ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের এজেন্টের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের বৈঠক নিয়ে তার রাজনৈতিক দল গণঅধিকার পরিষদে চলছে তোলপাড়। ওই বৈঠক শেষে নুর
আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে, দেশে-বিদেশে এমন প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে সরকার। বিশেষত, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের ভেতরে বিভিন্ন বক্তব্যে ধারাবাহিকভাবেই বলছেন- আগামী নির্বাচন সম্পূর্ণ সুষ্ঠু হবে, সরকার
বিগত দুটি জাতীয় নির্বাচনের চেয়ে আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনেকটাই ‘চ্যালেঞ্জিং’ হবে, এটি আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই নেতাকর্মীদের কাছে উল্লেখ করেছেন। আর এই চ্যালেঞ্জকে মাথায়
অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে প্রভাবশালী দেশগুলোর নানামুখী চাপে সংলাপের সম্ভাবনা তৈরি হবে বলে অনেকের প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘনিয়ে এলেও দেশের বড় দুই দল আওয়ামী লীগ
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘনিয়ে এলেও দেশের বড় দুই দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি এখনো বিপরীতমুখী অবস্থানে। নির্বাচনকালীন সরকার, দলগুলোকে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ছাড় না দেওয়া এবং কর্মসূচি পালনে
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা বিএনপি বিদেশিদের কাছে যায় না বলে দাবি করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ রোববার গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এই দাবি
এক দফা আন্দোলন নিয়ে আগামী জুলাই মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে রাজপথে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। গত শুক্রবার দলের স্থায়ী কমিটির এক ‘বিশেষ বৈঠকে’ এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে
রাজনীতি এখন আর রাজনীতিবিদদের হাতে নেই বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তাদের মতে রাজনীতি ক্রমশ চলে যাচ্ছে অন্যদের দখলে। বিশেষ করে সামজের নানা স্তরে আমলাতন্ত্র প্রবলভাবে জেঁকে বসায় অনেকটাই পিছু হটতে
অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাপ ‘সহায়ক শক্তি’ হলেও বিএনপির সামনে অগ্নিপরীক্ষা। মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ও নতুন ভিসা নীতি, বিদেশিদের বক্তব্য-বিবৃতিসহ নানা কৌশলে যতই ‘চাপ’ সৃষ্টি করুক না কেন–
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে কর্মপরিকল্পনা নিয়েছে আওয়ামী লীগ। মাঠের বিরোধী বিএনপি অংশ নেবে, এমনটা ধরেই নির্বাচনী রোডম্যাপ তৈরি করছে ক্ষমতাসীনরা। চলছে ইশতেহার প্রণয়নের কাজ। তৃণমূলে চলছে কেন্দ্রভিত্তিক কমিটি