1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১১:২২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান তাইওয়ানে সামরিক প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত: দুই পাইলট নিহত তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১ হাজার কোটি টাকা মিরপুরে শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে বাবা-মায়ের সাক্ষ্যগ্রহণ বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে মো. রেজাউল করিমের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ নরওয়ের বিনিয়োগ ও বাংলাদেশি পণ্যের বাজার সম্প্রসারণের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এআই ট্রাফিক নজরদারি ফাঁকি দিতে নম্বরপ্লেট ঢাকা চালক গ্রেফতার, এক মাসের কারাদণ্ড এসএসসি পরীক্ষা এক মাস পেছানোর ইঙ্গিত শিক্ষামন্ত্রীর গোমাতার মর্যাদা সর্বজনীন, আলাদা ঘোষণার প্রয়োজন নেই: যোগী আদিত্যনাথ

চীনে দুই দশকে সিগারেটের ব্যবহার বেড়েছে ৩৯ শতাংশ, তামাক নিয়ন্ত্রণে বড় বাধা রাজস্ব

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২৬
  • ১ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিশ্বের বেশিরভাগ দেশে গত দুই দশকে ধূমপানের হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেলেও চীন বিপরীত চিত্র প্রদর্শন করছে। ২০০৩ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যবর্তী সময়ে দেশটিতে সিগারেটের ব্যবহার ৩৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে এই হার গড়ে ২৬ শতাংশ কমেছে। বর্তমানে চীনে প্রতি বছর প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার কোটি সিগারেট বিক্রি হচ্ছে, যা বৈশ্বিক মোট বিক্রির প্রায় অর্ধেক।

তামাক নিয়ন্ত্রণে চীনের এই ধীরগতির পেছনে অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে অর্থনৈতিক নির্ভরশীলতা এবং শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক প্রভাবকে চিহ্নিত করেছেন বিশেষজ্ঞরা। চীনের রাষ্ট্রীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সংস্থা এবং দেশটির বৃহত্তম সিগারেট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের নীতিনির্ধারণী ক্ষমতা অত্যন্ত প্রকট। তামাক খাত থেকে ২০২৫ সালে চীনের রাজস্ব ও মুনাফা এসেছে প্রায় ২৪৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা দেশটির মোট সরকারি আয়ের প্রায় ৭ শতাংশের সমান। বহু প্রদেশ ও স্থানীয় সরকার তামাক করের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল হওয়ায় ধূমপানবিরোধী নীতি বাস্তবায়নে স্থানীয় পর্যায়ে অনীহা দেখা যায়। ফলে দেশজুড়ে ভবনের ভেতরে (ইনডোর) ধূমপান নিষিদ্ধ করার সরকারি উদ্যোগও বারবার বাধার মুখে পড়ছে।

যদিও বিগত ২০১২ সালে চীনের তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট ও বর্তমান প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ধূমপানকে দেশের অন্যতম বড় সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করে এটি নিয়ন্ত্রণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তামাক নিয়ন্ত্রণ চুক্তিতে স্বাক্ষর করলেও চীন এর মূল বিধানগুলো পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে পারেনি। পশ্চিমা দেশগুলোর মতো সিগারেটের প্যাকেটে কঠোর সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবার্তার পরিবর্তে দেশটিতে তুলনামূলকভাবে দুর্বল ও অস্পষ্ট সতর্কবার্তা ব্যবহার করা হয়।

অবশ্য সাম্প্রতিক সময়ে দেশটির তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ধূমপানের প্রবণতা কিছুটা হ্রাসের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে তরুণ নারী ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাবশালী ব্যক্তিরা প্রকাশ্যে ধূমপানের বিরুদ্ধে জনমত গঠন করছেন এবং কঠোর নিয়মের পক্ষে সামাজিক সমর্থন বৃদ্ধি পাচ্ছে। চীন সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে ধূমপায়ীর হার বর্তমানের ২৩ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২০ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। তবে বর্তমানের শক্তিশালী তামাক অর্থনীতি এবং স্থানীয় প্রশাসনের শিথিলতার কারণে এই স্বাস্থ্যগত লক্ষ্য অর্জন করা অত্যন্ত কঠিন হবে বলে মনে করছেন দেশটির সরকারি স্বাস্থ্য কর্মকর্তারাই।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026