1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৭:১৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদ ডা. তাসনিম জারার, সংসদীয় তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি চিফ হুইপের ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবস: অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ের দাবি বিএনপির বিজয় দিবসে শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধনের লক্ষ্য: জুনে শুরু হচ্ছে ঋণের কিস্তি বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রেরণে উৎসাহ দিতে আসছে ‘প্রবাসী কার্ড’, দুই মাসের মধ্যে চালুর ঘোষণা ঈদুল আজহায় সাত দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা দেশের বাজারে সোনার দাম ভরিতে সর্বোচ্চ ২ হাজার ২১৬ টাকা কমাল বাজুস বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কৌশলগত জ্বালানি সহযোগিতা বিষয়ক সমঝোতা স্মারক সই গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও আন্তর্জাতিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত ঢাকা দক্ষিণ সিটিকে দেশের সেরা হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ডিএসসিসি প্রশাসকের

বন্ধ রাষ্ট্রীয় পাটকল চালুর বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সাথে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ৪ মে, ২০২৬
  • ২৬ বার দেখা হয়েছে

বিশেষ প্রতিবেদক

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন বন্ধ ঘোষিত সরকারি পাটকল ও অন্যান্য শিল্প-কারখানা পুনরায় চালুর বিষয়ে উচ্চপর্যায়ের এক পর্যালোচনা বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (৪ মে) সকালে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে এই গুরুত্বপূর্ণ সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো দ্রুত উৎপাদনের ধারায় ফিরিয়ে আনার নানাবিধ কৌশল এবং বাস্তবায়নের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও শিল্পবিষয়ক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, বাণিজ্য এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম। এ ছাড়াও শিল্প খাতে বিনিয়োগ ও সংস্কার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুনসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা এতে অংশ নেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেশের শিল্প খাতকে গতিশীল করা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে বন্ধ হয়ে থাকা রাষ্ট্রীয় কারখানাগুলো পুনরায় সচল করা বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকার তালিকার শীর্ষে রয়েছে। বিশেষ করে একসময়ের ‘সোনালী আঁশ’ হিসেবে পরিচিত পাটের সোনালী গৌরব ফিরিয়ে আনতে সরকার দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকার ফলে নষ্ট হতে বসা এসব কারখানার যন্ত্রপাতি আধুনিকায়ন এবং দক্ষ জনবল নিয়োগের মাধ্যমে এগুলোকে কীভাবে লাভজনক করা যায়, সেটিই এই বৈঠকের মূল লক্ষ্য ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সম্প্রতি বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল যে, বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় দেশের ছয়টি বড় পাটকল আগামী ছয় মাসের মধ্যে পুনরায় চালু করার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতায় সোমবারের বৈঠকে বাকি কল-কারখানাগুলো পর্যায়ক্রমে সরকারি ব্যবস্থাপনায় চালু অথবা দীর্ঘমেয়াদী ইজারার মাধ্যমে পরিচালনার বিষয়ে নীতিগত আলোচনার সূত্রপাত ঘটে। মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এর আগে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বন্ধ পাটকলগুলো সচল করতে সরকারি দৃঢ় অবস্থানের কথা ব্যক্ত করেছিলেন।

রাষ্ট্রীয় এসব কল-কারখানা পুনরায় চালু হওয়া বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এর ফলে একদিকে যেমন বিপুল সংখ্যক শ্রমিকের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে, অন্যদিকে দেশের রপ্তানি আয়ে পাটজাত পণ্যের অবদান বাড়বে। বিশেষ করে পরিবেশবান্ধব পণ্য হিসেবে বিশ্ববাজারে পাটের ক্রমবর্ধমান চাহিদাকে কাজে লাগাতে পারলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। এ ছাড়াও কৃষকরা পাটের ন্যায্যমূল্য পাওয়ার ক্ষেত্রে অধিকতর নিশ্চয়তা পাবেন, যা গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে।

তবে এ দিনের রুদ্ধদ্বার বৈঠক শেষে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে তাৎক্ষণিকভাবে গণমাধ্যমকে জানানো হয়নি। মন্ত্রণালয় সূত্র ইঙ্গিত দিয়েছে যে, খসড়া পরিকল্পনাগুলো পর্যালোচনার পর শিগগিরই এই বিষয়ে বিস্তারিত প্রজ্ঞাপন বা নির্দেশনা জারি করা হতে পারে। বিনিয়োগকারী নির্বাচন এবং স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় ইজারা প্রদান বা সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে কারখানা পরিচালনার বিষয়গুলো এখন চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

সরকারের এই উচ্চপর্যায়ের তৎপরতা দেশের শিল্পাঞ্চলগুলোতে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানাগুলো আবার উৎপাদনমুখী হলে তা বাংলাদেশের টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সময়োপযোগী পদক্ষেপ এবং সঠিক তদারকি নিশ্চিত করা গেলে রাষ্ট্রীয় সম্পদগুলোর যথাযথ ব্যবহার দেশের সার্বিক জিডিপি অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026