1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদ ডা. তাসনিম জারার, সংসদীয় তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি চিফ হুইপের ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবস: অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ের দাবি বিএনপির বিজয় দিবসে শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধনের লক্ষ্য: জুনে শুরু হচ্ছে ঋণের কিস্তি বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রেরণে উৎসাহ দিতে আসছে ‘প্রবাসী কার্ড’, দুই মাসের মধ্যে চালুর ঘোষণা ঈদুল আজহায় সাত দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা দেশের বাজারে সোনার দাম ভরিতে সর্বোচ্চ ২ হাজার ২১৬ টাকা কমাল বাজুস বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কৌশলগত জ্বালানি সহযোগিতা বিষয়ক সমঝোতা স্মারক সই গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও আন্তর্জাতিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত ঢাকা দক্ষিণ সিটিকে দেশের সেরা হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ডিএসসিসি প্রশাসকের

সরকারের জবাবদিহি ও তৃণমূলের সমন্বয় নিশ্চিত করতে বিএনপির বিশেষ মতবিনিময় সভা

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১০ মে, ২০২৬
  • ৩০ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাষ্ট্র পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে জাতীয় সংসদের পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মীদের কাছেও সরকারের মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের দায়বদ্ধ থাকার নতুন নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান। একই সঙ্গে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে জনপ্রতিনিধিদের নিবিড় সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। গতকাল শনিবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন (কেআইবি) মিলনায়তনে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত এক রুদ্ধদ্বার মতবিনিময় সভায় এসব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, জেলা ও মহানগর কমিটির শীর্ষ নেতারা এবং যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সভায় উপস্থিত নেতাদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বৈরাচারবিরোধী দীর্ঘ লড়াইয়ের একটি পর্যায় শেষ হয়েছে, এখন প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের নতুন যুদ্ধ শুরু হয়েছে। নির্বাচনের ইশতেহারে জনগণের কাছে দেওয়া অঙ্গীকারগুলো বাস্তবায়নে সরকারকে সর্বোচ্চ আন্তরিক হতে হবে। ৫২ শতাংশ ভোটারের জনসমর্থনপুষ্ট এই ইশতেহার এখন রাষ্ট্রীয় দলিলে পরিণত হয়েছে, যা সফল করার দায়িত্ব প্রশাসনের পাশাপাশি দলের প্রতিটি স্তরের নেতাকর্মীদের ওপরও বর্তায়।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, প্রতি তিন মাস অন্তর এ ধরনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠানের নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বিষয়টিকে একটি ‘মিনি সংসদ’ হিসেবে অভিহিত করছেন, যেখানে সরাসরি তৃণমূলের প্রশ্নের মুখোমুখি হবেন সরকারের মন্ত্রীরা। সভায় সরকারের ১০ জন মন্ত্রী তাদের গত ৮০ দিনের কাজের বিবরণ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। তৃণমূল নেতারা স্থানীয় সমস্যা, শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন, রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহার এবং জুলাই সনদের বাস্তবায়ন নিয়ে মন্ত্রীদের প্রশ্ন করেন। বিশেষ করে স্বাস্থ্যখাতের পুনর্গঠন ও শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়নে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপগুলোর বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা।

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে বিশেষ বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে উপজেলা ও পৌরসভা নির্বাচন হতে পারে উল্লেখ করে তিনি বলেন, অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও ব্যক্তিগত বিভেদ দূর করে দলকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। নির্বাচনে কাউকে বিশেষভাবে বিজয়ী করে আনার সুযোগ নেই; বরং কাজের মাধ্যমে জনগণের আস্থা অর্জন করেই জয়ী হতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি কড়া হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

দলের চেইন অব কমান্ড ও স্বচ্ছতা রক্ষায় গত ১৭ বছরের বঞ্চনা কাটিয়ে ওঠার প্রক্রিয়ায় নিয়ম মেনে চলার তাগিদ দেওয়া হয়েছে সভায়। টেন্ডার ও ঠিকাদারি কাজে অতীতের মতো কোনো প্রকার লুটপাট বা অনিয়ম সহ্য করা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়। টেন্ডার প্রক্রিয়ার জটিলতা নিরসন করে প্রতিটি নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী উদাহরণ টেনে বলেন, বিগত আমলের অনিয়ম ও অর্থ পাচারের পুনরাবৃত্তি কোনোভাবেই হতে দেওয়া যাবে না। জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকারের ইশতেহার ও উন্নয়ন কার্যক্রম সম্বলিত প্রচারপত্র বিতরণের জন্য থানা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী জানান, নির্বাচনী ইশতেহার ও সরকারের পরিকল্পনাগুলো তৃণমূলের কাছে পৌঁছে দেওয়াই ছিল এই সভার মূল লক্ষ্য। সভার মাধ্যমে যেমন সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত হবে, তেমনি মাঠ পর্যায়ের নেতাদের মতামতের ভিত্তিতে জনকল্যাণমুখী প্রকল্প গ্রহণ করাও সহজ হবে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রশাসনের কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত এ ধরনের জবাবদিহিমূলক সমন্বয় দেশের গণতান্ত্রিক চর্চায় একটি নতুন মাত্রা যোগ করবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026