1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ০৬:১০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজে শিশু আইসিইউ সংকট ও মৃত্যুর ঘটনা শহীদ জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা ও নেতৃত্বের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্ব পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধে জোরদার মনোযোগের ঘোষণা রাজধানীতে স্কুল সময়ের যানজট নিরসনে বিকল্প ব্যবস্থা খুঁজতে নির্দেশ বিআইডব্লিউটিসিকে জনবান্ধব ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের নির্দেশনা নুরজাহান খানম প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত বাংলাদেশ-সৌদি বৈঠকে হজ ও উমরাহ সেবায় সহযোগিতা জোরদারের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ-ভুটান তথ্যপ্রযুক্তি সহযোগিতা জোরদারে আলোচনা আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অধিনায়ক মেসি শুরুতেই খেলতে পারেন জাম্বিয়ার বিপক্ষে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর বাজেট বৃদ্ধি, বকেয়া পরিশোধসহ অবকাঠামো ও সরঞ্জাম উন্নয়নে বরাদ্দ

জাতীয় সংসদে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ নিয়ে আলোচনা মঙ্গলবার

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬
  • ১৮ বার দেখা হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক

জাতীয় সংসদ আগামীকাল মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ বিষয়ক আলোচনার জন্য সময় নির্ধারণ করেছে। রোববার (২৯ মার্চ) বিরোধীদলীয় নেতা ডা. মো. শফিকুর রহমানের মুলতবি প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিরোধীদলীয় নেতা সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি-৬২-এর অধীনে জনস্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে মুলতবি প্রস্তাব উত্থাপন করেন। প্রস্তাবে তিনি সংসদে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান বিষয়ে আলোচনা করার জন্য কার্যক্রম স্থগিত রাখার আহ্বান জানান। শফিকুর রহমান লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করেন, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে সংযুক্ত গণভোটে প্রায় ৭০ শতাংশ ভোটার ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ায় জনগণ আদেশটির পক্ষে মত দিয়েছেন। তিনি বলেন, গণভোটে বিজয়ী হওয়ায় নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা আইনগতভাবে সংসদ সদস্য এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদ উভয় হিসেবেই শপথ নেওয়ার বাধ্যবাধকতা রাখে।

বিরোধীদলীয় প্রস্তাব উত্থাপনের পর আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান প্রস্তাবটিকে যৌক্তিক ও সময়োপযোগী হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষের আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে। এরপর ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল আলোচনার সময় নির্ধারণ করেন। তিনি জানান, আলোচনার সময় সংসদ সদস্যদের জন্য সংশ্লিষ্ট চারটি বই টেবিলে থাকা উচিত। আলোচনার জন্য দুই ঘণ্টার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে এবং এটি মঙ্গলবার কার্যতালিকার শেষ বিষয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

এদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বলেন, সংবিধান সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা সংসদীয় বিধি মেনে হওয়া উচিত। তিনি প্রস্তাব করেন, বিষয়টি সমাধানের জন্য একটি সর্বদলীয় সংবিধান কমিটি গঠন করা যেতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, কার্যপ্রণালি বিধি-৬২-এর আওতায় জরুরি জন-গুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে আলোচনা চেয়ে নোটিশ দেওয়া যায়, তবে সংবিধান সংস্কার আইন প্রণয়নের বিষয় হওয়ায় এটি এ ধরনের নোটিশের আওতায় আনা যায় না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৬৩ ধারার উল্লেখ করেন, আইন প্রণয়নের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা বিষয়কে জরুরি আলোচনার জন্য নোটিশের মাধ্যমে আনা যাবে না। তবে তিনি উল্লেখ করেন, বিরোধীদল চাইলে ৬৮ ধারার আওতায় বিষয়টি উত্থাপন করতে পারে, যেখানে দুই ঘণ্টার আলোচনার সুযোগ থাকবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তিনি প্রস্তাবের বিরোধিতা করছেন না, বরং সংসদীয় প্রক্রিয়া অনুসরণের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন। তিনি প্রস্তাব করেন, সরকার ও বিরোধী দলের সদস্যদের সমন্বয়ে একটি সংবিধান সংস্কার কমিটি গঠন করা যেতে পারে। কমিটি সংবিধান বিশেষজ্ঞ, রাজনৈতিক দল ও সুশীল সমাজের মতামত নিয়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সংসদে প্রতিবেদন জমা দেবে।

তিনি আরও বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ একটি রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল হলেও এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংবিধান সংশোধন করে না। সংবিধানের যে কোনো পরিবর্তন সংসদে বিল পাসের মাধ্যমে আইন প্রণয়নের প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই সম্ভব। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সতর্ক করেন, সাধারণ ‘হ্যাঁ-না’ ভোটের মাধ্যমে সংবিধানগত বিষয় নির্ধারণ করা ঠিক হবে না; বরং জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন। তিনি বলেন, ‘আমরা এমন একটি সংবিধান সংশোধন চাই, যা জনগণের আকাঙ্ক্ষা, জুলাই আন্দোলনের চেতনা ধারণ করবে এবং সময়ের পরীক্ষায় টিকে থাকবে।’

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026