1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০১:১০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সামাজিক মাধ্যমে ঢালিউড অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চনের মৃত্যুর গুজব চট্টগ্রামের খুলশীতে প্রাইভেটকার চাপায় এক ব্যক্তি নিহত উত্তর-পূর্ব আলজেরিয়ায় ভয়াবহ দাবানলে ১২ জনের মৃত্যু ও ৫৪ জনের আহত হওয়ার ঘটনা চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে সীমান্তে ৬ জনকে পুশ-ইনের চেষ্টা প্রতিহত করল বিজিবি ফ্রান্সে অবকাশ যাপনে তাসনিয়া ফারিণ, প্যারিসের দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখছেন অভিনেত্রী নাটোরে পায়ুপথে বিশেষ কৌশলে হেরোইন বহনের সময় দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্ব ছাড়ছেন টিম কুক, নতুন দায়িত্বে জন টার্নাস রংপুরে একই পরিবারের চারজন হত্যার ঘটনায় আদালতে দেওয়া আসামিদের জবানবন্দি প্রকাশ সৌদি আরবের মক্কা প্রদেশে ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা, সর্বোচ্চ ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি হুলিয়ান আলভারেজকে দলে ভেড়াতে ১০০ মিলিয়নের প্রস্তাব বহাল রাখল বার্সেলোনা

ভূমি নিবন্ধন ব্যবস্থাপনা অটোমেশন প্রকল্পের পরিচালক পদে সিনিয়র জেলা জজ মোরশেদ ইমতিয়াজ নিযুক্ত

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬
  • ৩৬ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের ভূমি নিবন্ধন প্রক্রিয়াকে আধুনিক, স্বচ্ছ ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে গৃহীত ‘ভূমি নিবন্ধন ব্যবস্থাপনা অটোমেশন’ প্রকল্পের পরিচালক (পিডি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ মোরশেদ ইমতিয়াজ। তিনি আইন ও বিচার বিভাগে সংযুক্ত কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সরকারের ডিজিটাল রূপান্তর কর্মসূচির অংশ হিসেবে ৬৩২ কোটি ৬৯ লাখ ৩২ হাজার টাকা ব্যয়ে এই বৃহৎ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের পরিকল্পনা ইউনিট থেকে গত মঙ্গলবার জারি করা এক অফিস আদেশে এই নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। যুগ্মসচিব (পরিকল্পনা) মোহাম্মদ মেহেদী হাসান স্বাক্ষরিত এই আদেশের মাধ্যমে প্রকল্পটির আনুষ্ঠানিক প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হলো।

অফিস আদেশের তথ্য অনুযায়ী, প্রেষণে নিয়োগ পাওয়া প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ মোরশেদ ইমতিয়াজ এই প্রকল্পের সার্বিক পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন, তদারকি এবং অগ্রগতি মূল্যায়নের প্রধান দায়িত্ব পালন করবেন। ‘ভূমি নিবন্ধন ব্যবস্থাপনা অটোমেশন’ প্রকল্পটির বাস্তবায়নকাল নির্ধারণ করা হয়েছে ১ জুলাই ২০২৫ থেকে ৩০ জুন ২০৩০ পর্যন্ত। ৫ বছর মেয়াদি এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হচ্ছে সনাতন পদ্ধতির ভূমি নিবন্ধন ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ ডিজিটাল ও স্বয়ংক্রিয় কার্যক্রমে রূপান্তর করা, যাতে নাগরিক সেবা প্রাপ্তি আরও সহজ ও হয়রানিমুক্ত হয়।

আইন ও ভূমি মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রকল্পটি দেশের ভূমি ব্যবস্থাপনায় একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে। বর্তমান ব্যবস্থায় ভূমি নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা এবং নানাবিধ অনিয়মের যে অভিযোগ রয়েছে, অটোমেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তা অনেকাংশে কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে। প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে দলিল নিবন্ধন প্রক্রিয়া যেমন দ্রুত সম্পন্ন হবে, তেমনি তথ্য সংরক্ষণের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। এর ফলে সেবাগ্রহীতাদের সময়, যাতায়াত ও অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়ের ভোগান্তি কমে আসবে। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় তথ্যভাণ্ডারের সাথে সংযুক্তির কারণে ভূমির মালিকানা সংক্রান্ত জালিয়াতি, ভুয়া দলিল তৈরি এবং অন্যান্য অনিয়ম কঠোরভাবে প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পের সুষ্ঠু বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জারিকৃত এই অফিস আদেশের অনুলিপি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইতিমধ্যে সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, অর্থ বিভাগের সচিব এবং মহা-পরিদর্শক (নিবন্ধন) সহ সংশ্লিষ্ট সকল প্রশাসনিক বিভাগ রয়েছে। আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে প্রকল্পটির শতভাগ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করাই এখন প্রধান লক্ষ্য।

বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট খাতের ব্যক্তিদের মতে, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ভূমি সংক্রান্ত বিরোধ ও মামলা-মোকাদ্দমার সংখ্যা অনেক বেশি। এর একটি বড় কারণ হলো নিবন্ধন ব্যবস্থার আধুনিকায়নের অভাব ও তথ্যের অপ্রাপ্যতা। ভূমি নিবন্ধন ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ডিজিটাল হলে দেশের সাধারণ মানুষ সরাসরি উপকৃত হবে এবং ভূমি রাজস্ব আদায়ের প্রক্রিয়াও আরও সুবিন্যস্ত হবে। দীর্ঘমেয়াদে এই প্রকল্প সফল হলে সরকারি সেবা খাতে গতি, প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহি এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে, যা সামগ্রিক সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026