1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০৯:১৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ১৫ শতাংশ বাড়িভাড়ার নতুন হার কার্যকর স্বাধীনতার ৫৪ বছর: ফুটবলের আবেগের বাইরে বাংলাদেশ-লাতিন আমেরিকার কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের বিবর্তন সারাদেশে সোয়া ৭ কোটির বেশি নাগরিক পেলেন স্মার্টকার্ড নকল ও প্রশ্নপত্র ফাঁসমুক্ত পরিবেশে এইচএসসি পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি সম্পন্ন চলতি বছরের ফিরতি হজ ফ্লাইট সম্পন্ন, দেশে ফিরেছেন ৭৯ হাজার ১০০ হাজি সারাদেশে ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও একজনের মৃত্যু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশনে মেট্রোরেল চলাচল ৩ ঘণ্টা বন্ধ দেশে ক্যাশলেস লেনদেন সম্প্রসারণে বাধ্যতামূলকভাবে চালু হলো ‘বাংলা কিউআর’ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নিরাপত্তায় মোতায়েন হচ্ছে ৫ হাজার আনসার সদস্য অনলাইন জুয়া ও বেটিং রুখতে সংসদে নতুন আইন পাস, সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড

গুম ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আবদুল্লাহিল আমান আযমীকে আসামিপক্ষের জেরা অব্যাহত

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৪৩ বার দেখা হয়েছে

আইন আদালত ডেস্ক

রাজধানীর কচুক্ষেত এলাকায় অবস্থিত জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টারে (জেআইসি) দীর্ঘকাল গুম ও অমানবিক নির্যাতনের মাধ্যমে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংগঠনের অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় দ্বিতীয় দিনের মতো জেরা করা হচ্ছে ভুক্তভোগী ও মামলার সাক্ষী অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহিল আমান আযমীকে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এই জেরা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার এজাহারভুক্ত আসামিদের পক্ষে আজ জেরা পরিচালনা করছেন আইনজীবী আমিনুল গণি টিটো। এর আগে সোমবার মামলার ৩ নম্বর সাক্ষী হিসেবে আবদুল্লাহিল আমান আযমীকে জেরা করেন গ্রেপ্তারকৃত তিন আসামির আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু। সোমবার দীর্ঘ সময় জেরা চলার পর আইনজীবী আমিনুল গণি টিটো অধিকতর প্রস্তুতির জন্য সময় প্রার্থনা করলে ট্রাইব্যুনাল কার্যক্রম মঙ্গলবার পর্যন্ত মুলতবি ঘোষণা করেন। উল্লেখ্য যে, এর আগেও ১৩ এপ্রিল ও ২৭ এপ্রিল দুই দফায় আযমীকে নিবিড় জেরা করা হয়।

এই চাঞ্চল্যকর মামলার বিচারে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট ১৩ জনকে আসামি করা হয়েছে। আসামিদের মধ্যে ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকী বর্তমানে গ্রেপ্তার হয়ে ঢাকার সেনানিবাসের বিশেষ সাব-জেলে আটক রয়েছেন। বাকি ১০ জন আসামি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

পলাতক আসামিদের তালিকায় বিভিন্ন মেয়াদে প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করা পাঁচজন উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তা রয়েছেন। তারা হলেন— লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ আকবর হোসেন, মেজর জেনারেল (অব.) সাইফুল আবেদিন, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. সাইফুল আলম, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আহমেদ তাবরেজ শামস চৌধুরী ও মেজর জেনারেল (অব.) হামিদুল হক। এ ছাড়া শেখ হাসিনার সাবেক প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিকসহ আরও চারজন সেনা কর্মকর্তাকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, আবদুল্লাহিল আমান আযমী গত ২ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তার আট বছরের দীর্ঘ গুমজীবনের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিয়ে জবানবন্দি সম্পন্ন করেন। তার সাক্ষ্যে গুম থাকা অবস্থায় জেআইসিতে অমানবিক নির্যাতন এবং মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের বিস্তারিত তথ্য উঠে আসে। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনাল-১ শেখ হাসিনাসহ অভিযুক্ত ১৩ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু করেন। এর আগে ৮ অক্টোবর প্রসিকিউশন কর্তৃক উত্থাপিত অভিযোগসমূহ আমলে নেয় আদালত।

আইনজীবীদের মতে, গুমের শিকার ব্যক্তিদের জবানবন্দি এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের বিচারিক আওতায় আনার এই প্রক্রিয়া বাংলাদেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতি দূর করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আজ জেরা সম্পন্ন হওয়ার পর আদালত পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের বিষয়ে নতুন তারিখ নির্ধারণ করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026