1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
‘মার, মার!’: আন্দোলনকারীকে মারধরের নির্দেশ দিয়েছিলেন শামীম ওসমান, ট্রাইব্যুনালে সাক্ষী বাংলাদেশ দলের সঙ্গে যোগ দিলেন হামজা ইউনানের সঙ্গে জ্বালানি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ বীরগঞ্জে নারী ফুটবল ঘিরে মাঠে হাজারো দর্শকের উপচে পড়া ভিড় জাতিসংঘে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন তারেক রহমান বিশ্বকাপ জয়ের পর দে লা ফুয়েন্তের সঙ্গে ২০৩২ পর্যন্ত চুক্তি স্পেনের ইবিতে ফুটবল খেলায় সংঘর্ষে তদন্ত কমিটি গঠন ছন্দময় ফুটবলের প্রতিশ্রুতি ডাচ কোচ শাভির ‘রোহিত-কোহলি ভারতীয় ক্রিকেটের কোহিনুর’ নতুন অস্ত্র দিয়ে বিশ্বকে চমকে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের

‘মার, মার!’: আন্দোলনকারীকে মারধরের নির্দেশ দিয়েছিলেন শামীম ওসমান, ট্রাইব্যুনালে সাক্ষী

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ০ বার দেখা হয়েছে

রাষ্ট্রপক্ষের এক সাক্ষী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-কে জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় নারায়ণগঞ্জে গুরুতর আহত এক আন্দোলনকারীকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে ছয়টি স্থানে বাধা দেওয়া হয়। পরে হাসপাতালের গেটে তৎকালীন সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের অনুসারীরা তাকে ভ্যান থেকে লাথি মেরে ফেলে দেন। এরপর তাকে হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

শামীম ওসমানসহ আরও ১১ জনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের সপ্তম সাক্ষী হিসেবে মাহমুদ হোসেন আজ সোমবার ট্রাইব্যুনালে এই সাক্ষ্য দেন।

তিনি সাক্ষ্য দেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট নারায়ণগঞ্জে একটি মিছিল থেকে বদিউজ্জামান নামে এক আন্দোলনকারীকে শামীম ওসমানের লোকজন তুলে নিয়ে যান। পরে শহরের শহীদ মিনারের কাছে তাকে লোহার রড, পাইপ ও গাছের ডাল দিয়ে মারধর করা হয়।

উল্লেখ্য, শামীম ওসমান, তার ছেলে অয়ন ওসমান এবং ভাতিজা আজমেরী ওসমানসহ মোট ১২ আসামির বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জে জুলাই আন্দোলনের সময় ১০ জনকে হত্যার অভিযোগে মামলা চলছে। তাদের অনুপস্থিতিতেই এই মামলার বিচারকাজ চলছে।

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি মাহমুদ হোসেন ট্রাইব্যুনালকে জানান, ঘটনাটি ঘটে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সকাল সাড়ে ১০টার দিকে। সেদিন মিশনপাড়া থেকে আন্দোলনকারীরা চাষাঢ়ার দিকে মিছিল নিয়ে যাচ্ছিলেন।

সাক্ষী জানান, গুরুতর আহত বদিউজ্জামানকে তারা ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু পথে ছয়টি স্থানে তাদের বাধার মুখে পড়তে হয়। প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা পর তারা হাসপাতালের গেটে পৌঁছান। সেখানে শামীম ওসমানের অনুসারী চুন্নু আহত বদিউজ্জামানকে ভ্যান থেকে লাথি মেরে ফেলে দেন।

এরপর আন্দোলনকারীদের ধাওয়া দিয়ে সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় বলে মাহমুদ জানান। পরে আরও লোকজন জড়ো করে তারা বিকেল সোয়া ৪টার দিকে আবার হাসপাতালে ফিরে যান এবং বদিউজ্জামানকে ভেতরে নেওয়ার ব্যবস্থা করেন। পরে একজন চিকিৎসক তাকে পরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি জানান, ঘটনাস্থলে শামীম ওসমানও উপস্থিত ছিলেন। তার দাবি, শামীম ওসমান সহযোগীদের উদ্দেশে ‘মার, মার!’ বলে বদিউজ্জামানকে মারধরের নির্দেশ দেন।

এরপর বদিউজ্জামানকে মারধরে অয়ন ওসমান, আজমেরী ওসমান, তানভীর মোহাম্মদ টিটু, সবুজ শিকদার, রিয়াদ, শুভ, চুন্নু ও আরও কয়েকজন অংশ নেন বলে জানান তিনি।

মাহমুদ জানান, বদিউজ্জামানকে উদ্ধার করতে গেলে তাকেও মারধর করা হয়। এতে তার মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে এবং কয়েকটি সেলাই দিতে হয়।

তিনি আরও জানান, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই চাষাঢ়া ও জালকুড়ি এলাকায় শামীম ওসমানের নেতৃত্বাধীন সশস্ত্র লোকজন আন্দোলকারীদের ওপর গুলি চালায়। ওই ঘটনায় আদিল ও ইয়াসিনসহ কয়েকজন নিহত হন বলে তিনি সাক্ষ্যে উল্লেখ করেন।

আরেক সাক্ষী বদিউজ্জামানের চাচাতো ভাই মোহাম্মদ স্বাধীন মিয়াও ৫ আগস্টের হামলার বিষয়ে একই ধরনের সাক্ষ্য দেন। তিনি জানান, হাসপাতালের গেটে চুন্নু ও সবুজ শিকদার বদিউজ্জামানকে ভ্যান থেকে লাথি মেরে ফেলে দেন।

এদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আরেক সাক্ষী মোশাররফ ব্যাপারী ট্রাইব্যুনালে জানান, ২০২৪ সালের ২১ জুলাই নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকায় তার ছেলে রাকিব গুলিতে নিহত হন। তিনি রাকিবকে খানপুর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026