1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:২১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
আইন-শৃঙ্খলার উন্নতি হলেও জনপ্রত্যাশা পূরণে আরও সময় লাগবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিমানবন্দরে কার্গো পণ্য দ্রুত খালাসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের উদ্যোগ, তৈরি হচ্ছে নতুন ওয়্যারহাউস তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ পানিসম্পদমন্ত্রীর ট্রেড লাইসেন্সে অনিয়মের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা ডিএসসিসির: কর্মকর্তা বরখাস্ত, কারণ দর্শানোর নোটিশ বাংলাদেশ-কানাডা প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে উপদেষ্টার সঙ্গে কানাডীয় হাইকমিশনারের বৈঠক সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন পে স্কেল চূড়ান্তের পথে: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশ পুনর্গঠনে কাজ করছে সরকার: রুহুল কবির রিজভী রাজধানীর বসুন্ধরায় মডেল রিধিকার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার: আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় প্রেমিক গ্রেপ্তার ব্যক্তি-বন্দনার সংস্কৃতি পরিহার করে রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনা হয়েছে: প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব নতুন পরিচয়ে ‘সার্কেল’ নামে যাত্রা শুরু করল এয়ারটেল

মাসে দেড় কোটি টাকা লেনদেন করত বিটকয়েন চক্র: র‍্যাব

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ২১ জুন, ২০২১
  • ৩৪৯ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানী ঢাকার দারুস সালাম এলাকা থেকে বিটকয়েন ক্রয়-বিক্রয় চক্রের অন্যতম হোতা হামিমসহ চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে বলে জানিয়েছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। চক্রের সদস্যরা আগ্রহী ব্যক্তিদের কাছ থেকে নেওয়া কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছেন। তাঁরা প্রতি মাসে প্রায় দেড় কোটি টাকা লেনদেন করেন বলে জানিয়েছে র‍্যাব।

আজ রোববার ভোরে র‍্যাব-৪–এর একটি দল দারুস সালাম থানার মাজার রোড এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করে। তাঁদের কাছ থেকে দুটি ল্যাপটপ ও দুটি ডেবিট কার্ড উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন হামিম প্রিন্স খান (৩২), রাহুল সরকার (২১), সঞ্জীব দে ওরফে তিতাস (২৮) এবং সোহেল খান (২০)।

র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন জানান, চক্রের সদস্যরা ভার্চ্যুয়াল জগতে বা ইন্টারনেটে অ্যাকাউন্ট করে ভার্চ্যুয়াল মুদ্রা ক্রয়-বিক্রয় করেন। তাঁরা মোবাইল ব্যাংকিং বা ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফারের মাধ্যমে বাংলাদেশি বেশ কিছু অসাধু ডোমেইন হোল্ডার চক্রের সঙ্গে অর্থ লেনদেন করেন। তাঁরা ভার্চ্যুয়াল জগতে অবৈধ ডার্ক পর্নো সাইট থেকে পর্নোগ্রাফি ক্রয় করেন।

পর্নোগ্রাফিগুলো অর্থের বিনিময়ে ছড়িয়ে দেন। তাঁরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্নভাবে ভার্চ্যুয়াল মুদ্রা অত্যন্ত লাভজনক বলে প্রচারণা চালান।
খন্দকার আল মঈন আরও বলেন, প্রচারণার মাধ্যমে তাঁরা পুরুষ ও নারীদের অবৈধ লেনদেনে প্রলুব্ধ করে থাকেন। আগ্রহী ব্যক্তিদের তাঁরা অর্থের বিনিময়ে ক্রিপ্টোকারেন্সি প্রশিক্ষণ দিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেন। এ ছাড়া তাঁরা বেশ কয়েকজন আগ্রহী ব্যক্তিকে প্রলুব্ধ করেছেন।

চক্রের সদস্যরা তাঁদের কাছ থেকে নেওয়া কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছেন। তাঁরা প্রতি মাসে প্রায় দেড় কোটি টাকা লেনদেন করেন বলে জানা যায়। এই চক্রের মূল হোতা হামিম প্রিন্স খান এবং অন্যরা তাঁর সহযোগী।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026