1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ১২:২৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন জনপ্রিয় উপস্থাপক ও অভিনেত্রী ইরানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞার ঘোষণায় এশিয়ার বাজারে তেলের দাম কমেছে লা লিগায় এলচেকে উড়িয়ে দিয়ে শিরোপা ধরে রাখার মিশন শুরু বার্সেলোনার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন: গাজায় ইসরায়েলি হামলায় শিশুসহ নিহত ২ শিক্ষার বিভিন্ন স্তরে জাতীয় পর্যায়ে পবিত্র কোরআন প্রতিযোগিতা আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছে সরকার এসিসির গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান হলেন তামিম ইকবাল গিনির রাজধানী কোনাক্রিতে বর্জ্যের পাহাড় ধসে অন্তত ৩০ জনের প্রাণহানি যুক্তরাজ্য-রাশিয়া সম্পর্কে নতুন উত্তেজনা: রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ভারতের মহারাষ্ট্রে সরকারি হাসপাতালের নবজাতক নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে অগ্নিকাণ্ডে তিন নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা রাজধানীতে ডিএমপির নিয়মিত অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে ৪৭০ জন গ্রেফতার

গিনির রাজধানী কোনাক্রিতে বর্জ্যের পাহাড় ধসে অন্তত ৩০ জনের প্রাণহানি

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৩ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গিনির রাজধানী কোনাক্রির দার-এস-সালাম এলাকায় পাহাড়সম আবর্জনার একটি স্তূপ ধসে পড়ার ঘটনায় অন্তত ৩০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এই দুর্ঘটনায় আরও ২২ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ছয়জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। স্থানীয় সময় সোমবার রাত দুইটার দিকে ভারী বর্ষণের ফলে এই মারাত্মক ভূমিধসের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার।

উদ্ধার ও সরকারি তৎপরতা
দুর্ঘটনার পর পরই গিনি সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়। সেনাবাহিনী ও জরুরি সেবা বিভাগের বিপুলসংখ্যক কর্মীকে ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়। উদ্ধারকাজে সহায়তা করার জন্য ভারী খননযন্ত্রসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি সেখানে নেওয়া হয়েছে। বর্জ্যের বিশাল স্তূপের নিচে আরও মানুষ চাপা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। গিনির প্রধানমন্ত্রী মামাদু উরি বাহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং উদ্ধার তৎপরতা সরাসরি তদারকি করেছেন।

দুর্যোগের পটভূমি ও পূর্ব ইতিহাস
কোনাক্রির সবচেয়ে বড় উন্মুক্ত বর্জ্য ফেলার স্থান বা ল্যান্ডফিল হিসেবে পরিচিত দার-এস-সালাম এলাকাটি ঘনবসতিপূর্ণ হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরেই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। ভারী বৃষ্টির কারণে পাহাড়সম বর্জ্য সিক্ত হয়ে হঠাৎ ধসে পড়লে আশপাশের ঘরবাড়ি ও অস্থায়ী বসতিগুলো মাটির নিচে চাপা পড়ে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ত্রুটি এবং অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফলে জনবহুল এলাকায় এ ধরনের ল্যান্ডফিলগুলো প্রতিনিয়ত বড় ধরনের স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ঝুঁকি তৈরি করে আসছে। এর আগে ২০১৭ সালেও একই এলাকায় বর্জ্যধসের অনুরূপ একটি বড় দুর্ঘটনায় বেশ কয়েকজন মানুষের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছিল।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার কাছাকাছি এ ধরনের অনিয়ন্ত্রিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রগুলো জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অতিবৃষ্টির সময় মারাত্মক জীবনঝুঁকি তৈরি করে। বর্তমান দুর্ঘটনাটি আফ্রিকার দেশগুলোতে নগর পরিকল্পনা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থার ভঙ্গুর অবস্থাকে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে। সরকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে পুনর্বাসন এবং আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার ঘোষণা দিয়েছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026