1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:০৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সিদ্ধিরগঞ্জে কাভার্ড ভ্যানের চাপায় অজ্ঞাতপরিচয় নারীর মৃত্যু চলতি অর্থবছর থেকেই কার্যকর হচ্ছে সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে স্কেল ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার: মাহদী আমিন প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের আগে সহায়ক পরিবেশ ও প্রত্যর্পণ চুক্তির বাস্তবায়নের আহ্বান ঢাকার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা ইসির অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়, চার সেশন হাতে রেখে ৯ উইকেটে পরাজিত স্বাগতিকরা অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে জাতীয় দলকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন জাতীয় মৎস্যপক্ষ উদ্বোধন ও একাধিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে যোগ দিতে কিশোরগঞ্জে প্রধানমন্ত্রী অভিনেত্রী রিধির মরদেহ উদ্ধার: আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলায় প্রেমিক গ্রেপ্তার উপসাগরীয় ছয় দেশ ও যুদ্ধজাহাজ পরিদর্শন করলেন সেন্টকম প্রধান ব্র্যাড কুপার

বাড্ডা গণহত্যা মামলা: কামরুল ও মেননের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু আজ

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬
  • ৫০ বার দেখা হয়েছে

আইন আদালত ডেস্ক

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কামরুল ইসলাম ও ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের বিরুদ্ধে আজ সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হচ্ছে। আজ মঙ্গলবার (২৩ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এই মামলার বিচারিক কার্যক্রমের দিন ধার্য রয়েছে। এর আগে গত ১৭ জুন এই কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা থাকলেও পরবর্তীতে ট্রাইব্যুনাল শুনানির জন্য আজকের দিনটি পুনর্নির্ধারণ করেন।

প্রসিকিউশন সূত্রে জানা গেছে, মামলার নির্ধারিত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আজ প্রথমে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে ওপেনিং স্টেটমেন্ট বা সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করা হবে। এরপর মামলার প্রথম সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব শুরু হবে। গত ৩০ এপ্রিল ট্রাইব্যুনাল আসামিদের বিরুদ্ধে আনা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়ে অভিযোগ গঠন (চার্জ ফ্রেম) করেন এবং বিচার শুরুর আদেশ দেন।

মামলার এজাহার ও প্রসিকিউশনের আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, বিগত শেখ হাসিনা সরকারকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখার উদ্দেশ্যে আসামিরা বিভিন্ন উসকানিমূলক বক্তব্য ও নির্দেশনা প্রদান করেছিলেন। তৎকালীন আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলীয় জোটের শীর্ষ পদে থেকে তারা নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে মারণাস্ত্র ব্যবহার এবং কারফিউ জারির মতো কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণে প্ররোচনা দেন।

তদন্ত প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, আসামিদের ধারাবাহিক ষড়যন্ত্র ও প্ররোচনার অংশ হিসেবেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও তৎকালীন দলীয় ক্যাডাররা আন্দোলনকারীদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালায়। এর ফলে রাজধানীর বাড্ডাসহ আশপাশের এলাকায় ২৩ জন সাধারণ নাগরিক নিহত হন এবং বহু মানুষ গুরুতর আহত হন। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই তাদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এনে ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করা হয়।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026