1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০৯:২২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে শিশুদের সর্বোত্তম চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার আহ্বান সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ৩১ হাজার ৯৮ কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দ পাস: আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের বিতর্ক ১১ শতাংশ মানুষ আর্সেনিক ঝুঁকিতে, সুরক্ষায় বসছে ১২ লাখ পানির উৎস বিটাকের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি দেশের দক্ষ জনশক্তির চাহিদা পূরণে সক্ষম: শিল্পমন্ত্রী অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতির অভিযোগও খতিয়ে দেখা হবে: তথ্য উপদেষ্টা বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য ভারসাম্য দীর্ঘমেয়াদে টেকসই করার তাগিদ মার্কিন রাষ্ট্রদূতের আগামীকাল ব্যাংক হলিডে: বন্ধ থাকবে ব্যাংক ও শেয়ারবাজারের লেনদেন ইরানের আইআরজিসি নৌবাহিনীর রাজনৈতিক উপপ্রধান মোহাম্মদ আকবারজাদেহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে পোস্টাল ব্যালট নিবন্ধন চালু হাছান মাহমুদ ও নওফেলসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গঠন, বিচার শুরু

কাঁচামরিচের কেজি ৩০০ টাকা!

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২০
  • ১৯৬ বার দেখা হয়েছে

সাজাহান সরকার, সাটুরিয়া (মানিকগঞ্জ) প্রতি

কাঁচামরিচের দাম ৩০০ টাকা কেজি! দাম শুনে চোখ কপালে তুলছেন ক্রেতারা। এতে রীতিমতো মরিচের বাজারে আগুন বলে রসিকতা করছেন তারা।

সোমবার সকালে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া সদরবাজার, গোপালপুর, দড়গ্রাম, ধানকোড়া, বালিয়াটি, জান্নাসহ বিভিন্ন হাটবাজার ঘুরে মরিচের এ চড়া দাম দেখা গেছে।

কাঁচাবাজারে গিয়ে দেখা গেছে, সব ব্যবসায়ীর দোকানে কাঁচামরিচ নেই। হাতেগোনা দুয়েকজন ব্যবসায়ীর কাছে থাকলেও পরিমাণে অল্প এবং বেশিরভাগ পাকা ও আংশিক পচা। তার পরও দাম ৩০০ টাকা কেজি।

কাঁচামরিচ কিনতে আসা ঘিওর গ্রামের আ. কুদ্দুস মেম্বার যুগান্তরকে জানান, এক কেজি দাম ৩০০ টাকা হলেও এক পোয়া (২৫০ গ্রাম) ৮০ টাকা দাম গুনতে হচ্ছে।

কাঁচামরিচ ব্যবসায়ীরা জানান, অতিবৃষ্টি ও বন্যার পানিতে অনেক মরিচগাছ তলিয়ে গেছে। তাই কাঁচামরিচের সংকট।

সরবরাহ কম থাকায় বেশি দামে কিনে চড়া দামে মরিচ বিক্রি করতে হচ্ছে। কৃষকের নতুন আবাদের কাঁচামরিচ বাজারে না আসা পর্যন্ত এ চড়া দাম অব্যাহত থাকবে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।

তা ছাড়া প্রতি বছর বর্ষার শেষ মৌসুমে এ সময় মরিচের দাম একটু বেশিই থাকে।

সাটুরিয়া বাসস্ট্যান্ডের সুরুচী হোটেল মালিক ব্যবসায়ী মিন্টু বসাক যুগান্তরকে বলেন, হোটেলের জন্য প্রতিদিন প্রায় এক কেজি মরিচ লাগে। কাঁচামরিচ কিনতে গিয়ে দেখি, দাম ৩০০ টাকা কেজি। তিন কেজি প্রয়োজন থাকলেও চড়া দামের কারণে কিনেছি এক কেজি।

সাটুরিয়া কাঁচাবাজারের ব্যবসায়ী কানু মিয়া জানান, মানিকগঞ্জের বরংগাইল আড়ত কাঁচামরিচের জন্য বিখ্যাত। সেখানেও চাহিদার তুলনায় মরিচ সংকট।

চড়া দামের কারণে ২০ কেজির থেকে মাত্র তিন কেজি কাঁচামরিচ আমদানি করেছেন তিনি। তাও মরিচের বেশিরভাগ পাকা। কেজি দরে দাম জেনে ক্রেতারা কিনছে ১০০-২০০ গ্রাম করে।

জানা গেছে, বিগত ঈদুল ফেতরে খুচরাবাজারে এক কেজি কাঁচামরিচের দাম ছিল ৫০-৭০ টাকা। গত সপ্তাহেও বিভিন্ন হাটে কাঁচামরিচ বিক্রি হয়েছে ৮০-১০০ টাকা কেজি দরে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে এ কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ২৬০-৩০০ টাকা কেজি দরে।

নিধি

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026