1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ০৬:৪৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
দেশের বাজারে সোনার দাম ভরিতে সর্বোচ্চ ২ হাজার ২১৬ টাকা কমাল বাজুস বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কৌশলগত জ্বালানি সহযোগিতা বিষয়ক সমঝোতা স্মারক সই গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও আন্তর্জাতিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত ঢাকা দক্ষিণ সিটিকে দেশের সেরা হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ডিএসসিসি প্রশাসকের ডিএমপির নতুন ভারপ্রাপ্ত কমিশনার এস এন নজরুল ইসলাম বিশ্বকাপে বাবা-ছেলের উত্তরাধিকার: ২৭ জুটির বিরল ইতিহাস ১৬ বছর পর ফের বিশ্বমঞ্চে নিউজিল্যান্ড, ক্রিস উডের নেতৃত্বে শক্তিশালী দল ঘোষণা কান চলচ্চিত্র উৎসবে আলিয়া ভাট: আন্তর্জাতিক সাফল্য ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের নেতিবাচকতা কার্যক্রম সীমিত করছে এয়ার ইন্ডিয়া: ঢাকা-মুম্বাইসহ একাধিক আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট স্থগিত ডিসেম্বরের মধ্যে ময়মনসিংহে নতুন আন্তঃনগর ট্রেন ও অবকাঠামো উন্নয়নের ঘোষণা প্রতিমন্ত্রীর

শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে ‘ইবাদতখানা’ হিসেবে দেখার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬
  • ৬০ বার দেখা হয়েছে

শিক্ষা ডেস্ক

শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, মন্ত্রী পদকে তিনি ‘চাকরি’ হিসেবে নয়, ‘ইবাদত’ হিসেবে দেখেন। তিনি মন্ত্রণালয়কেও নিজের কর্মস্থল নয়, বরং ‘ইবাদতখানা’ হিসেবে বিবেচনা করার আহ্বান জানান।

শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবনে ‘এডুকেশন রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ইরাব)’ের সদস্যদের সঙ্গে ইফতার-পরবর্তী মতবিনিময় সভায় শিক্ষামন্ত্রী এ মন্তব্য করেন। তিনি জানান, আগামী ১৮০ দিনের কর্মসূচির মাধ্যমে তিনি এমন একটি ভিত্তি তৈরি করতে চান, যা ১৮০ বছরের সমতুল্য প্রভাব ফেলবে। মন্ত্রী বলেন, “আমার লক্ষ্য হলো ধীরস্থিরভাবে কাজ করা, যেন কোনো ভুল পদক্ষেপ না হয়। এটা আমার চাকরি নয়, দেশের জন্য কাজ করা।”

মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের কাজের গতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, কর্মকর্তাদের গতানুগতিক মানসিকতা থেকে বেরিয়ে এসে দ্রুত ও দক্ষতার সঙ্গে কাজ শেষ করতে হবে। শিক্ষামন্ত্রী আরও যোগ করেন, মন্ত্রণালয়ে কেউ ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্য নয়, বরং দেশের শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করতে এসেছেন।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সহকারী প্রধান পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে ১৮ বছরের অভিজ্ঞতার বাধ্যবাধকতা নিয়ে বিতর্ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিগত ১৫-১৭ বছরে রাজনৈতিক কারণে অনেক শিক্ষকের সুযোগ বঞ্চিত হয়েছিল। সেই ক্ষতিপূরণের উদ্দেশ্যেই এই যোগ্যতা নির্ধারণ পুনর্বিবেচনার যৌক্তিকতা রয়েছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির শিক্ষাগত যোগ্যতার শর্ত বাতিল বা শিথিল করার বিষয়েও মন্ত্রী বলেন, “সভায় আমরা এটি নিয়ে আলোচনা করেছি। ১৯৯১ সালের আইনে শিক্ষাগত শর্ত নির্ধারণ করা ছিল না, পরবর্তীকালে বিষয়টি প্রযোজ্য হয়নি। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও নেয়া হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে আমরা এটি চূড়ান্ত করবো।”

এছাড়া তিনি ২০২৭ সালের নতুন শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক পরিমার্জনকে তার মন্ত্রণালয়ের অন্যতম প্রধান মিশন হিসেবে উল্লেখ করেন। মন্ত্রী বলেন, এটি বাস্তবায়িত হলে শিক্ষাব্যবস্থায় দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়বে এবং শিক্ষার্থীদের মান উন্নয়নে সহায়ক হবে।

সভায় মন্ত্রী কর্মকর্তাদের প্রতি জোর দিয়েছেন যে, সরকারি কাজের ধারাবাহিকতা ও দায়িত্বনিষ্ঠা বজায় রাখা প্রয়োজন। তিনি আরও বলেছেন, কার্যক্রম পরিকল্পনা করার ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য মাথায় রেখে প্রতিটি সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত, যাতে শিক্ষার গুণগত মান ও প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি পায়।

শিক্ষা খাতের বর্তমান অবস্থা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনার মান এবং শিক্ষকদের যোগ্যতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই পদক্ষেপগুলোকে কেন্দ্র করে মন্ত্রণালয় বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে শিক্ষামন্ত্রী উল্লেখ করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, কর্মকর্তারা নির্দেশনা অনুযায়ী দ্রুত এবং কার্যকরীভাবে কাজ করে দেশের শিক্ষার মান উন্নয়নে ভূমিকা রাখবেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026