1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
আগামী ১৫ দিনের মধ্যে দেশের বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতির প্রত্যাশা সরকারের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সংকটের জন্য অতীতের ভুল নীতি ও আমদানিনির্ভরতাকে দায়ী করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা আর্সেনাল ছেড়ে তিন বছরের চুক্তিতে বার্সেলোনায় যোগ দিলেন ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার গাব্রিয়েল জেসুস দশ বছরের রূপরেখায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত সাজানো হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী টেকসই উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতা আরও জোরদার করার তাগিদ স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী: জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বহুমুখী পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হচ্ছে প্রাথমিক স্তর থেকেই খেলাধুলা ও নৈতিক শিক্ষা চালুর তাগিদ শিক্ষামন্ত্রীর ইউক্রেন সংঘাতের অবসান ও শান্তি আলোচনা নিয়ে কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ত্রিনিদাদের কুইন্স পার্ক ওভালে তিন টি-টোয়েন্টি কিংবদন্তির নামে স্ট্যান্ডের নামকরণ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে হাসপাতালে গেছেন রাষ্ট্রপতি

জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী: জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বহুমুখী পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হচ্ছে

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৪ বার দেখা হয়েছে
বাংলাদেশ ডেস্ক
দীর্ঘদিনের অপর্যাপ্ত গ্যাস অনুসন্ধান এবং আমদানি নির্ভরতার ফলে সৃষ্ট বর্তমান জ্বালানি খাতভিত্তিক সংকট থেকে দেশকে মুক্ত করতে বর্তমান সরকার একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। জাতীয় সংসদ অধিবেশনের শুরুতে অনুষ্ঠিত নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানার (সংরক্ষিত মহিলা আসন-৩৫) এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই তথ্য জানান। স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের আজকের অধিবেশন শুরু হয় এবং সভার প্রথম ৩০ মিনিট প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বের জন্য নির্ধারিত ছিল।
জ্বালানি খাতের পূর্বের অবস্থা তুলে ধরে সরকারপ্রধান বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের ভুল নীতি ও অপরিকল্পিত ব্যবস্থাপনার কারণে জ্বালানি খাত মুখ থুবড়ে পড়েছিল। দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানে দীর্ঘসূত্রিতা এবং অতিরিক্ত আমদানি নির্ভরতার নীতি দেশের অর্থনীতিকে দুর্বল করে দিয়েছিল। এই ভঙ্গুর পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে বর্তমান প্রশাসন দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সুনির্দিষ্ট ও বাস্তবমুখী কর্মপন্থা নিয়ে কাজ শুরু করেছে।
দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন বৃদ্ধির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, সরকারের নেওয়া ১৫০টি কূপ খনন ও ওয়ার্কওভার কর্মসূচির আওতায় ইতোমধ্যে ৩০টি নতুন কূপের খননকাজ সফলভাবে শেষ হয়েছে। এর মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক প্রায় ১৪০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) গ্যাস সরবরাহ যুক্ত হয়েছে। বর্তমানে আরও ৭টি কূপের খননকাজ চলমান রয়েছে, যা সম্পন্ন হলে গ্রিডে অতিরিক্ত ৮৫ এমএমসিএফডি গ্যাস যুক্ত হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। অবশিষ্ট কূপগুলোর খননকাজ পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের জন্য নতুন প্রকল্প গ্রহণের প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।
নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানের উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, দেশের অব্যবহৃত ও সম্ভাবনাময় এলাকায় জ্বালানি অনুসন্ধানের লক্ষ্যে ৪ হাজার ৫০০ লাইন কিলোমিটার টু-ডি (2D) এবং ৪ হাজার ২০০ বর্গকিলোমিটার থ্রি-ডি (3D) সিসমিক সার্ভে পরিচালনার কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। জাতীয় জ্বালানি অনুসন্ধান ও উত্তোলনে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেডকে (বাপেক্স) আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে নতুন দুটি ড্রিলিং রিগ ক্রয়ের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এ ছাড়া, গভীর সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম বাড়াতে ‘অফশোর মডেল পিএসসি ২০২৬’ অনুমোদন সাপেক্ষে ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক বিড রাউন্ড আহ্বান করা হয়েছে এবং স্থলভাগে অনুসন্ধানের জন্য ‘অনشور মডেল পিএসসি’ অনুমোদনের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজির অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও আমদানির পরিসর বাড়ানোর পরিকল্পনা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী জানান, কক্সবাজার জেলার মহেশখালীর গভীর সমুদ্রে কুতুবজোমে একটি নতুন ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) স্থাপনের বিষয়ে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা ও দরকষাকষি চলমান রয়েছে। আগামী ২০২৮ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে এই টার্মিনাল থেকে জাতীয় গ্রিডে রিগ্যাসিফাইড এলএনজি সরবরাহ শুরু করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, আগামী দুই বছরের মধ্যে দেশের সার্বিক এলএনজি আমদানি পরিমাণ দৈনিক আরও ৬০০ এমএমসিএফডি বৃদ্ধি পাবে। এর পাশাপাশি দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে পায়রা অথবা মোংলা সমুদ্রবন্দর সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে নতুন এক বা দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের জন্য সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে। অফশোর ও অনশোর গ্যাস অনুসন্ধান এবং এই টার্মিনালগুলো পুরোপুরি চালু হলে দেশের শিল্পায়ন, বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং সার্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা দীর্ঘমেয়াদে সুরক্ষিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026