অভিযান চালিয়ে একশ’ত কোটি ডলার জব্দের ঘটনায় অর্থ পাচার মামলার তদন্তের জন্য ১০টিরও বেশি ব্যাংকের কাছে তথ্য চেয়েছে সিঙ্গাপুর কর্তৃপক্ষ। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা গতকাল বুধবার আদালতকে জানিয়েছে, অভিযানে আটক দশ ব্যক্তি
রাষ্ট্রমালিকানাধীন জনতা ব্যাংক একসময় দেশের ভালো ব্যাংক হিসেবে পরিচিত ছিল। উদ্যোক্তাদেরও অর্থায়নের প্রধান উৎস ছিল ব্যাংকটি। জনতা ব্যাংকের অর্থায়নে সফল উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন দেশের অনেক শিল্পোদ্যোক্তা। সেই ব্যাংকটি এখন
অনলাইন ট্রেডিংয়ের নামে দুবাইভিত্তিক এমএলএম কোম্পানি মেটাভার্স ফরেন এক্সচেঞ্জে (এমটিএফই) বিনিয়োগ করে সর্বস্বান্ত হয়েছেন দেশের লাখো মানুষ। প্রতারণা করে বাংলাদেশিদের হাজার হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া এই কোম্পানির ৪০০ সিইওর
দেশের অর্থনীতির সর্বনাশ হচ্ছে ক্রিপটোকারেন্সির অবৈধ লেনদেনে। দেশে ক্রিপটোকারেন্সির কোনো বৈধতা না থাকলেও ১০ রকমের ক্রিপটোকারেন্সির মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে বিদেশে পাচার হচ্ছে হাজার হাজার কোটি টাকা। ‘ডার্ক ওয়েবে’ থাকা এই
২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি। দিনটি ছিল শুক্রবার, সাপ্তাহিক ছুটির দিন। বাংলাদেশ ব্যাংক বন্ধ হলেও অল্প কয়েকজন কিছু সময়ের জন্য আসেন। এ রকমই একজন জুবায়ের বিন হুদা। এসে দেখলেন প্রিন্টার কাজ
আয়কর আইনে পরিবর্তন আনায় কর দিবসের (৩০ নভেম্বর) পর রিটার্ন জমা দিলে করদাতাদের ওপর জরিমানা-করের খড়্গ নামবে। বিলম্ব সুদ, জরিমানার পাশাপাশি কর নির্ধারণের হিসাব-নিকাশ পালটে যাবে। এতে ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের
সিঙ্গাপুরকে এশিয়ার ‘বিজনেস ডিস্ট্রিক্ট’ বলা হয়। আবার কর ফাঁকির ‘অভয়ারণ্য’ বলে কুখ্যাতি আছে। পাচার করা টাকা লুকিয়ে রাখার জন্য সিঙ্গাপুর অনেকেরই পছন্দের জায়গা। সেই সিঙ্গাপুর অনেকের জন্যই রহস্যময় আচরণ করেছে
বাংলাদেশের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী এমএলএম ব্যবসা পরিচালনা এবং ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন অবৈধ এবং নিষিদ্ধ হলেও ক্রিপ্টোকারেন্সিতে বিনিয়োগের নামে প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার বা প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা নিয়ে বন্ধ হয়েছে
উচ্চ মূল্যস্ফীতি, আস্থাহীনতাসহ নানা কারণে মানুষের মধ্যে নগদ টাকা ধারণের প্রবণতা অতীতের যে কোনো সময়ের তুলনায় বেড়েছে। দৈনন্দিন কেনাকাটাসহ বিভিন্ন চাহিদা মেটাতে সাধারণভাবে মোট অর্থের ১০ থেকে ১২ শতাংশ মানুষের
দেশের ব্যাংক খাতে যে অস্থিরতা চলছে, তার জন্য মুষ্টিমেয় প্রভাবশালীরা দায়ী। ক্ষমতাচর্চার ফলে আইন ও নীতিকে পাশকাটিয়ে ব্যাংক খাতে চলছে লুটপাট। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ২০২২ সালভিত্তিক এক প্রতিবেদনে এমন চিত্র উঠে