1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৩২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে অস্ত্র ও মাদকসহ গ্রেপ্তার ৫১১, মামলা ৪৯টি জুলাইয়ে ৪৪১ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪১৮, শীর্ষে মোটরসাইকেল ভানুয়াতুতে ৬ দশমিক ১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, জারি হয়নি সুনামি সতর্কতা সিদ্ধিরগঞ্জে কাভার্ড ভ্যানের চাপায় অজ্ঞাতপরিচয় নারীর মৃত্যু চলতি অর্থবছর থেকেই কার্যকর হচ্ছে সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে স্কেল ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার: মাহদী আমিন প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের আগে সহায়ক পরিবেশ ও প্রত্যর্পণ চুক্তির বাস্তবায়নের আহ্বান ঢাকার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা ইসির অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়, চার সেশন হাতে রেখে ৯ উইকেটে পরাজিত স্বাগতিকরা অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে জাতীয় দলকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

ইরানের জলসীমায় মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি আইআরজিসির

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬
  • ৩৪ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইরানের জলসীমায় অনুপ্রবেশের অভিযোগে একটি মার্কিন মানববিহীন আকাশযান (ড্রোন) ভূপাতিত করার দাবি করেছে দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে সামরিক বাহিনীটি জানায়, দেশের আকাশ ও জলসীমার নিরাপত্তা রক্ষায় নিয়োজিত বিশেষ এই বাহিনী মার্কিন ড্রোনটিকে শনাক্ত করার পরপরই ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে তা ধ্বংস করে। তবে এই ঘটনার বিষয়ে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আইআরজিসির পক্ষ থেকে প্রচারিত এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ভূপাতিত করা ড্রোনটি ছিল মার্কিন সামরিক বাহিনীর অত্যন্ত আধুনিক ‘এমকিউ-১’ মডেলের একটি চালকবিহীন বিমান। ইরানের দাবি, ড্রোনটি দেশটির ভূখণ্ড ও জলসীমার পবিত্রতা লঙ্ঘন করে একটি বিশেষ ‘শত্রুতামূলক অভিযান’ পরিচালনার উদ্দেশ্যে অগ্রসর হচ্ছিল। কিন্তু ইরানের সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ড্রোনটির অবস্থান ও গতিপথ শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে আইআরজিসির নিজস্ব ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিট সক্রিয় হয়ে ড্রোনটিকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে এবং সফলভাবে ভূপাতিত করে।

বিবৃতিতে আইআরজিসির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা অত্যন্ত কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, ইরানের ভৌগোলিক সার্বভৌমত্ব, অখণ্ডতা এবং জাতীয় নিরাপত্তার বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের বাহ্যিক আগ্রাসন বা অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালানো হলে তার দাঁতভাঙা ও সিদ্ধান্তমূলক জবাব দেওয়া হবে। তবে ড্রোনটি ঠিক কোন এলাকায় আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে, ঘটনার সুনির্দিষ্ট সময়কাল কিংবা ভূপাতিত করার পর ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ ইরান উদ্ধার করতে পেরেছে কি না—এই সব গুরুত্বপূর্ণ টেকনিক্যাল বিষয়ে বিবৃতিতে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

আন্তর্জাতিক ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে চলমান তীব্র কূটনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই নতুন ঘটনা দুই দেশের মধ্যকার ভঙ্গুর সম্পর্ককে আরও বেশি জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলতে পারে। বিশেষ করে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চল এবং বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম প্রধান রুট হরমুজ প্রণালীর আশপাশে সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন ও মিত্র দেশগুলোর সামরিক তৎপরতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সাথে এই অঞ্চলে ইরানও তার আকাশ ও সমুদ্রপথে গোয়েন্দা নজরদারি এবং প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদার করেছে, যার ফলে এই ধরনের মুখোমুখি সংঘাতের আশঙ্কা অনেক বেড়ে গেছে।

উল্লেখ্য, এটিই প্রথম নয়; এর আগেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইরান একাধিকবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন বিদেশি ড্রোন তাদের আকাশসীমা বা জলসীমা লঙ্ঘনের দায়ে ভূপাতিত করার দাবি করেছে। তেহরান সর্বদা আন্তর্জাতিক মঞ্চে এটি স্পষ্ট করে আসছে যে, দেশের আঞ্চলিক সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তারা যেকোনো ধরনের অনুপ্রবেশ বা উসকানির বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা নীতি বা ‘জিরো টলারেন্স’ বজায় রাখবে। অন্যদিকে, ওয়াশিংটন অতীতে এই ধরণের কিছু ঘটনা অস্বীকার করেছে অথবা আন্তর্জাতিক জলসীমায় সাধারণ নজরদারি মিশন পরিচালনার কথা দাবি করেছে। এই ঘটনার পর মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও সম্ভাব্য সামরিক উত্তেজনা কোন দিকে মোড় নেয়, তা নিয়ে বিশ্ব কূটনীতিতে এখন গভীর পর্যবেক্ষণ চলছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026