উচ্চ মূল্যস্ফীতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, বৈশ্বিক সংকট, ডলার সংকট, ব্যবসা-বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে মন্দা, জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ নানামুখী চাপ সঙ্গে করে টানা তৃতীয় (১৫ বছর) মেয়াদের শেষ বাজেট ঘোষণা করতে যাচ্ছে সরকার।
রাজধানীর মেরাদিয়া এলাকায় প্রতি বুধবার হাট বসে। সেখানে ওই দিন আবাসিক এলাকার এভিনিউ রাস্তাসহ প্রায় সব রাস্তায়ই ২ হাজারের বেশি হকার বসেন। এসব হকার ছোট চৌকি ও নির্দিষ্ট ৪ থেকে
বাজেট ঘোষণার আগেই বাজারে তার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। আমদানি করা বেশ কিছু খাদ্যপণ্যের দাম এরই মধ্যে বেড়ে গেছে। এসব খাদ্যপণ্যের মধ্যে রয়েছে আমদানি করা কফি, কাজুবাদাম, ইশবগুলের ভুসি, বিভিন্ন
শুল্ক-কর আদায়ে মরিয়া জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। একদিকে সরকারের বাড়তি ব্যয়ে অর্থ জোগান দেওয়ার চাপ, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত পূরণ করার বাধ্যবাধকতা। সব মিলিয়ে আসন্ন বাজেটে করছাড়ের চেয়ে
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বাংলাদেশে অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তিতে (আইসিটি) আরও সুইডিশ বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশের আইসিটি ও অর্থনৈতিক অঞ্চলে সুইডেনের কাছ থেকে আরও বিনিয়োগ
Prime Minister Sheikh Hasina today called for more Swedish investment in Bangladesh’s economic zones and information communication technology (ICT). “We want more investment from Sweden in Bangladesh’s ICT and economic
জীবনযাত্রার ব্যয়ের বোঝা বাড়াবে আগামী বাজেট। বাচ্চার কলম, গৃহিণীর অ্যালুমিনিয়াম বা প্লাস্টিকের ঘটিবাটি, টয়লেট টিস্যু-ফেসিয়াল টিস্যু, নিজের বা পরিবারের জন্য নতুন মোবাইল ফোন কেনা-সব খাতেই খরচ বাড়বে। ঘুরতে বা চিকিৎসা
আগামী বাজেটে করহার ব্যাপকভাবে বাড়ানো হচ্ছে। নিত্যব্যবহার্য সামগ্রী যেমন: প্লাস্টিক ও অ্যালুমিনিয়ামের তৈজসপত্র, টয়লেট টিস্যু, কলম, মোবাইল ফোন উৎপাদনে ভ্যাট বাড়ানো হচ্ছে। এছাড়া ডলার সাশ্রয়ে এবং শুল্ক ফাঁকি রোধে কাজুবাদাম,
একাদশ জাতীয় সংসদের শেষ বাজেট অধিবেশন শুরু হচ্ছে আগামীকাল বুধবার থেকে। জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামীকাল বিকাল ৫টায় জাতীয় সংসদের স্পিকার
বিজ্ঞান ও আধুনিক প্রযুক্তির বিকাশের প্রয়োজনীয়তার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুসলিম উম্মাহকে হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে তাদের সন্তানদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষার ক্ষেত্রে আরও বেশি বিনিয়োগ