1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১১:২৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ব্যাংক রেজল্যুশন আইনের বিতর্কিত ১৮(ক) ধারা বাতিলের সিদ্ধান্ত সরকারের হিজবুল্লাহ নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত লেবানন ছাড়বে না ইসরায়েলি সেনা: প্রতিরক্ষামন্ত্রী ভেনেজুয়েলায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৭১৯, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি প্যারাগুয়েতে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করলেন প্রেসিডেন্ট সান্তিয়াগো পেনা ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের কড়া জবাব দিলেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি মানলে ইরানও প্রতিশ্রুতি পালন করবে: প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধ: হাসানুল হক ইনুর মামলার রায় আজ ডাও জোন্সে যুক্ত হলো অ্যালফাবেট, সূচকে বাড়ছে প্রযুক্তির আধিপত্য তীব্র তাপপ্রবাহের কবলে উত্তর আমেরিকা: বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে বড় চ্যালেঞ্জ টাইব্রেকার রোমাঞ্চে নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে মরক্কো

যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি মানলে ইরানও প্রতিশ্রুতি পালন করবে: প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬
  • ১১ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র যদি পরমাণু চুক্তি সংক্রান্ত তাদের প্রতিশ্রুতিগুলো পুরোপুরি বাস্তবায়ন করে, তবে ইরানও চুক্তির শর্ত অনুযায়ী নিজেদের প্রতিশ্রুতি পালন করবে বলে জানিয়েছেন ইরানের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। সোমবার এক বিবৃতিতে তিনি এই অবস্থান স্পষ্ট করেন। একই সঙ্গে তেহরানের ওপর কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত চাপ বা হুমকি সৃষ্টি করা হলে তার কড়া জবাব দেওয়া হবে বলেও তিনি মার্কিন প্রশাসনকে সতর্ক করেছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া একটি বার্তায় ইরানের প্রেসিডেন্ট পারস্পরিক বোঝাপড়ার ওপর জোর দিয়ে বলেন, দ্বিপাক্ষিক যেকোনো সমঝোতা একটি দ্বিমুখী প্রক্রিয়া। আমেরিকা যদি পূর্বে স্বাক্ষরিত চুক্তির শর্তসমূহ এবং নিজেদের প্রতিশ্রুতি মেনে চলে, তবে ইরানের পক্ষ থেকেও অনুরূপ ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তবে ওয়াশিংটনের নীতি নির্ধারকদের ইঙ্গিত করে তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে, কোনো প্রকার ভিত্তিহীন অভিযোগ কিংবা অযাচিত হুমকির কাছে ইরান নতি স্বীকার করবে না। এ ধরনের পরিস্থিতির উদ্ভব হলে তেহরান যুক্তি এবং কঠোর কূটনৈতিক অবস্থানের মাধ্যমে তার উপযুক্ত জবাব দেবে।

ইরানের প্রেসিডেন্ট যখন এই কড়া বার্তা দিলেন, ঠিক তখনই পরমাণু আলোচনা পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে একটি নতুন কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনার উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রের একটি উচ্চপদস্থ প্রতিনিধি দল ইতিমধ্যে কাতারের রাজধানী দোহায় পৌঁছেছে। একই উদ্দেশ্যে ইরানের একটি প্রতিনিধি দলও দোহার পথে রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা পরমাণু চুক্তি কার্যকর করার ক্ষেত্রে এই সফরকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতি ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন প্রতিনিধি দলের এই দোহা সফর ইঙ্গিত করে যে, বর্তমান বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ওয়াশিংটন ইরানের সাথে আলোচনা টিকিয়ে রাখতে এবং একটি টেকসই সমাধানে পৌঁছাতে আগ্রহী। তবে বর্তমান কূটনৈতিক বাস্তবতায় দোহায় দুই পক্ষের মধ্যে সরাসরি কোনো আনুষ্ঠানিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। অতীত অভিজ্ঞতার আলোকে জটিলতা এড়াতে এবারও দুই দেশ মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে তাদের পরোক্ষ আলোচনা (প্রক্সি টক) শুরু করবে। কাতার এই প্রক্রিয়ায় প্রধান মধ্যস্থতাকারী দেশ হিসেবে ভূমিকা পালন করছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, প্রকাশ্যে দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক কথার লড়াই অব্যাহত থাকলেও, পর্দার পেছনের এই আলোচনা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার এবং মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। যদি দোহা বৈঠক থেকে ইতিবাচক কোনো রূপরেখা তৈরি করা সম্ভব হয়, তবে তা ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের এককভাবে পরমাণু চুক্তি থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর তৈরি হওয়া দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থা নিরসনে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। তবে ওয়াশিংটন তেহরানের ওপর আরোপিত অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে কি না এবং ইরান তার ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) নিয়ম অনুযায়ী সীমিত করতে কতটুকু সম্মত হবে, তার ওপরই এই আলোচনার ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026