1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ০৬:৫০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
দেশের বাজারে সোনার দাম ভরিতে সর্বোচ্চ ২ হাজার ২১৬ টাকা কমাল বাজুস বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কৌশলগত জ্বালানি সহযোগিতা বিষয়ক সমঝোতা স্মারক সই গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও আন্তর্জাতিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত ঢাকা দক্ষিণ সিটিকে দেশের সেরা হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ডিএসসিসি প্রশাসকের ডিএমপির নতুন ভারপ্রাপ্ত কমিশনার এস এন নজরুল ইসলাম বিশ্বকাপে বাবা-ছেলের উত্তরাধিকার: ২৭ জুটির বিরল ইতিহাস ১৬ বছর পর ফের বিশ্বমঞ্চে নিউজিল্যান্ড, ক্রিস উডের নেতৃত্বে শক্তিশালী দল ঘোষণা কান চলচ্চিত্র উৎসবে আলিয়া ভাট: আন্তর্জাতিক সাফল্য ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের নেতিবাচকতা কার্যক্রম সীমিত করছে এয়ার ইন্ডিয়া: ঢাকা-মুম্বাইসহ একাধিক আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট স্থগিত ডিসেম্বরের মধ্যে ময়মনসিংহে নতুন আন্তঃনগর ট্রেন ও অবকাঠামো উন্নয়নের ঘোষণা প্রতিমন্ত্রীর

সরকারি প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার নতুন নীতিমালা ঘোষণা

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬
  • ৪৩ বার দেখা হয়েছে

শিক্ষা ডেস্ক

২০২৫ সালের সরকারি প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা আগামী এপ্রিল মাসে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। যদিও নির্দিষ্ট সময়সূচি এখনও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রকাশ করেনি, তবে মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যেই পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা প্রকাশ করেছে। নীতিমালা অনুযায়ী পরীক্ষার্থীদের জন্য ১০টি বিশেষ নির্দেশনা এবং পরীক্ষা চলাকালীন আচরণবিধি নির্ধারণ করা হয়েছে।

বৃত্তি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের বিষয়ভিত্তি হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে বাংলা, ইংরেজি, গণিত, প্রাথমিক বিজ্ঞান এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়—মোট পাঁচটি বিষয়। বাংলা, ইংরেজি ও গণিত বিষয়গুলোর পরীক্ষা ১০০ নম্বরের জন্য হবে এবং এ জন্য বরাদ্দ সময় থাকবে ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। অন্যদিকে, প্রাথমিক বিজ্ঞান এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ে ৫০ নম্বর করে মোট ১০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে, যার জন্যও সময় বরাদ্দ থাকবে ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন পরীক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় সরবরাহ করা হবে। বৃত্তির জন্য বিবেচিত হতে হলে শিক্ষার্থীদের প্রতিটি বিষয়ে ন্যূনতম ৪০ শতাংশ নম্বর অর্জন করতে হবে।

নীতিমালা অনুযায়ী বৃত্তি প্রদান করা হবে ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ—এই দুই ক্যাটাগরিতে। মেধা তালিকায় ছাত্র ও ছাত্রীদের সমানুপাতিক হারে নির্বাচিত করা হবে, অর্থাৎ ৫০ শতাংশ করে। এছাড়া মোট বৃত্তির ৮০ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এবং অবশিষ্ট ২০ শতাংশ বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।

পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় কিছু মূল নির্দেশনাও নির্ধারণ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীকে প্রবেশপত্রসহ নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষার হলে উপস্থিত হতে হবে। প্রবেশপত্র ছাড়া কেউ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না। পরীক্ষার হলে অননুমোদিত কাগজপত্র, ক্যালকুলেটর, মোবাইল ফোন বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস সঙ্গে আনা যাবে না। উত্তরপত্রের কভার পৃষ্ঠায় শুধুমাত্র নাম, বিষয় কোড এবং রোল নম্বর লেখা যাবে এবং অবশ্যই ইনভিজিলেটরের স্বাক্ষর থাকতে হবে। অন্যথায় উত্তরপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে। উত্তরপত্রে নাম, ঠিকানা বা কোনো সাংকেতিক চিহ্ন লেখা যাবে না। খসড়ার জন্য আলাদা কাগজ দেওয়া হবে না; প্রদত্ত উত্তরপত্রে খসড়া করতে হবে এবং তা পরে যথাযথভাবে ছেঁটে ফেলা হবে। টেবিল, স্কেল, নিজ দেহ বা অন্য কোথাও কোনো উত্তর লেখা যাবে না। এক ঘণ্টা অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত কোনো পরীক্ষার্থী হল ত্যাগ করতে পারবে না এবং পরীক্ষা শেষে ইনভিজিলেটরের কাছে উত্তরপত্র জমা দিয়ে হল ত্যাগ করতে হবে। এছাড়া কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত অন্যান্য নিয়মাবলি অনুসরণ করতে হবে।

পরীক্ষার হলের আচরণের দিকনির্দেশনাতেও বিস্তারিতভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার সময়ে একে অপরের সঙ্গে কথা বলা, প্রশ্নপত্র বা অন্য কোনো মাধ্যমে লেখা বিনিময় করা, অন্যের উত্তরপত্র দেখা বা দেখানো, এবং উত্তরপত্র ইনভিজিলেটরের অনুমতি ছাড়া বহির্গমন করা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। এছাড়া উত্তরপত্রের পৃষ্ঠা পরিবর্তন বা বিনষ্ট করাও মেনে নেওয়া হবে না।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই নীতিমালা শিক্ষার্থীদের জন্য পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করবে। পাশাপাশি, পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত নির্দেশিকা প্রদানের মাধ্যমে তাদের প্রস্তুতি ও সময় ব্যবস্থাপনাকে সহায়ক করা হবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026