1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ১৫ শতাংশ বাড়িভাড়ার নতুন হার কার্যকর স্বাধীনতার ৫৪ বছর: ফুটবলের আবেগের বাইরে বাংলাদেশ-লাতিন আমেরিকার কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের বিবর্তন সারাদেশে সোয়া ৭ কোটির বেশি নাগরিক পেলেন স্মার্টকার্ড নকল ও প্রশ্নপত্র ফাঁসমুক্ত পরিবেশে এইচএসসি পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি সম্পন্ন চলতি বছরের ফিরতি হজ ফ্লাইট সম্পন্ন, দেশে ফিরেছেন ৭৯ হাজার ১০০ হাজি সারাদেশে ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও একজনের মৃত্যু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশনে মেট্রোরেল চলাচল ৩ ঘণ্টা বন্ধ দেশে ক্যাশলেস লেনদেন সম্প্রসারণে বাধ্যতামূলকভাবে চালু হলো ‘বাংলা কিউআর’ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নিরাপত্তায় মোতায়েন হচ্ছে ৫ হাজার আনসার সদস্য অনলাইন জুয়া ও বেটিং রুখতে সংসদে নতুন আইন পাস, সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড

এস আলম গ্রুপের ঋণের বিষয়ে কোনো সমঝোতা হয়নি: অর্থমন্ত্রী

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩৯ বার দেখা হয়েছে

অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক

এস আলম গ্রুপসহ ব্যাংক খাতের বড় ঋণখেলাপিদের সঙ্গে বর্তমান সরকারের কোনো প্রকার সমঝোতা হয়নি বলে জাতীয় সংসদে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি উল্লেখ করেছেন, যারা ব্যাংকের বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করে বিদেশে পালিয়েছেন, তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং পাচারকৃত অর্থ পুনরুদ্ধারে নানামুখী তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিকেলের অধিবেশনে কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী সরকারের এই কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ তার প্রশ্নে সুনির্দিষ্টভাবে এস আলম গ্রুপের আর্থিক অনিয়মের চিত্র তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড থেকে নেওয়া ৯২ হাজার ১১৫ কোটি টাকা ঋণের মধ্যে এককভাবে এস আলম গ্রুপই প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকার খেলাপি। এ ছাড়া জনতা ব্যাংক থেকেও গ্রুপটি এককভাবে ২৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়ে খেলাপি হয়েছে। এই বিশাল অঙ্কের খেলাপি ঋণ আদায়ে চলতি অর্থবছরে সরকারের বিশেষ কোনো পরিকল্পনা আছে কি না এবং এস আলম গ্রুপকে পুনরায় ব্যাংক খাতে পুনর্বাসনের কোনো চেষ্টা বা সরকারের সঙ্গে তাদের কোনো গোপনীয় সমঝোতা হয়েছে কি না, তা অর্থমন্ত্রীর কাছে জানতে চান তিনি।

জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দর্শনে দুর্নীতির সঙ্গে আপস বা সমঝোতার কোনো স্থান নেই। তিনি দাবি করেন, অতীতে যখনই বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে ছিল, তখন সামষ্টিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা বজায় ছিল এবং শেয়ারবাজার বা ব্যাংক খাত লুটের মতো কোনো ঘটনার অবকাশ ছিল না। অর্থমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা রক্ষা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাই বর্তমান প্রশাসনের মূল লক্ষ্য।

বিদেশে পাচারকৃত এবং আত্মসাৎকৃত অর্থ ফেরত আনার প্রক্রিয়া সম্পর্কে সংসদে বিস্তারিত তুলে ধরেন আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি জানান, খেলাপি ঋণের অর্থ উদ্ধারে কেবল মামলা দায়ের করেই সরকার বসে নেই, বরং মামলার কার্যক্রম দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনতে বিভিন্ন দেশের সরকারের সঙ্গে ‘জি-টু-জি’ (সরকার টু সরকার) পর্যায়ে আলোচনা ও আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আন্তর্জাতিক মানের বেসরকারি রিকভারি ফার্মগুলোকেও এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত করা হয়েছে যাতে করে পাচারকৃত অর্থের সঠিক হদিস বের করে তা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়।

আলোচনা চলাকালীন অর্থমন্ত্রী সরাসরি এস আলম গ্রুপের নাম উল্লেখ না করলেও দেশের ব্যাংকিং খাতের শৃঙ্খলা রক্ষায় জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের নিশ্চয়তা দেন। তিনি বলেন, দেশের সাধারণ মানুষের গচ্ছিত আমানত নিয়ে ছিনিমিনি খেলার সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে না এবং যারা এই আর্থিক খাতের ক্ষতি করেছে, তাদের বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026