1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ০৪:৫৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজে শিশু আইসিইউ সংকট ও মৃত্যুর ঘটনা শহীদ জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা ও নেতৃত্বের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্ব পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধে জোরদার মনোযোগের ঘোষণা রাজধানীতে স্কুল সময়ের যানজট নিরসনে বিকল্প ব্যবস্থা খুঁজতে নির্দেশ বিআইডব্লিউটিসিকে জনবান্ধব ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের নির্দেশনা নুরজাহান খানম প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত বাংলাদেশ-সৌদি বৈঠকে হজ ও উমরাহ সেবায় সহযোগিতা জোরদারের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ-ভুটান তথ্যপ্রযুক্তি সহযোগিতা জোরদারে আলোচনা আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অধিনায়ক মেসি শুরুতেই খেলতে পারেন জাম্বিয়ার বিপক্ষে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর বাজেট বৃদ্ধি, বকেয়া পরিশোধসহ অবকাঠামো ও সরঞ্জাম উন্নয়নে বরাদ্দ

শাহজালাল বিমানবন্দরে টয়লেট প্যানেল থেকে ১৮ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬
  • ২৭ বার দেখা হয়েছে

আইন আদালত ডেস্ক

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটের কার্গো কম্পার্টমেন্টের টয়লেট প্যানেলের ভেতর থেকে ১৫৩টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত স্বর্ণের মোট ওজন প্রায় ১৮ কেজি এবং বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৩৮ কোটি টাকা।

শনিবার (২৮ মার্চ) রাতে দুবাই থেকে আসা বিজি-৩৪৮ ফ্লাইটটি শাহজালাল বিমানবন্দরে অবতরণ করলে আগে থেকেই গোপন সূত্রের ভিত্তিতে এভিয়েশন সিকিউরিটি (এভসেক) ও গোয়েন্দা সংস্থার যৌথ তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করা হয়। তল্লাশির সময় বিমানের কার্গো হোল্ডের টয়লেট প্যানেল খুলে সাদা কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় লুকানো স্বর্ণের বারগুলো উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া স্বর্ণ পরবর্তীতে বিমানবন্দর কাস্টমসে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার এবং চোরাচালান রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখা হবে। এ ধরনের যৌথ অভিযান স্বর্ণসহ অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী চোরাচালান প্রতিরোধে কার্যকর হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

স্বর্ণ চোরাচালানের ক্ষেত্রে বিমানবন্দরগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও গোয়েন্দা তথ্যের গুরুত্ব পুনরায় তুলে ধরেছে এই ঘটনা। বিশেষভাবে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তল্লাশি পরিচালনা এবং লুকানো আইটেম শনাক্ত করার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বড় পরিমাণ স্বর্ণের অবৈধ আনা আটকানো সম্ভব হয়েছে।

এই ধরনের উদ্ধার কার্যক্রমের ফলে আন্তর্জাতিক ও আভ্যন্তরীণ যাত্রীদের সুরক্ষা এবং দেশের অর্থনৈতিক ক্ষতি রোধে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা হচ্ছে। এছাড়াও, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলো নিয়মিত নজরদারি ও অনুসন্ধান বাড়িয়ে দেশের সীমান্ত এবং বিমানবন্দরগুলিতে চোরাচালান প্রতিরোধে সচেষ্ট রয়েছে।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চোরাচালান প্রতিরোধে এ ধরনের যৌথ অভিযান নিয়মিতভাবে চালিয়ে যাওয়া হবে এবং ভবিষ্যতে আরও কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026