1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ০১:০০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
চট্টগ্রাম বন্দরে বে টার্মিনাল নির্মাণে সিঙ্গাপুরের প্রস্তাব, দক্ষ জনশক্তি ও বিনিয়োগ বাড়াতে উদ্যোগ গণিত চর্চা ও অলিম্পিয়াডের প্রসারে সর্বাত্মক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রীর চাঁদাবাজির এক লাখ টাকা না পেয়ে অটোরিকশাচালককে গুলি বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ আখতার হোসেনের চুক্তি বাতিল এআইপ্রযুক্তিনির্ভর বিদেশি সাইবার হামলার মুখোমুখি তাইওয়ান, সরকারি সংস্থায় নিরাপত্তা জোরদার জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধির সৌজন্য সাক্ষাৎ: বিশ্বমিডিয়ায় দেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর এখনো চূড়ান্ত হয়নি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে আকাশপথে বৃদ্ধি পাচ্ছে ফ্লাইট সংখ্যা, সুযোগ তৈরি হচ্ছে নতুন কার্গো নেটওয়ার্কের চকরিয়ায় বাস-লেগুনা মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪, আহত ৫ নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় বিদেশি পিস্তল উদ্ধার

রমজানের ছুটির পর শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে ১০ শনিবার খোলা থাকবে প্রাথমিক বিদ্যালয়

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬
  • ৮৪ বার দেখা হয়েছে

শিক্ষা ডেস্ক

রমজান মাসজুড়ে বিদ্যালয়ে ছুটি থাকার কারণে সৃষ্ট শিখন ঘাটতি পূরণে দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে অতিরিক্ত পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ লক্ষ্যে রমজানের ছুটি শেষে নিয়মিত শ্রেণি কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর ধারাবাহিকভাবে ১০টি শনিবার বিদ্যালয় খোলা রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. জয়নাল আবেদীন স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়, রমজান মাসব্যাপী ছুটির কারণে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হয়েছে। ফলে শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।

পরিপত্র অনুযায়ী, রমজানের ছুটির পর বিদ্যালয়সমূহে শ্রেণি কার্যক্রম পুনরায় শুরু হওয়ার পরবর্তী ১০টি শনিবার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান কার্যক্রম চালু রাখতে হবে। এ সময় শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠসূচির বাইরে অতিরিক্ত ক্লাসের মাধ্যমে পূর্ববর্তী ঘাটতি পূরণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এই অতিরিক্ত শ্রেণি কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পাঠ্যসূচির গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো পুনরায় শেখানো, দুর্বল বিষয়গুলোতে সহায়তা প্রদান এবং মূল্যায়নভিত্তিক শিক্ষণ পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে। এতে করে শিক্ষার্থীরা আগের অবস্থানে ফিরে আসতে পারবে এবং বার্ষিক শিক্ষাক্রমের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখা সম্ভব হবে।

এ বিষয়ে শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, দীর্ঘ সময় বিদ্যালয় বন্ধ থাকলে বিশেষ করে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের শেখার ধারাবাহিকতা বিঘ্নিত হয়। পড়া ভুলে যাওয়া, মনোযোগের ঘাটতি এবং নতুন পাঠ গ্রহণে অনীহা দেখা দিতে পারে। এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় অতিরিক্ত ক্লাস আয়োজন একটি কার্যকর পদ্ধতি হিসেবে বিবেচিত হয়।

পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ এবং নির্দেশনাটি যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য বলা হয়েছে। এ লক্ষ্যে বিদ্যালয় প্রধান, সহকারী শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।

এছাড়া শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে অভিভাবকদের সচেতন করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত শ্রেণি কার্যক্রম সফল করতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী-অভিভাবক সমন্বয়কে গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক স্তরে শিক্ষার ভিত্তি মজবুত করতে নিয়মিত পাঠদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই যেকোনো কারণে দীর্ঘমেয়াদি ছুটি হলে পরবর্তীতে তা পূরণের জন্য বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। এরই অংশ হিসেবে শনিবারগুলোতে বিদ্যালয় খোলা রাখার এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশা করা হচ্ছে, নির্ধারিত ১০টি শনিবারে কার্যকর পাঠদান নিশ্চিত করা গেলে শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব হবে এবং সামগ্রিক শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক গতিতে ফিরিয়ে আনা যাবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026