1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:২১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে অস্ত্র ও মাদকসহ গ্রেপ্তার ৫১১, মামলা ৪৯টি জুলাইয়ে ৪৪১ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪১৮, শীর্ষে মোটরসাইকেল ভানুয়াতুতে ৬ দশমিক ১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, জারি হয়নি সুনামি সতর্কতা সিদ্ধিরগঞ্জে কাভার্ড ভ্যানের চাপায় অজ্ঞাতপরিচয় নারীর মৃত্যু চলতি অর্থবছর থেকেই কার্যকর হচ্ছে সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে স্কেল ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার: মাহদী আমিন প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের আগে সহায়ক পরিবেশ ও প্রত্যর্পণ চুক্তির বাস্তবায়নের আহ্বান ঢাকার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা ইসির অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়, চার সেশন হাতে রেখে ৯ উইকেটে পরাজিত স্বাগতিকরা অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে জাতীয় দলকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

চীনে দুই দশকে সিগারেটের ব্যবহার বেড়েছে ৩৯ শতাংশ, তামাক নিয়ন্ত্রণে বড় বাধা রাজস্ব

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২৬
  • ২৫ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিশ্বের বেশিরভাগ দেশে গত দুই দশকে ধূমপানের হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেলেও চীন বিপরীত চিত্র প্রদর্শন করছে। ২০০৩ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যবর্তী সময়ে দেশটিতে সিগারেটের ব্যবহার ৩৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে এই হার গড়ে ২৬ শতাংশ কমেছে। বর্তমানে চীনে প্রতি বছর প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার কোটি সিগারেট বিক্রি হচ্ছে, যা বৈশ্বিক মোট বিক্রির প্রায় অর্ধেক।

তামাক নিয়ন্ত্রণে চীনের এই ধীরগতির পেছনে অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে অর্থনৈতিক নির্ভরশীলতা এবং শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক প্রভাবকে চিহ্নিত করেছেন বিশেষজ্ঞরা। চীনের রাষ্ট্রীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সংস্থা এবং দেশটির বৃহত্তম সিগারেট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের নীতিনির্ধারণী ক্ষমতা অত্যন্ত প্রকট। তামাক খাত থেকে ২০২৫ সালে চীনের রাজস্ব ও মুনাফা এসেছে প্রায় ২৪৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা দেশটির মোট সরকারি আয়ের প্রায় ৭ শতাংশের সমান। বহু প্রদেশ ও স্থানীয় সরকার তামাক করের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল হওয়ায় ধূমপানবিরোধী নীতি বাস্তবায়নে স্থানীয় পর্যায়ে অনীহা দেখা যায়। ফলে দেশজুড়ে ভবনের ভেতরে (ইনডোর) ধূমপান নিষিদ্ধ করার সরকারি উদ্যোগও বারবার বাধার মুখে পড়ছে।

যদিও বিগত ২০১২ সালে চীনের তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট ও বর্তমান প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ধূমপানকে দেশের অন্যতম বড় সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করে এটি নিয়ন্ত্রণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তামাক নিয়ন্ত্রণ চুক্তিতে স্বাক্ষর করলেও চীন এর মূল বিধানগুলো পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে পারেনি। পশ্চিমা দেশগুলোর মতো সিগারেটের প্যাকেটে কঠোর সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবার্তার পরিবর্তে দেশটিতে তুলনামূলকভাবে দুর্বল ও অস্পষ্ট সতর্কবার্তা ব্যবহার করা হয়।

অবশ্য সাম্প্রতিক সময়ে দেশটির তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ধূমপানের প্রবণতা কিছুটা হ্রাসের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে তরুণ নারী ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাবশালী ব্যক্তিরা প্রকাশ্যে ধূমপানের বিরুদ্ধে জনমত গঠন করছেন এবং কঠোর নিয়মের পক্ষে সামাজিক সমর্থন বৃদ্ধি পাচ্ছে। চীন সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে ধূমপায়ীর হার বর্তমানের ২৩ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২০ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। তবে বর্তমানের শক্তিশালী তামাক অর্থনীতি এবং স্থানীয় প্রশাসনের শিথিলতার কারণে এই স্বাস্থ্যগত লক্ষ্য অর্জন করা অত্যন্ত কঠিন হবে বলে মনে করছেন দেশটির সরকারি স্বাস্থ্য কর্মকর্তারাই।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026