে পবিত্র ঈদুল ফিতরের সময়ও সরকার করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ঈদযাত্রা বন্ধ রাখতে চেয়েছিল। এ জন্য তখন দূরপাল্লার পথে গণপরিবহন বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু পরে দেখা গেল, হাজার হাজার মানুষ কড়াকড়ি উপেক্ষা করে বাড়ির অভিমুখে রওনা হন। তাতে পথেঘাটে স্বাস্থ্যবিধি মানা হয়নি। ফেরিঘাটে ছিল মানুষের উপচে পড়া ভিড়। তখন দূরপাল্লার বাস বন্ধ থাকায় মাইক্রোবাসসহ বিভিন্ন পরিবহনে করে বাড়ি যেতে খরচও বেড়ে যায়।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026