1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০১:০৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সুন্দরবন মধু আহরণ মৌসুম উদ্বোধন: বনজীবীদের জীবনমান উন্নয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশে বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী গুমের অভিযোগ সংবিধান সংশোধনের জন্য কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর জন্য সংসদে নির্দিষ্ট প্রশ্নোত্তর সময় বরাদ্দ ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ শোতে শীর্ষে, আন্তর্জাতিক মুক্তি ৫২ প্রেক্ষাগৃহে ‘প্রিন্স’ সিনেমার ঈদমুখী মুক্তি পরিকল্পনায় ব্যর্থতা পাংশা মডেল থানায় নারীর ওপর দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে মামলা সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন দাখিল ৭ মে সৌদি আরবে দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি বৃদ্ধি ও দক্ষতার স্বীকৃতি চায় বাংলাদেশ বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতিতে যেতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী

কাঁচামরিচের কেজি ৩০০ টাকা!

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২০
  • ১৭২ বার দেখা হয়েছে

সাজাহান সরকার, সাটুরিয়া (মানিকগঞ্জ) প্রতি

কাঁচামরিচের দাম ৩০০ টাকা কেজি! দাম শুনে চোখ কপালে তুলছেন ক্রেতারা। এতে রীতিমতো মরিচের বাজারে আগুন বলে রসিকতা করছেন তারা।

সোমবার সকালে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া সদরবাজার, গোপালপুর, দড়গ্রাম, ধানকোড়া, বালিয়াটি, জান্নাসহ বিভিন্ন হাটবাজার ঘুরে মরিচের এ চড়া দাম দেখা গেছে।

কাঁচাবাজারে গিয়ে দেখা গেছে, সব ব্যবসায়ীর দোকানে কাঁচামরিচ নেই। হাতেগোনা দুয়েকজন ব্যবসায়ীর কাছে থাকলেও পরিমাণে অল্প এবং বেশিরভাগ পাকা ও আংশিক পচা। তার পরও দাম ৩০০ টাকা কেজি।

কাঁচামরিচ কিনতে আসা ঘিওর গ্রামের আ. কুদ্দুস মেম্বার যুগান্তরকে জানান, এক কেজি দাম ৩০০ টাকা হলেও এক পোয়া (২৫০ গ্রাম) ৮০ টাকা দাম গুনতে হচ্ছে।

কাঁচামরিচ ব্যবসায়ীরা জানান, অতিবৃষ্টি ও বন্যার পানিতে অনেক মরিচগাছ তলিয়ে গেছে। তাই কাঁচামরিচের সংকট।

সরবরাহ কম থাকায় বেশি দামে কিনে চড়া দামে মরিচ বিক্রি করতে হচ্ছে। কৃষকের নতুন আবাদের কাঁচামরিচ বাজারে না আসা পর্যন্ত এ চড়া দাম অব্যাহত থাকবে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।

তা ছাড়া প্রতি বছর বর্ষার শেষ মৌসুমে এ সময় মরিচের দাম একটু বেশিই থাকে।

সাটুরিয়া বাসস্ট্যান্ডের সুরুচী হোটেল মালিক ব্যবসায়ী মিন্টু বসাক যুগান্তরকে বলেন, হোটেলের জন্য প্রতিদিন প্রায় এক কেজি মরিচ লাগে। কাঁচামরিচ কিনতে গিয়ে দেখি, দাম ৩০০ টাকা কেজি। তিন কেজি প্রয়োজন থাকলেও চড়া দামের কারণে কিনেছি এক কেজি।

সাটুরিয়া কাঁচাবাজারের ব্যবসায়ী কানু মিয়া জানান, মানিকগঞ্জের বরংগাইল আড়ত কাঁচামরিচের জন্য বিখ্যাত। সেখানেও চাহিদার তুলনায় মরিচ সংকট।

চড়া দামের কারণে ২০ কেজির থেকে মাত্র তিন কেজি কাঁচামরিচ আমদানি করেছেন তিনি। তাও মরিচের বেশিরভাগ পাকা। কেজি দরে দাম জেনে ক্রেতারা কিনছে ১০০-২০০ গ্রাম করে।

জানা গেছে, বিগত ঈদুল ফেতরে খুচরাবাজারে এক কেজি কাঁচামরিচের দাম ছিল ৫০-৭০ টাকা। গত সপ্তাহেও বিভিন্ন হাটে কাঁচামরিচ বিক্রি হয়েছে ৮০-১০০ টাকা কেজি দরে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে এ কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ২৬০-৩০০ টাকা কেজি দরে।

নিধি

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026