1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১০:২৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ১৫ শতাংশ বাড়িভাড়ার নতুন হার কার্যকর স্বাধীনতার ৫৪ বছর: ফুটবলের আবেগের বাইরে বাংলাদেশ-লাতিন আমেরিকার কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের বিবর্তন সারাদেশে সোয়া ৭ কোটির বেশি নাগরিক পেলেন স্মার্টকার্ড নকল ও প্রশ্নপত্র ফাঁসমুক্ত পরিবেশে এইচএসসি পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি সম্পন্ন চলতি বছরের ফিরতি হজ ফ্লাইট সম্পন্ন, দেশে ফিরেছেন ৭৯ হাজার ১০০ হাজি সারাদেশে ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও একজনের মৃত্যু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশনে মেট্রোরেল চলাচল ৩ ঘণ্টা বন্ধ দেশে ক্যাশলেস লেনদেন সম্প্রসারণে বাধ্যতামূলকভাবে চালু হলো ‘বাংলা কিউআর’ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নিরাপত্তায় মোতায়েন হচ্ছে ৫ হাজার আনসার সদস্য অনলাইন জুয়া ও বেটিং রুখতে সংসদে নতুন আইন পাস, সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড

বিনা মূল্যে আইনি সহায়তা নিশ্চিত ও মামলাজট কমাতে লিগ্যাল এইডের ওপর গুরুত্বারোপ আইনমন্ত্রীর

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৫৩ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীতে ভ্রাম্যমাণ লিগ্যাল এইড ক্যাম্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান মিথ্যা মামলা দায়েরের সংস্কৃতি পরিহার করার জন্য দেশের সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, দেশের নিপীড়িত ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষকে বিনা মূল্যে আইনি সহায়তা প্রদান করতে সরকার সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাজধানীর বনানীতে আয়োজিত ভ্রাম্যমাণ লিগ্যাল এইড ক্যাম্পের এক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আইনমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বিচারপ্রার্থী জনগণের ভোগান্তি লাঘবে সরকারি আইনি সহায়তার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আদালতে মামলা দায়ের করার আগেই কোনো বিরোধ বা সমস্যার সম্মুখীন হলে লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে আপস-মীমাংসার চেষ্টা করা উচিত। এতে দীর্ঘমেয়াদী আইনি প্রক্রিয়া থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব।

আইনমন্ত্রী বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে জানান, সমাজের যে সকল নারী বা শিশু যৌন নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন কিন্তু সামাজিক বাধা বা আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে আদালতে যেতে পারছেন না, তারা লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনি সুরক্ষা ও সহায়তা পাবেন। এ ক্ষেত্রে সরকার অত্যন্ত সংবেদনশীলতার সাথে কাজ করছে। তিনি স্পষ্টভাবে সতর্ক করে বলেন, কোনো যোগ্য ব্যক্তি যদি লিগ্যাল এইড সেবা থেকে বঞ্চিত হন, তবে বিষয়টি সরাসরি আইন মন্ত্রণালয়কে অবহিত করতে হবে।

দেশের বিচার বিভাগে বিদ্যমান মামলাজট নিরসন সরকারের একটি অন্যতম চ্যালেঞ্জ। এই সংকট মোকাবিলায় লিগ্যাল এইড কর্মসূচিকে একটি কার্যকর মাধ্যম হিসেবে অভিহিত করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, “আমরা আদালতের ওপর থেকে চাপের বোঝা কমাতে চাই এবং দ্রুততম সময়ে বিচার নিশ্চিত করতে চাই। এ লক্ষ্যেই লিগ্যাল এইড কর্মসূচির পরিধি বাড়ানো হচ্ছে।” তিনি আরও যোগ করেন যে, কোনো চলমান মামলার পক্ষদ্বয় যদি বিচার চলাকালীন মাঝামাঝি সময়েও সমঝোতায় পৌঁছাতে চান, তবে সরকারি ব্যবস্থাপনায় সেই সুযোগ বা ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশে মামলার সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় বিচারপ্রার্থীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। বিশেষ করে গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য উচ্চমূল্যে আইনজীবী নিয়োগ করে মামলা চালানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। সরকারের এই জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা (লিগ্যাল এইড) মূলত জেলা ও দায়রা জজ আদালত থেকে শুরু করে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত এই সেবা বিস্তৃত করেছে। ভ্রাম্যমাণ লিগ্যাল এইড ক্যাম্পের মাধ্যমে এই সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে শুধু আইনি পরামর্শই নয়, বরং মামলার খরচ এবং আইনজীবীর ফি-ও সরকার বহন করে থাকে। আজকের এই উদ্বোধনী কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে আইনি সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে এবং বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (ADR) প্রক্রিয়ায় মানুষ আগ্রহী হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর ফলে বিচার ব্যবস্থার ওপর থেকে চাপ কমার পাশাপাশি সমাজে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা সহজতর হবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026