1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৪২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে অস্ত্র ও মাদকসহ গ্রেপ্তার ৫১১, মামলা ৪৯টি জুলাইয়ে ৪৪১ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪১৮, শীর্ষে মোটরসাইকেল ভানুয়াতুতে ৬ দশমিক ১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, জারি হয়নি সুনামি সতর্কতা সিদ্ধিরগঞ্জে কাভার্ড ভ্যানের চাপায় অজ্ঞাতপরিচয় নারীর মৃত্যু চলতি অর্থবছর থেকেই কার্যকর হচ্ছে সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে স্কেল ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার: মাহদী আমিন প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের আগে সহায়ক পরিবেশ ও প্রত্যর্পণ চুক্তির বাস্তবায়নের আহ্বান ঢাকার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা ইসির অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়, চার সেশন হাতে রেখে ৯ উইকেটে পরাজিত স্বাগতিকরা অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে জাতীয় দলকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে আজই চুক্তি হতে পারে, আশাবাদী মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬
  • ২৭ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ অবসান এবং পারমাণবিক সংকট নিরসনে আজ সোমবারই (২৫ মে) একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে সফররত মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই তথ্য জানান। তবে তিনি একই সঙ্গে জোর দিয়ে বলেছেন, যেকোনো পরিস্থিতিতে ইসরাইলের নিজের আত্মরক্ষার পূর্ণ অধিকার বহাল থাকবে।

নয়াদিল্লিতে গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের মুখোমুখি হয়ে মার্কো রুবিও বলেন, গত রাতেই ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি চূড়ান্ত সমঝোতার খবর আসার কথা ছিল। সেটি আজ সোমবারও আসতে পারে। তবে এই আলোচনা ও চুক্তি নিয়ে অতিরিক্ত উৎকণ্ঠা বা তাড়াহুড়োর কোনো প্রয়োজন নেই। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বর্তমানে চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে অবস্থান করছেন এবং কোয়াড (Quad) পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক নানা বিষয়ে আলোচনা করছেন। নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাঁর উত্তর ভারতের ঐতিহাসিক আগ্রা শহরে যাওয়ার কথা রয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ জলসীমা নিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রণালীগুলো উন্মুক্ত করা এবং আন্তর্জাতিক নৌ চলাচল স্বাভাবিক করার বিষয়ে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে অত্যন্ত জোরালো ও সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এই প্রস্তাবের পক্ষে উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর ব্যাপক সমর্থন রয়েছে। তিনি জানান, যেসব আঞ্চলিক অংশীদারের সঙ্গে এই বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, তারা সবাই একমত পোষণ করেছে যে নৌ চলাচল স্বাভাবিক রাখা কেবল যৌক্তিকই নয়, বরং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক স্বার্থেই অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। একই সঙ্গে পারমাণবিক ইস্যুতে ইরান একটি বাস্তবসম্মত, গুরুত্বপূর্ণ এবং নির্দিষ্ট সময়সীমাভিত্তিক আলোচনায় অংশ নেবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

এর আগে গত রবিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তি নিয়ে নিজের প্রত্যাশা কিছুটা সীমিত করার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। ট্রাম্প মার্কিন অনানুষ্ঠানিক ও আনুষ্ঠানিক মধ্যস্থতাকারীদের তাড়াহুড়ো না করার নির্দেশ দিয়ে জানান, উপযুক্ত শর্ত ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র কোনো চুক্তি করবে না। প্রেসিডেন্টের এই অবস্থানকে সমর্থন করে রুবিও বলেন, মার্কিন প্রশাসন কোনো তাড়াহুড়োর মধ্যে নেই। দেশের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করে কোনো খারাপ চুক্তি বা দুর্বল সমঝোতায় ওয়াশিংটন স্বাক্ষর করবে না।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে ইরানি ভূখণ্ডে সামরিক অভিযান শুরু করলে এই অঞ্চলের পরিস্থিতি চরম উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ শুরু হয়। এর জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ব্যাপক পরিসরে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। পরবর্তীতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় গত ৮ এপ্রিল থেকে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে, যা বহাল রেখে চূড়ান্ত শান্তি চুক্তি বা সমঝোতা স্মারক (MOU) স্বাক্ষরের চেষ্টা চলছে।

চূড়ান্ত চুক্তির আলাপ-আলোচনার মধ্যেও ইসরাইলের নিরাপত্তার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, আঞ্চলিক শান্তি প্রতিষ্ঠিত হলেও ইসরাইলের আত্মরক্ষার অধিকার সবসময়ই স্বীকৃত ছিল এবং যুদ্ধবিরতি চলাকালেও তা বহাল থাকবে। লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ যদি ইসরাইলের ওপর নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় বা হামলার প্রস্তুতি নেয়, তবে ইসরাইলের পাল্টা জবাব দেওয়ার বা তা প্রতিহত করার পূর্ণ অধিকার থাকবে।

বর্তমানে এই শান্তি প্রক্রিয়ায় প্রধান মধ্যস্থতাকারী দেশ হিসেবে পাকিস্তান কাজ করছে। ওমান, কাতার ও সৌদি আরবের মতো আঞ্চলিক দেশগুলোও হরমুজ প্রণালী উন্মুক্ত করা এবং মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী স্থিতিশীলতা ফেরাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। তেহরানের পক্ষ থেকে অবশ্য সমস্ত অবরুদ্ধ সম্পদ অবমুক্ত করা এবং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের মতো বিষয়গুলোকে মূল শর্ত হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে, যা নিয়ে এখনো দুই পক্ষের মধ্যে দরকষাকষি চলছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026