1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৩৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
রাজধানীতে গণতন্ত্র সুরক্ষায় ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্যের আহ্বান পানিসম্পদ মন্ত্রীর রাজধানীর মতিঝিল জোনে ডিএমপির বিশেষ অভিযানে ৬৭ জন গ্রেপ্তার শেরপুরে নারীসহ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক পুলিশ হেফাজতে মেটার নতুন এআই মডেল ‘মিউজ গ্লিমার’ উন্মোচন সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে বঙ্গোপসাগরে এলএনজি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় বিদ্যুৎ পরিস্থিতি আজ সন্ধ্যা থেকে উন্নতির আশা মানুষ ও হাতির দ্বন্দ্ব কমিয়ে সহাবস্থানে আনার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন পরিবেশ মন্ত্রী অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাদিয়া আয়মানের সরব উপস্থিতি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে রেললাইন থেকে দুই যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ মেজর লিগ সকারে পুনর্মিলনের অপেক্ষায় মেসি-সুয়ারেজ-নেইমার

মানুষ ও হাতির দ্বন্দ্ব কমিয়ে সহাবস্থানে আনার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন পরিবেশ মন্ত্রী

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬
  • ১ বার দেখা হয়েছে
পরিবেশ প্রতিবেদক
মানুষ ও হাতির দ্বন্দ্ব পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব না হলেও তা কমিয়ে সহাবস্থানে আনার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। তিনি বলেছেন, হাতি সংরক্ষণে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ সবচেয়ে বড় শক্তি। একই সঙ্গে হাতির কারণে ফসলের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার পাশাপাশি ফসলের বিমার বিষয়টিও বিবেচনা করা যেতে পারে।
বুধবার (১২ আগস্ট) আগারগাঁওয়ের বন অধিদপ্তরের হৈমন্তি মিলনায়তনে বিশ্ব হাতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘বিশ্ব জুড়ে ঐক্য গড়ি, হাতির জীবন রক্ষা করি’।
বনমন্ত্রী বলেন, হাতি সংরক্ষণ আমাদের জন্য জাতীয় কর্তব্য। মানুষ ও হাতির দ্বন্দ্ব একদম নিরসন করা সম্ভব না হলেও তা কমিয়ে একটি সহাবস্থানে আনা সম্ভব। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার পাশাপাশি ফসলের ক্ষতির ক্ষেত্রে বিমার সুযোগ চালুর বিষয়টি বন অধিদপ্তরকে খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ২০১৫ সালের জরিপ অনুযায়ী দেশে স্থায়ীভাবে বসবাসকারী বন্য হাতির সংখ্যা ২৬৮টি, পরিযায়ী বন্য হাতি ৯৩টি এবং পোষা হাতির সংখ্যা ৯৬টি। বন উজাড়, বনের মধ্য দিয়ে রাস্তা-রেললাইন ও বৈদ্যুতিক লাইন নির্মাণ, আবাসস্থল ধ্বংস, অবৈধ শিকার ও বন্যপ্রাণী অপরাধের কারণে হাতি বিপন্ন হচ্ছে। বাংলাদেশ এলিফ্যান্ট কনজারভেশন প্ল্যানে ৪০টি অগ্রাধিকার কার্যক্রম চিহ্নিত করা হয়েছে।
বন্যপ্রাণী দ্বারা আক্রান্ত জানমালের ক্ষতিপূরণ বিধিমালা-২০২১ অনুযায়ী নিহত ব্যক্তির পরিবারকে ৩ লাখ টাকা, আহত ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা এবং অন্যান্য ক্ষতির জন্য সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়া হচ্ছে। ২০১২ সাল থেকে জুন ২০২৬ পর্যন্ত হাতিসহ অন্যান্য বন্যপ্রাণীর আক্রমণে নিহত ৩২২ জনের পরিবার, আহত ১৬৯ জন এবং ক্ষতিগ্রস্ত ৩ হাজার ২১৫টি পরিবারকে মোট ১৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া হাতি অধ্যুষিত এলাকায় ১৬০টি এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিম (ইআরটি) কাজ করছে।
মন্ত্রী জানান, হাতি সংরক্ষণে স্থানীয় জনগণের সম্পৃক্ততা বাড়াতে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার মধুটিলা রেঞ্জে পরীক্ষামূলকভাবে ক্যামেরা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকার নিজস্ব অর্থায়নে ২০২৫ সালে হাতি প্রকল্প গ্রহণ করেছে, যার আকার আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। হাতির খাদ্য ও আবাসস্থল উন্নয়নে এ পর্যন্ত ৩ হাজার ২৪৮ হেক্টর বাগান সৃজন করা হয়েছে। আন্তঃসীমান্ত হাতি সংরক্ষণে বাংলাদেশ ও ভারত ২০২০ সালে একটি প্রটোকল স্বাক্ষর করেছে এবং পরবর্তী দ্বিপক্ষীয় সভা আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বন্যপ্রাণী অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইনে হাতি হত্যা, শিকার, পাচার ও অবৈধ ব্যবহারের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। পাশাপাশি পোষা বা ক্যাপটিভ হাতির কল্যাণ, নিরাপত্তা এবং স্বাভাবিক আচরণের বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়।
বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. মো. সাইমুম পারভেজ, সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল এবং পরিবেশ সচিব ড. ফাহমিদা খানম।
s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026