1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৫২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রায় ৩.৬৫ লাখ মেট্রিক টন সার ও দুই কার্গো এলএনজি আমদানির অনুমোদন লর্ডস টেস্টের স্কোয়াড থেকে ব্রাইডন কার্স বাদ মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের ফোনালাপ ও তেহরান সফর রাজধানীর কলাবাগান থানায় নটর ডেম কলেজের সাবেক শিক্ষকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার খেলার মাঠের বাইরে ইউরোপীয় ফুটবলের করপোরেট লড়াই ও ব্র্যান্ড মূল্যের শীর্ষস্থান ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ জোরালো করার পাশাপাশি সামরিক বিকল্পও খোলা রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র বায়তুল মোকাররমে ১৫ দিনব্যাপী সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি পার্বত্য অঞ্চলের পর্যটন খাতের টেকসই উন্নয়নে পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো নির্মাণের নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর আসন্ন এশিয়ান গেমসে পদক জয়ের লক্ষ্য ও দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণের প্রস্তুতি পর্যালোচিত মার্কিন ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে পিপিপি মডেলে বিনিয়োগের আহ্বান

বন্ধ ও লোকসানি রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানা সচল করতে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬
  • ৪৯ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের বন্ধ ও লোকসানি রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানাগুলোকে বেসরকারি খাতের মাধ্যমে পুনরুজ্জীবিত করতে আগ্রহী দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সব ধরনের নীতিগত ও অবকাঠামোগত সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বেসরকারি খাতকে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তি হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বিনিয়োগকারীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

শনিবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শিল্প মন্ত্রণালয়, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক রোডশো অনুষ্ঠানে ব্যবসায়ী নেতাদের উদ্দেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এই আশ্বাস প্রদান করেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মোস্তাফা জুলফিকার হাসান জানান, সরকারের প্রধান লক্ষ্য হলো দীর্ঘদিন ধরে অকার্যকর হয়ে পড়ে থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনরায় উৎপাদনমুখী করা এবং এর মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। এই রোডশোর মূল উদ্দেশ্য ছিল বন্ধ ও লোকসানি কারখানাগুলো পুনরুজ্জীবনে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, একটি গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক সরকারের প্রধান দায়িত্ব হলো ব্যবসাবাণিজ্যের ক্ষেত্রে বিদ্যমান প্রশাসনিক ও কাঠামোগত প্রতিবন্ধকতা দূর করা এবং বিনিয়োগের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার পথ সুগম করা। তবে সব সমস্যা একা সরকারের পক্ষে সমাধান করা সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার ও বেসরকারি খাত যৌথভাবে কাজ করলে ধীরে ধীরে এবং পরিকল্পিত উপায়ে সব সমস্যার টেকসই সমাধান করা সম্ভব। তিনি বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলো অতিক্রম করে দেশের শিল্প খাতের আমূল পরিবর্তনে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী এক উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিনিয়োগের জন্য প্রস্তুত ৪৪টি রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানার বিস্তারিত তথ্য-উপাত্ত ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের সামনে উপস্থাপন করা হয়। উপস্থাপনায় কারখানাগুলোর ভৌগোলিক অবস্থান, বিদ্যমান অবকাঠামো, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংযোগের সুবিধা, সরকারের দেওয়া বিনিয়োগ প্রণোদনা, পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং ভবিষ্যৎ উৎপাদন সম্প্রসারণের সম্ভাবনার বিষয়গুলো বিশদভাবে তুলে ধরা হয়।

উপস্থাপনা শেষে দেশি-বিদেশি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন এবং কারখানাগুলোর দায়িত্ব গ্রহণ ও বিনিয়োগের আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে প্রায় ৫০টি প্রশ্ন উত্থাপন করেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, সচিব এবং বিডার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের এসব প্রশ্নের জবাব দেন এবং বিনিয়োগের প্রক্রিয়া সহজ করার আশ্বাস দেন।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানাগুলো ব্যক্তিমালিকানায় বা সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) আওতায় সচল করা গেলে সরকারের বিপুল পরিমাণ লোকসান কমবে। একই সঙ্গে অব্যবহৃত জমির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হবে এবং বিপুল সংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা সামগ্রিক জাতীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026