1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ০২:০২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
চলতি অর্থবছর থেকেই কার্যকর হচ্ছে সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে স্কেল ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার: মাহদী আমিন প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের আগে সহায়ক পরিবেশ ও প্রত্যর্পণ চুক্তির বাস্তবায়নের আহ্বান ঢাকার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা ইসির অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়, চার সেশন হাতে রেখে ৯ উইকেটে পরাজিত স্বাগতিকরা অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে জাতীয় দলকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন জাতীয় মৎস্যপক্ষ উদ্বোধন ও একাধিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে যোগ দিতে কিশোরগঞ্জে প্রধানমন্ত্রী অভিনেত্রী রিধির মরদেহ উদ্ধার: আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলায় প্রেমিক গ্রেপ্তার উপসাগরীয় ছয় দেশ ও যুদ্ধজাহাজ পরিদর্শন করলেন সেন্টকম প্রধান ব্র্যাড কুপার মেসির পেনাল্টি মিসের দিনে ন্যাশভিলের কাছে বড় ব্যবধানে হারল ইন্টার মায়ামি

ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার: মাহদী আমিন

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬
  • ০ বার দেখা হয়েছে
অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক
নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের অর্থনীতিকে সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড় করানো এবং ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের লক্ষ্য নিয়ে সরকার সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন। তিনি জানান, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহজীকরণের লক্ষ্যে ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস’ পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকরকরণ, দেশের সব সমুদ্র ও স্থলবন্দরে ২৪ ঘণ্টা কার্গো খালাস ও পরিবহন সার্ভিস চালুর সিদ্ধান্ত এবং অভ্যন্তরীণ শিল্প উৎপাদনকে গতিশীল রাখতে কাঁচামাল আমদানিতে প্রয়োজনীয় শুল্ক ছাড়ের সুবিধা দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে নিজ দপ্তরে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে দেশের চলমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট, বাণিজ্য নীতি, বৈদেশিক শ্রমবাজার এবং জ্বালানি খাতের টেকসই পরিকল্পনা তুলে ধরে এসব তথ্য জানান তিনি।
মুখপাত্র বলেন, সরকারের বর্তমান বৈদেশিক নীতির মূল ভিত্তি নির্ধারিত হয়েছে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতির আলোকে। জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে সমতা, ন্যায়বিচার ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে বিশ্বের সব রাষ্ট্রের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অংশীদারত্ব জোরদার করা হচ্ছে। বিশেষ করে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য সম্পর্ক সুসংহত করতে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং দ্বিপক্ষীয় অগ্রযাত্রায় একটি বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র হিসেবে ভারত পূর্ণ সহযোগিতা বজায় রাখবে বলে সরকার প্রত্যাশা করে।
বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধির প্রসঙ্গে মাহদী আমিন জানান, মালয়েশিয়ার সঙ্গে সরকারের নিবিড় ও ফলপ্রসূ কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে দীর্ঘদিনের বন্ধ থাকা শ্রমবাজার পুনরায় চালুর প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। সব প্রক্রিয়া যথাসময়ে সম্পন্ন হলে চলতি আগস্ট মাসের শেষ নাগাদ শ্রমবাজার সংক্রান্ত বিদ্যমান জটিলতার অবসান ঘটবে। শ্রমবাজারটি উন্মুক্ত হলে পরবর্তী চার মাসে অন্তত এক লাখেরও বেশি বাংলাদেশি কর্মীর জন্য মালয়েশিয়ায় কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার ও অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা রক্ষা প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর পবিত্র রমজান মাস ও দুটি ঈদে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং শিল্প খাতের শ্রমিকদের বকেয়া বেতন-বোনাস যথাসময়ে পরিশোধ নিশ্চিত করতে সরকার নানামুখী কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বাজার তদারকি জোরদার ও সরবরাহ ব্যবস্থা নিরবচ্ছিন্ন রাখার মাধ্যমে সাধারণ ভোক্তাদের স্বস্তি প্রদান সরকারের প্রাথমিক পর্যায়ের অন্যতম বড় অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র বলেন, বিগত দেড় দশকের নীতিগত দুর্বলতা ও অব্যবস্থাপনার কারণে তৈরি হওয়া দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি সংকট স্বল্প সময়ে শতভাগ সমাধান করা অত্যন্ত দুরূহ। তবে বর্তমান সরকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কৌশল গ্রহণ করেছে। আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার মাধ্যমে বিকল্প উৎস থেকে সাশ্রয়ী মূল্যে গ্যাস ও জ্বালানি আমদানির কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ‘ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল’, মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি সংস্থা ‘পেট্রোনাস’ এবং চীনা বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ব্যবসা পরিচালন ব্যয় হ্রাস, বন্দর ব্যবস্থাপনায় গতিশীলতা এবং বিকল্প উৎস থেকে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে স্থানীয় উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং রপ্তানি বাণিজ্য আরও শক্তিশালী রূপ ধারণ করবে। সরকার ঘোষিত এসব কাঠামোগত সংস্কারের দ্রুত বাস্তবায়ন দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সহায়ক হবে।
s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026