1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০১:২৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ফকিরাপুলে সড়ক দুর্ঘটনা: মোটরসাইকেল আরোহী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মৃত্যু জনআকাঙ্ক্ষা রক্ষায় নিষিদ্ধ দল বর্জনের আহ্বান সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রীর ডিএমপির অভিযানে আওয়ামী লীগের ২৬ নেতাকর্মী গ্রেফতার নাইক্ষ্যংছড়িতে এক লাখ পিস ইয়াবা জব্দ করেছে বিজিবি ভিসা ও কনস্যুলার ফি বিদেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজ করল বাংলাদেশ ব্যাংক যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সমঝোতা: অবমুক্ত হচ্ছে ১ হাজার ২০০ কোটি ডলার হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৬৩ হাজার হাজি, প্রাণহানি ৫৪ জনের পবিত্র আশুরায় তাজিয়া মিছিলে ডিএমপির নিরাপত্তা নিষেধাজ্ঞা জারি ষড়যন্ত্র রুখে দিতে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান রিজভীর সিদ্ধিরগঞ্জে ১৮ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার

বাড্ডা গণহত্যা মামলা: কামরুল ও মেননের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু আজ

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬
  • ১৮ বার দেখা হয়েছে

আইন আদালত ডেস্ক

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কামরুল ইসলাম ও ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের বিরুদ্ধে আজ সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হচ্ছে। আজ মঙ্গলবার (২৩ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এই মামলার বিচারিক কার্যক্রমের দিন ধার্য রয়েছে। এর আগে গত ১৭ জুন এই কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা থাকলেও পরবর্তীতে ট্রাইব্যুনাল শুনানির জন্য আজকের দিনটি পুনর্নির্ধারণ করেন।

প্রসিকিউশন সূত্রে জানা গেছে, মামলার নির্ধারিত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আজ প্রথমে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে ওপেনিং স্টেটমেন্ট বা সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করা হবে। এরপর মামলার প্রথম সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব শুরু হবে। গত ৩০ এপ্রিল ট্রাইব্যুনাল আসামিদের বিরুদ্ধে আনা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়ে অভিযোগ গঠন (চার্জ ফ্রেম) করেন এবং বিচার শুরুর আদেশ দেন।

মামলার এজাহার ও প্রসিকিউশনের আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, বিগত শেখ হাসিনা সরকারকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখার উদ্দেশ্যে আসামিরা বিভিন্ন উসকানিমূলক বক্তব্য ও নির্দেশনা প্রদান করেছিলেন। তৎকালীন আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলীয় জোটের শীর্ষ পদে থেকে তারা নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে মারণাস্ত্র ব্যবহার এবং কারফিউ জারির মতো কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণে প্ররোচনা দেন।

তদন্ত প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, আসামিদের ধারাবাহিক ষড়যন্ত্র ও প্ররোচনার অংশ হিসেবেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও তৎকালীন দলীয় ক্যাডাররা আন্দোলনকারীদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালায়। এর ফলে রাজধানীর বাড্ডাসহ আশপাশের এলাকায় ২৩ জন সাধারণ নাগরিক নিহত হন এবং বহু মানুষ গুরুতর আহত হন। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই তাদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এনে ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করা হয়।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026