1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ক্রিকেটে ফের রাজনীতি: পাকিস্তানি মন্ত্রীর হাত থেকে ট্রফি নিল না ভারত বর্তমানে দেশজুড়ে বাকস্বাধীনতা অবারিত : সাইফুল হক | আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস কল্যাণমূলক রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠাই জনগণের প্রতি সরকারের অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী | আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যবসা সম্প্রসারণে সরকারের সহযোগিতা চায় বিজিবিএ আসিফ মাহমুদ / বিদেশে ১ পয়সা বিনিয়োগের প্রমাণ দিতে পারলে রাজনীতি ছেড়ে দেবো দালালের খপ্পরে না পড়ে বৈধ পথে বিদেশ যেতে হবে: ডিসি ঝালকাঠি জিন্নাহর ছবি ভেঙে তৈয়ব বললেন, ‘এটা শেখ মুজিব ও ভাসানীর বাংলাদেশ’ জামানত ছাড়াই তরুণ উদ্যোক্তারা পাচ্ছেন ২০ লাখ টাকা ভারতে পুরস্কার জিতল বাংলাদেশের দুই সিনেমা গবেষণা ও উদ্ভাবন ফান্ড গঠনের আহ্বান ড. তিতুমীরের | জাতীয়

সিলেটে হাম উপসর্গে আরও দুই শিশুর মৃত্যু, বিভাগে মোট আক্রান্ত ছাড়াল হাজার

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৩৭ বার দেখা হয়েছে
সিলেট — জেলা প্রতিনিধি
সিলেটে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এ নিয়ে চলতি বছর সিলেট বিভাগে হাম উপসর্গে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৫৪ জনে দাঁড়িয়েছে।
মারা যাওয়া শিশুরা হলো চার মাস বয়সী আয়ান এবং এক বছর বয়সী ইব্রাহিম। তারা যথাক্রমে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিভাগে ল্যাব-নিশ্চিত হাম আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০৩১ জনে। মৃত শিশুদের মধ্যে ১০ জনের শরীরে হাম নিশ্চিত করা গেলেও বাকিরা উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, বর্তমানে সিলেট অঞ্চলের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৩৯৯ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে কোনো ল্যাব-নিশ্চিত রোগী শনাক্ত না হলেও এই সময়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ১৫৪ জন নতুন সন্দেহভাজন রোগী ভর্তি হয়েছেন। সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা বলছেন, শীত ও বর্ষা পরিবর্তনের এই সময়ে শিশুদের মধ্যে হামের প্রকোপ এবং এর জটিলতা বাড়ে। বিশেষ করে যাদের টিকাদান কর্মসূচি নিয়মিত সম্পন্ন হয়নি, তাদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি সর্বাধিক থাকে।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা মূলত শিশুদের বেশি আক্রান্ত করে। সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় না হলে এবং নিউমোনিয়া কিংবা মারাত্মক শ্বাসকষ্টের মতো জটিলতা তৈরি হলে তা শিশুর মৃত্যুর কারণ হতে পারে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিভাগের প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও জেলা সদর হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাসেবা জোরদার করার পাশাপাশি সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, শিশুদের শরীরে হামের লক্ষণ যেমন—জ্বর ও লালচে ফুসকুড়ি দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে এবং নির্ধারিত বয়সে হামের টিকা নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া আক্রান্ত শিশুদের আলাদা রাখাসহ পুষ্টিকর খাবার ও পর্যাপ্ত তরল খাবার দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026