1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০২:১৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
যুক্তরাজ্যে চিকিৎসাধীন চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন দেশে ফেরলেন নিবন্ধিত টিআইএনধারীদের প্রায় ৬২ শতাংশই রিটার্ন জমা দেননি দেশের বাজারে ফের বাড়ল সোনার দাম, ভরিতে বৃদ্ধি প্রায় ১০ হাজার টাকা গ্যাসের দাম বাড়ানো হলে সরকার টিকতে পারবে না: নাহিদ ইসলাম দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতির সামান্য উন্নতি; ২৪ ঘণ্টায় নতুন ভর্তি ৪৭১ জন সারাদেশে হাম সন্দেহে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ছয়জনের মৃত্যু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের মধ্য দিয়ে স্বপ্নপূরণ হলো রংপুরের গঙ্গাচড়ার ক্ষুদে সংগীতশিল্পী অনুশ্রী রায়ের ঝিনাইদহে সাইবার ক্রাইম সেলের অভিযানে উদ্ধার হওয়া ১০৬টি মোবাইল ও অর্থ প্রকৃত মালিকদের হস্তান্তর বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ক্রীড়াবিদদের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সম্পৃক্ত করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার: ভারতের আসামের পুরনো ভিডিওকে বাংলাদেশে হামলার ঘটনা বলে প্রচার

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার: ভারতের আসামের পুরনো ভিডিওকে বাংলাদেশে হামলার ঘটনা বলে প্রচার

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩ বার দেখা হয়েছে
অনলাইন ডেস্ক
সাম্প্রতিক সময়ে ভিনদেশি একটি ঘটনার ভিডিও বিকৃত করে বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর ওপর হামলার মিথ্যা দাবি প্রচারের একটি অপচেষ্টা শনাক্ত করেছে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) ফ্যাক্ট চেক ও মিডিয়া রিসার্চ টিম ‘বাংলাফ্যাক্ট’। ভারত থেকে পরিচালিত বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট ও পেজ থেকে এই অপতথ্য ছড়ানো হয় বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
বাংলাফ্যাক্টের অনুসন্ধানে জানা যায়, সম্প্রতি ইন্টারনেটে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে যেখানে দাবি করা হয় যে, বাংলাদেশে ইসলামপন্থীরা জমি দখলের উদ্দেশ্যে হিন্দুদের ওপর হামলা চালিয়েছে। তবে ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করতে গিয়ে ফ্যাক্টচেকিং টিমটি দেখতে পায় যে, দাবিকৃত ঘটনার সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো বাস্তব বা সাম্প্রতিক যোগসূত্র নেই। প্রকৃতপক্ষে ভিডিওটি ভারতের আসাম রাজ্যে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে দুপক্ষের মধ্যকার একটি সংঘর্ষের ঘটনার। আসামের সেই পুরনো ও ভিন্ন প্রেক্ষাপটের ভিডিওকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সংঘাত ও জমি দখলের ঘটনা হিসেবে চালিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকেই দেশ ও বিদেশ থেকে পরিচালিত বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট এবং কিছু ফেসবুক পেজের মাধ্যমে বাংলাদেশকে ঘিরে নানা ধরনের ভুয়া তথ্য ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ ছড়ানোর প্রবণতা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই ধরনের অপপ্রচারের মূল লক্ষ্য থাকে সামাজিক সম্প্রীতি বিনষ্ট করা এবং জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করা। বিশেষ করে বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠনকে লক্ষ্য করে পরিকল্পিতভাবে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। পাশাপাশি, সাম্প্রতিক নানা রাজনৈতিক ও সামাজিক ইস্যুতে দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোকে জড়িয়ে মিথ্যা তথ্য প্রচারের অপচেষ্টাও নিয়মিত শনাক্ত করছে ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠানগুলো।
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) অধীনস্থ ‘বাংলাফ্যাক্ট’ একটি বিশেষায়িত টিম, যা নিয়মিতভাবে ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য যাচাই করে প্রকৃত সত্য জনসমক্ষে তুলে ধরে। একইসঙ্গে মূল ধারার গণমাধ্যম ও সংবাদ নিয়ে গবেষণা পরিচালনা করে থাকে প্রতিষ্ঠানটি। ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া শত শত ভুল তথ্য, গুজব ও অপতথ্য সফলভাবে শনাক্ত করেছে এই টিম। বাংলাদেশে চলমান ডিজিটাল অপতথ্য ও ভুয়া খবর প্রতিরোধে এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সঠিক ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্য পৌঁছে দিতে বাংলাফ্যাক্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যাপক বিস্তারের যুগে যেকোনো ভিডিও বা তথ্য যাচাই না করে শেয়ার করা সমাজে মারাত্মক বিভেদ ও অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। এ ধরনের অপপ্রচার রোধে সাইবার অপরাধ মনিটরিং জোরদার করার পাশাপাশি সাধারণ নাগরিকদের মধ্যেও সচেতনতা বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি। তথ্য গ্রহণের ক্ষেত্রে মূল ধারার গণমাধ্যম এবং নির্ভরযোগ্য ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠানের সত্যতা যাচাইয়ের ওপর নির্ভর করার ওপর জোর দিচ্ছেন গণমাধ্যম বিশেষজ্ঞরা।
s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026