ক্রীড়া ডেস্ক
আজ ৬ এপ্রিল, বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস উদযাপিত হচ্ছে। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রতিবারের মতো এ বছরও দিবসটি নানা কর্মসূচির মাধ্যমে পালিত হচ্ছে।
২০১৩ সালের ২৩ আগস্ট জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়ে ৬ এপ্রিলকে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ঘোষণার পরপরই ২০১৪ সাল থেকে বিশ্বজুড়ে এ দিবস উদযাপিত হচ্ছে, যা ক্রীড়ার মাধ্যমে যুবসমাজের স্বাস্থ্য, একতা ও সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব তুলে ধরে।
বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক ও জাতীয় ক্রীড়া দিবস উদযাপন উপলক্ষে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। এই কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে র্যালি, আলোচনা সভা এবং ক্রীড়াঙ্গনে সৃষ্টিশীল উদ্যোগের উদ্বোধন। দিবসটি পালনে অংশ নিচ্ছে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, দেশি ও আন্তর্জাতিক সংস্থা, ক্রীড়া ফেডারেশন, অ্যাসোসিয়েশন ও বোর্ড। এছাড়া ক্রীড়া সংগঠনগুলোও দেশের সব বিভাগ, জেলা ও উপজেলায় র্যালি, আলোচনা সভা ও প্রীতি ম্যাচের আয়োজন করছে।
ক্রীড়া দিবসের লক্ষ্য হলো যুবসমাজের মধ্যে ক্রীড়ার গুরুত্ব তুলে ধরা, শারীরিক সুস্থতা ও মননশীলতা বৃদ্ধি করা এবং সামাজিক সংহতি ও সহনশীলতা জাগ্রত করা। বিশেষত বাংলাদেশে ক্রীড়ার অবকাঠামো সম্প্রসারণ ও ক্রীড়াঙ্গনে প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।
এ বছরের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা দিবসটির তাৎপর্য এবং ক্রীড়ার মাধ্যমে জাতির সামগ্রিক উন্নয়নে যুবসমাজের ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন আলোচনায় অংশ নেবে। এছাড়া প্রীতি ম্যাচ ও র্যালির মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে ক্রীড়ার চর্চা এবং সম্প্রদায়ের মধ্যে ঐক্যবদ্ধতার পরিবেশ সৃষ্টি করা হবে।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় জানান, এ ধরনের উদ্যোগ ক্রীড়াকে জনপ্রিয় করা এবং তরুণ প্রজন্মকে সুস্থ ও সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে, আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস যুব ও ক্রীড়া নীতিমালার প্রয়োগ ও ক্রীড়াঙ্গনে দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে দিকনির্দেশক হিসেবে কাজ করছে।