বাংলাদেশ ডেস্ক
সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত প্রবাসী আবদুল্লাহ আল মামুনের মরদেহ সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেছে। সৌদি এরাবিয়ান এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে মরদেহটি দেশে আনা হয়।
বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে মরদেহ গ্রহণ করেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক। নিহত আবদুল্লাহ আল মামুন ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলার রসুলপুর গ্রামের শহীদ সওদাগরের ছেলে। তিন ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি দ্বিতীয় ছিলেন।
জানা গেছে, আবদুল্লাহ আল মামুন প্রায় ১৫ বছর আগে সৌদি আরবে শ্রমিক হিসেবে যান। দেশে ফেরার আগে তিনি সেখানে দীর্ঘ সময় কর্মরত ছিলেন। তার স্ত্রী শারমিন আক্তারের সঙ্গে দম্পতির একটি ছেলেসন্তান মাহেদী শেখ (৬) রয়েছে।
প্রতিবেদকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ৮ মার্চ ইফতারের আগ মুহূর্তে সৌদি আরবের আল খারিজ শহরের আল তোয়াইক বলদিয়া কোম্পানির শ্রমিক ক্যাম্পে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আবদুল্লাহ আল মামুন গুরুতর আহত হন। হামলার পর তাকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১৭ মার্চ স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ১১টার দিকে তিনি লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। একই ঘটনায় মোশাররফ হোসেন নামে আরেক বাংলাদেশি শ্রমিকও নিহত হন, যাঁর মরদেহ ২০ মার্চ দেশে আনা হয়েছিল।
এই হামলার ফলে প্রবাসী শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও কর্মস্থলের সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং দুর্যোগ ও সন্ত্রাসজনিত ঝুঁকি কমানো সরকারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।