জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনু আন্দোলন দমনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত ও কৌশল নিয়ে আলোচনা হতো—এমন বৈঠকগুলোতে তিনি অংশ নিতেন। পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের জঙ্গি, সন্ত্রাসী, ষড়যন্ত্রকারী ও রাষ্ট্রের শত্রু হিসেবে চিত্রিত করে রাজনৈতিক বয়ান তৈরিতেও তিনি সক্রিয় ভূমিকা রাখতেন বলে তার বিরুদ্ধে দেওয়া আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে প্রকাশিত পূর্ণাঙ্গ রায়ে বলা হয়েছে।
রায়ে বলা হয়- সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ, র্যাব বা অন্য কোনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে না থাকলেও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সহিংস দমন-পীড়নমূলক অভিযানে রাজনৈতিক বৈধতা ও নৈতিক সমর্থন দিয়েছেন বলে উল্লেখ করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন দমনের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ইনুকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে দেওয়া রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপিতে এসব পর্যবেক্ষণ উঠে এসেছে। প্রায় ৫০০ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়টি সম্প্রতি প্রকাশ করা হয়েছে।