1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ১১:০১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ইনস্টাগ্রাম নিয়ে ইলন মাস্কের মন্তব্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্ক মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে একই দিনে ২৭ মে পাকিস্তানে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে কঙ্গো ও উগান্ডায় ইবোলার প্রাদুর্ভাব: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আন্তর্জাতিক জরুরি অবস্থা জারি আইনি জটিলতায় আবারও শঙ্কার মুখে অনুদানের সিনেমা ‘বনলতা সেন’ মধ্যপ্রাচ্যে ড্রোন হামলার জেরে বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও শেয়ারবাজারে বড় দরপতন ভাঙ্গায় এক্সপ্রেসওয়েতে ট্রাক-পিকআপ সংঘর্ষে চালক ও সহকারী নিহত যুক্তবিরতি আলোচনা থমকে যাওয়ার মুখে ইরানকে চরম হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের জেদ্দা-রিয়াদ মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই বাংলাদেশি প্রবাসী নিহত ২০২৬ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে আজ চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করতে পারে ব্রাজিল, দলে ফিরছেন নেইমার চলতি বছর হজ পালনে সৌদি আরব পৌঁছেছেন ৬২ হাজারের বেশি বাংলাদেশি

মাসে দেড় কোটি টাকা লেনদেন করত বিটকয়েন চক্র: র‍্যাব

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ২১ জুন, ২০২১
  • ৩২০ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানী ঢাকার দারুস সালাম এলাকা থেকে বিটকয়েন ক্রয়-বিক্রয় চক্রের অন্যতম হোতা হামিমসহ চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে বলে জানিয়েছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। চক্রের সদস্যরা আগ্রহী ব্যক্তিদের কাছ থেকে নেওয়া কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছেন। তাঁরা প্রতি মাসে প্রায় দেড় কোটি টাকা লেনদেন করেন বলে জানিয়েছে র‍্যাব।

আজ রোববার ভোরে র‍্যাব-৪–এর একটি দল দারুস সালাম থানার মাজার রোড এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করে। তাঁদের কাছ থেকে দুটি ল্যাপটপ ও দুটি ডেবিট কার্ড উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন হামিম প্রিন্স খান (৩২), রাহুল সরকার (২১), সঞ্জীব দে ওরফে তিতাস (২৮) এবং সোহেল খান (২০)।

র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন জানান, চক্রের সদস্যরা ভার্চ্যুয়াল জগতে বা ইন্টারনেটে অ্যাকাউন্ট করে ভার্চ্যুয়াল মুদ্রা ক্রয়-বিক্রয় করেন। তাঁরা মোবাইল ব্যাংকিং বা ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফারের মাধ্যমে বাংলাদেশি বেশ কিছু অসাধু ডোমেইন হোল্ডার চক্রের সঙ্গে অর্থ লেনদেন করেন। তাঁরা ভার্চ্যুয়াল জগতে অবৈধ ডার্ক পর্নো সাইট থেকে পর্নোগ্রাফি ক্রয় করেন।

পর্নোগ্রাফিগুলো অর্থের বিনিময়ে ছড়িয়ে দেন। তাঁরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্নভাবে ভার্চ্যুয়াল মুদ্রা অত্যন্ত লাভজনক বলে প্রচারণা চালান।
খন্দকার আল মঈন আরও বলেন, প্রচারণার মাধ্যমে তাঁরা পুরুষ ও নারীদের অবৈধ লেনদেনে প্রলুব্ধ করে থাকেন। আগ্রহী ব্যক্তিদের তাঁরা অর্থের বিনিময়ে ক্রিপ্টোকারেন্সি প্রশিক্ষণ দিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেন। এ ছাড়া তাঁরা বেশ কয়েকজন আগ্রহী ব্যক্তিকে প্রলুব্ধ করেছেন।

চক্রের সদস্যরা তাঁদের কাছ থেকে নেওয়া কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছেন। তাঁরা প্রতি মাসে প্রায় দেড় কোটি টাকা লেনদেন করেন বলে জানা যায়। এই চক্রের মূল হোতা হামিম প্রিন্স খান এবং অন্যরা তাঁর সহযোগী।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026