1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৫৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
চট্টগ্রাম বন্দরে বে টার্মিনাল নির্মাণে সিঙ্গাপুরের প্রস্তাব, দক্ষ জনশক্তি ও বিনিয়োগ বাড়াতে উদ্যোগ গণিত চর্চা ও অলিম্পিয়াডের প্রসারে সর্বাত্মক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রীর চাঁদাবাজির এক লাখ টাকা না পেয়ে অটোরিকশাচালককে গুলি বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ আখতার হোসেনের চুক্তি বাতিল এআইপ্রযুক্তিনির্ভর বিদেশি সাইবার হামলার মুখোমুখি তাইওয়ান, সরকারি সংস্থায় নিরাপত্তা জোরদার জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধির সৌজন্য সাক্ষাৎ: বিশ্বমিডিয়ায় দেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর এখনো চূড়ান্ত হয়নি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে আকাশপথে বৃদ্ধি পাচ্ছে ফ্লাইট সংখ্যা, সুযোগ তৈরি হচ্ছে নতুন কার্গো নেটওয়ার্কের চকরিয়ায় বাস-লেগুনা মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪, আহত ৫ নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় বিদেশি পিস্তল উদ্ধার

ঝিনাইদহে সাইবার ক্রাইম সেলের অভিযানে উদ্ধার হওয়া ১০৬টি মোবাইল ও অর্থ প্রকৃত মালিকদের হস্তান্তর

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৫ বার দেখা হয়েছে
অপরাধ ডেস্ক
ঝিনাইদহ জেলা পুলিশের ‘সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল’-এর বিশেষ অভিযানে উদ্ধার হওয়া ১০৬টি মোবাইল ফোন এবং প্রতারণামূলকভাবে হাতিয়ে নেওয়া ৬৭ হাজার ৪৫৭ টাকা প্রকৃত মালিকদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব মালামাল ও অর্থ প্রাপকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। জেলা পুলিশ সুপার মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মালিকদের হাতে মোবাইল ও অর্থ হস্তান্তর করেন।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১ জুলাই থেকে ৬ আগস্ট পর্যন্ত জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল ও সংশ্লিষ্ট থানাগুলোর যৌথ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত একাধিক ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে কালীগঞ্জ ও ঝিনাইদহ সদর থানার দুটি হত্যা মামলার তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পাশাপাশি কোটচাঁদপুর থানার ডাকাতি মামলার তিন ডাকাতকে গ্রেপ্তার করে লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার করা হয়। এছাড়া সদর থানার দস্যুতা মামলার ১০ জন আসামিকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি লুণ্ঠিত ইজিবাইক ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। একই সময়ে কালীগঞ্জ থানার দস্যুতা মামলার এক আসামি এবং সদর থানার দুটি অপহরণ মামলার দুই ভিকটিমকে উদ্ধারসহ দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।
অভিযান চলাকালে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রযুক্তিগত সহায়তার মাধ্যমে ১০৬টি হারানো বা চুরি হওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস)-এর মাধ্যমে ভুল নম্বরে চলে যাওয়া মোট ৬৭ হাজার ৪৫৭ টাকা উদ্ধার করে তা প্রকৃত মালিকদের অ্যাকাউন্টে বা হাতে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। বর্তমান সময়ে ডিজিটাল লেনদেনের পরিধি বৃদ্ধির ফলে ভুলবশত টাকা চলে যাওয়ার ঘটনা প্রায়ই ঘটে থাকে, যা নিরসনে পুলিশের এই উদ্যোগ সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বর্তমান সময়ের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপব্যবহার এবং সাইবার অপরাধ। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ, ইমো, টিকটক এবং স্ন্যাপচ্যাটের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো ব্যবহার করে সাইবার বুলিংয়ের শিকার হওয়া ২৮ জন ভিকটিমকে এই সময়ে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। এর বাইরে সাধারণ ডায়েরির (জিডি) ভিত্তিতে নিখোঁজ হওয়া দুই ভিকটিমকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। সাইবার বুলিংয়ের শিকার ব্যক্তিরা সাধারণত সামাজিক সম্মানহানির আশঙ্কায় মুখ খুলতে চান না, ফলে পুলিশের এই proactive ভূমিকা ভুক্তভোগীদের আইনি ও মানসিক সুরক্ষা প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
মালামাল ও অর্থ হস্তান্তর অনুষ্ঠানে জেলা পুলিশ সুপার মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছান তার বক্তব্যে বলেন, সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ এবং জনগণের ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও প্রযুক্তিনির্ভরতার সাথে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সাইবার বুলিং একটি গুরুতর সামাজিক ও আইনি অপরাধ, যা তরুণ সমাজ ও নারীদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। একটি নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ গঠনে নাগরিকদের সচেতন হওয়ার এবং অনলাইনে দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) শেখ বিল্লাল হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. মোসফেকুর রহমান এবং জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দ। ঝিনাইদহ জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাধারণ মানুষের সাইবার নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের বিশেষ অভিযান ও উদ্ধার কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026