শেয়ার বাজার ডেস্ক
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত এসইএমএল আইবিবিএল শরিয়াহ ফান্ডকে মেয়াদি থেকে বে-মেয়াদি ফান্ডে রূপান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই রূপান্তর প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ফান্ডটির ইউনিটহোল্ডারদের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন নেওয়ার জন্য আগামী ২৭ অক্টোবর বিশেষ সাধারণ সভা (এসজিএম) আহ্বান করা হয়েছে। রোববার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
ফান্ডটির সম্পদ ব্যবস্থাপক প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) গত ৭ মে ২০২৬ তারিখের নির্দেশনা এবং ফান্ডটিকে স্বেচ্ছায় বে-মেয়াদি ফান্ডে রূপান্তরের প্রস্তাবের ওপর ভিত্তি করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি ও বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘমেয়াদী স্বার্থ রক্ষার কথা বিবেচনা করে এই রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ট্রাস্টি কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক আগামী ২৭ অক্টোবর সকাল ১১টায় ঢাকার মহাখালীতে অবস্থিত রাওয়া কনভেনশন হলের অ্যাঙ্কর হল-০২-এ এই বিশেষ সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ফান্ডটির রূপান্তর সংক্রান্ত এজেন্ডা উপস্থাপন করা হবে এবং উপস্থিত ইউনিটহোল্ডারদের ভোটের মাধ্যমে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এদিকে, বিশেষ সাধারণ সভায় অংশগ্রহণের জন্য যোগ্য ইউনিটহোল্ডার নির্ধারণে আগামী ৬ অক্টোবর রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে। রেকর্ড ডেট নির্ধারিত থাকায় ওই দিন থেকেই স্টক এক্সচেঞ্জে ফান্ডটির ইউনিটের লেনদেন সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে। সম্পদ ব্যবস্থাপক প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রেকর্ড ডেট থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত অথবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নতুন কোনো ঘোষণা না আসা পর্যন্ত স্টক এক্সচেঞ্জে এই মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন বন্ধ থাকবে।
অন্যদিকে, এসইএমএল আইবিবিএল শরিয়াহ ফান্ডকে মেয়াদি থেকে বে-মেয়াদি ফান্ডে রূপান্তরের কার্যকর তারিখ আগামী ৮ অক্টোবর ২০২৬ নির্ধারণ করা হয়েছে। ফান্ডটি বে-মেয়ডিতে রূপান্তরিত হলে এর ইউনিট কেনাবেচার নিয়মে পরিবর্তন আসবে। মেয়াদি ফান্ড হিসেবে এটি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত থেকে নির্ধারিত মূল্যে বা বাজার দরে লেনদেন হলেও, বে-মেয়াদি ফান্ডে রূপান্তরের পর বিনিয়োগকারীরা সম্পদ ব্যবস্থাপক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সরাসরি ইউনিট ক্রয় ও সমমূল্যে বা নির্ধারিত মূল্যে রি-পার্চেস বা ভাঙাতে পারবেন। বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই রূপান্তরের ফলে ফান্ডটির ব্যবস্থাপনায় গতিশীলতা আসবে এবং ইউনিটহোল্ডারদের বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনায় নতুন সুযোগ তৈরি হবে।