1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্টের সাইডলাইন বৈঠক ঢাকার সঙ্গে ইতিবাচক ও ভবিষ্যৎমুখী সম্পর্ক চায় দিল্লি: জয়সওয়াল বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক সম্পর্ক চায় ভারত: জয়সোয়াল একটি কিডনি নিয়েই জাতীয় দলে খেলেছেন বাংলাদেশের যে ক্রিকেটার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ ইসরায়েলের বিপক্ষে ফুটবল ম‍্যাচ বর্জনের আহ্বান আইরিশ অ‍্যাথলেটদের সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নওফেলের স্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা ‘লড়াই হেরে’ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় উডের বিশ্বমঞ্চে গণমানুষের অধিকার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের বার্তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী

একটি কিডনি নিয়েই জাতীয় দলে খেলেছেন বাংলাদেশের যে ক্রিকেটার

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১ বার দেখা হয়েছে

ক্যারিয়ারের পুরোটা সময়জুড়েই শুধু ক্রিকেট আর ক্রিকেট। বর্তমান প্রজন্মের কাছে ফাহিম মুনতাসির নামটা পরিচিত না হলেও বাংলাদেশ ক্রিকেটের অভিষেক টেস্টের সময়টা সবারই জানান। ২০০০ সালে সেই টেস্টের স্কোয়াডে ছিলেন তিনি। খ্যাতি ছিল অফ স্পিনার হিসেবে। এবার এই প্রজন্মের কাছেও সহজ হয়ে গেল ফাহিম মুনতাসিরের পরিচয়। তিনি অধিক পরিচিত ছিলেন সুমিত নামে।

তবে তাকে নিয়ে সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো- জন্ম থেকেই তিনি একটি কিডনি নিয়েই এখন পর্যন্ত বেঁচে আছেন। ক্রিকেটের মতো শারীরিক কসরতের খেলায় একটি কিডনির অভাব তিনি কখনো বুঝতেই পারেননি। এর চেয়ে অবাক করা বিষয় হলো- খেলোয়াড়ি জীবন থেকে অবসরে যাওয়ার ২১ বছর পর জানতে পারেন যে তার একটি কিডনি নেই।

১৯৯৮ সালের অনূর্ধ্ব–১৯ বিশ্বকাপে প্লেট চ্যাম্পিয়ন হওয়া বাংলাদেশ যুব দলের সদস্য ছিলেন, পরের বছর পেয়েছিলেন যুব দলের নেতৃত্বও। জাতীয় দলের জার্সিতে খেলেছেন সমান তিনটি করে টেস্ট ও ওয়ানডে। ২০০০ সালে বাংলাদেশের অভিষেক টেস্টের স্কোয়াডে থাকলেও ছিলেন না একাদশে। অভিষেক হয় ২০০২ সালের জানুয়ারিতে ঢাকায় পাকিস্তানের বিপক্ষে। তবে ওয়ানডে অভিষেকটা তার দুই মাস আগে। ২০০১ সালের নভেম্বরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চট্টগ্রামে। সবশেষ ওয়ানডে খেলেছেন ২০০২ সালের সেপ্টেম্বরে কলম্বোতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। আর সে বছরের জুলাইতে কলম্বোতেই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সবশেষ টেস্ট ম্যাচে মাঠে নামেন তিনি।

এই খেলোয়াড়ি জীবনে তিনি কখনোই কোনো সমস্যা অনুভব করেননি যে, তার শরীরে একটি কিডনির ঘাটতি রয়েছে। একেবারেই স্বচ্ছন্দে খেলে গেছে ঘরোয়া লিগ থেকে জাতীয় দলের সব কয়েকটি ম্যাচ।

ফাহিম নিজের এই ঘাটতির কথা প্রথম জানতে পারেন ২০২৩ সালে। সম্প্রতি দেশের এক সংবাদমাধ্যমে তাকে নিয়ে এক প্রতিবেদনে এমনটা তিনি নিজেই জানিয়েছেন। সে বছর ভারতের দিল্লিতে গিয়েছিলেন ফাহিম। তেমন কোনো সমস্যা না থাকলেও শারীরিক পরীক্ষার কাজেই মূলত গিয়েছিলেন। তখনই পেটের আলট্রা সাউন্ড পরীক্ষা করে ডাক্তার বুঝতে পারেন ফাহিমের একটি কিডনি নেই।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026