1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ০১:৫২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী ঈদুল আজহার আগে সূচকের উত্থানে শেষ হলো পুঁজিবাজারের লেনদেন, কমেছে পরিমাণ মেহেরপুরে শিশু ধর্ষণের মামলায় যুবকের মৃত্যুদণ্ড, ২৯ কার্যদিবসে ঐতিহাসিক রায় রামিসা হত্যার বিচার ৫-৭ দিনের মধ্যেই সম্পন্ন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আত্মনির্ভরশীল শক্তির দিকে এগোচ্ছে বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী বগুড়াকে আধুনিক ও পরিকল্পিত নগরী হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সোমবার থেকে বিশেষ ট্রেন চালু ‘দৃশ্যম ৩’-এর রেকর্ড ওপেনিং, প্রথম দিনেই বিশ্বজুড়ে ৪৩ কোটি রুপি আয় কোরবানির চাহিদা মেটাতে দেশীয় গরুই যথেষ্ট: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী অনুমতিপত্র ছাড়া হজে প্রবেশের চেষ্টা ও প্রতারণার অভিযোগে মক্কায় আটক ১৩

ইরানের কৌশলগত বিজয় ও ওয়াশিংটন-তেল আবিবের সংকট দেখছেন ইসরায়েলি নিরাপত্তা বিশ্লেষক

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬
  • ৪ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সাম্প্রতিক সামরিক ও কূটনৈতিক সংঘাতে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান কৌশলগতভাবে বিজয়ী হয়েছে বলে দাবি করেছেন ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা পরিষদের সাবেক প্রধান গিওরা আইল্যান্ড। তাঁর মতে, চলমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল বর্তমানে অত্যন্ত কঠিন ও জটিল কৌশলগত সংকটের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি ইসরায়েলি গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সাবেক এই শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও পরাশক্তিগুলোর কৌশলগত অবস্থান বিশ্লেষণ করতে গিয়ে এমন মন্তব্য করেন।

গিওরা আইল্যান্ড জানান, চলমান সংঘাতে ইরানের নীতি ও কৌশলগত অবস্থান তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি সুসংহত ছিল। হয়তো খুব বড় ব্যবধানে নয়, কিন্তু সামগ্রিক সমীকরণে এটি তেহরানের জন্য একটি স্পষ্ট বিজয়। পুরো সংঘাত জুড়ে ইরানের নেতৃত্ব অত্যন্ত দৃঢ়তার পরিচয় দিয়েছে এবং তারা নিজেদের সামরিক ও কৌশলগত সক্ষমতা প্রদর্শন করতে সক্ষম হয়েছে। সাবেক এই নিরাপত্তা প্রধানের মূল্যায়ন অনুযায়ী, এই সংঘাতের পর তেহরান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্রদের সঙ্গে যেকোনো ধরনের কূটনৈতিক আলোচনায় আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী ও সুবিধাজনক অবস্থানে থেকে দরকষাকষি করতে পারবে।

ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা পরিষদের সাবেক এই প্রধান আরও উল্লেখ করেন যে, হোয়াইট হাউস বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য নীতি নিয়ে একটি স্পষ্ট কৌশলগত সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ওয়াশিংটনের বর্তমান কূটনৈতিক ও সামরিক তৎপরতা পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, তাদের মূল লক্ষ্য এখন যেকোনো উপায়ে এই অঞ্চলের সংঘাত থামানো। অথচ একসময় পশ্চিমাদের প্রধান লক্ষ্য ছিল ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে সম্পূর্ণভাবে স্তিমিত করা। বর্তমান পরিস্থিতিতে পারমাণবিক কর্মসূচি প্রতিরোধের চেয়ে সংঘাত নিয়ন্ত্রণকে অগ্রাধিকার দেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের এক ধরনের কৌশলগত পিছুটান হিসেবেই দেখছেন এই বিশ্লেষক।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, গিওরা আইল্যান্ডের এই মন্তব্য মধ্যপ্রাচ্যের পরিবর্তিত ভূরাজনৈতিক বাস্তবতারই বহিঃপ্রকাশ। দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা এবং ভূরাজনৈতিক চাপ সত্ত্বেও ইরান যেভাবে আঞ্চলিক প্রক্সি নেটওয়ার্ক এবং নিজস্ব সামরিক সক্ষমতা বজায় রেখেছে, তা পশ্চিমাদের হিসাব-নিকাশ অনেকটাই বদলে দিয়েছে। বিশেষ করে লোহিত সাগর, সিরিয়া, ইরাক এবং লেবানন কেন্দ্রিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক জ্বালানি করিডোর ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

এই পরিস্থিতিকে ইসরায়েল এবং তার প্রধান মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা ঝুঁকি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। গিওরা আইল্যান্ড মনে করেন, ওয়াশিংটন ও তেল আবিব যদি তাদের বর্তমান সামরিক ও কূটনৈতিক কৌশল পুনর্বিন্যাস করতে না পারে, তবে মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক ভূরাজনীতিতে ইরানের প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণ আরও বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। এই অঞ্চলের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা সমীকরণ এখন অনেকটাই নির্ভর করছে যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে এই কৌশলগত সংকট মোকাবিলা করে এবং ইরান তার নতুন ভূরাজনৈতিক অবস্থানকে কতটা কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে পারে তার ওপর।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026