1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ১৫ শতাংশ বাড়িভাড়ার নতুন হার কার্যকর স্বাধীনতার ৫৪ বছর: ফুটবলের আবেগের বাইরে বাংলাদেশ-লাতিন আমেরিকার কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের বিবর্তন সারাদেশে সোয়া ৭ কোটির বেশি নাগরিক পেলেন স্মার্টকার্ড নকল ও প্রশ্নপত্র ফাঁসমুক্ত পরিবেশে এইচএসসি পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি সম্পন্ন চলতি বছরের ফিরতি হজ ফ্লাইট সম্পন্ন, দেশে ফিরেছেন ৭৯ হাজার ১০০ হাজি সারাদেশে ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও একজনের মৃত্যু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশনে মেট্রোরেল চলাচল ৩ ঘণ্টা বন্ধ দেশে ক্যাশলেস লেনদেন সম্প্রসারণে বাধ্যতামূলকভাবে চালু হলো ‘বাংলা কিউআর’ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নিরাপত্তায় মোতায়েন হচ্ছে ৫ হাজার আনসার সদস্য অনলাইন জুয়া ও বেটিং রুখতে সংসদে নতুন আইন পাস, সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তিন দিনের বেইজিং সফর শুরু: আলোচনায় মধ্যপ্রাচ্য ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬
  • ৫৮ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান তীব্র উত্তেজনা এবং ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতার মধ্যেই তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে চীন পৌঁছেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় বুধবার (১৩ মে) সকালে তিনি বেইজিংয়ে অবতরণ করেন। আগামী ১৫ মে পর্যন্ত এই সফরে তিনি চীনের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বৈশ্বিক নিরাপত্তা এবং মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে মিলিত হবেন।

বর্তমান বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই সফরকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে ইরান ইস্যুতে যখন ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে এক ধরনের যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে এবং মার্কিন নৌ-অবরোধের কারণে অঞ্চলটি অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে, ঠিক সেই মুহূর্তে বেইজিং সফর আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে। এর আগে ধারণা করা হয়েছিল যে, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতা কিছুটা প্রশমিত না হওয়া পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বেইজিং সফরে যাবেন না। তবে সংঘাত চলমান থাকাবস্থায় এই সফর শুরু হওয়ায় দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্কের গুরুত্ব নতুন করে সামনে এসেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, চীন ও ইরানের মধ্যকার দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক এই সফরের অন্যতম প্রধান আলোচনার বিষয় হতে পারে। ইরান চীনের জ্বালানি তেলের একটি বড় উৎস এবং বেইজিং তেহরানের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক অংশীদার। ফলে ইরানের ওপর মার্কিন চাপ এবং সামরিক পদক্ষেপের বিষয়ে বেইজিংয়ের অবস্থান ওয়াশিংটনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মার্কিন প্রশাসন সম্ভবত এই সফরের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরাতে বা ইরানের ওপর চাপ বৃদ্ধিতে চীনের প্রচ্ছন্ন সহযোগিতা অথবা অন্তত নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে চাইছে।

পর্যবেক্ষক সংস্থা এশিয়া গ্রুপের চেয়ারম্যান এবং সাবেক মার্কিন কূটনৈতিক উপদেষ্টা কুর্ট কাম্পবেল এই সফর প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, একটি সংঘাতময় পরিস্থিতির মধ্যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের চীন সফর এবং বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো একটি বিশেষ কূটনৈতিক বার্তা বহন করে। তিনি উল্লেখ করেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যকার বর্তমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বেশ নাজুক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গেলেও উভয় দেশই বৃহত্তর স্বার্থে সম্পর্ক স্থিতিশীল রাখতে আগ্রহী। প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ট্রাম্পের এই বৈঠক দুই দেশের ভঙ্গুর বাণিজ্যিক সম্পর্ক মেরামত এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তা ইস্যুতে সমন্বিত অবস্থান তৈরির একটি সুযোগ হতে পারে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই সফরে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য শুল্ক এবং প্রযুক্তিগত আধিপত্য নিয়ে চলমান বিরোধগুলোও আলোচনার টেবিলে স্থান পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে দক্ষিণ চীন সাগর পরিস্থিতি এবং তাইওয়ান ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের টানাপোড়েন কমানোর চেষ্টা করা হতে পারে। তবে সব ছাপিয়ে ইরান কেন্দ্রিক সংকট নিরসনে চীন কী ভূমিকা পালন করে, সেটিই এখন বিশ্ব সম্প্রদায়ের মূল পর্যালোচনার বিষয়।

কূটনৈতিক মহলের ধারণা, এই সফরের মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কৌশলের কোনো পরিবর্তন আসবে কি না, তা বেইজিংয়ের সঙ্গে আলোচনার ফলাফলের ওপর নির্ভর করছে। ১৫ মে সফর শেষে ওয়াশিংটনের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্টের। সফর শেষে একটি যৌথ বিবৃতি আসার সম্ভাবনা রয়েছে, যা আগামী দিনগুলোতে এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল এবং মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে প্রভাব ফেলবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026