1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৬:২৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক আর নেই চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ প্রতিরোধে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ ও কড়া নজরদারি চকবাজারে হাজী আবুল বাশার সুপার মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, হতাহত নেই কর নথি অডিটের নামে প্রতারণা থেকে করদাতাদের সতর্ক থাকার আহ্বান এনবিআরের ব্যাংকিং খাতে সুশাসন ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার তাগিদ গভর্নরের কার্বন ক্রেডিট বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনা, সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের নির্দেশ রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ৮৫৮ মামলা, রেকার ও ডাম্পিং ৮১৬ গাড়ির প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতে প্রযুক্তি ও বাজেট বাড়ানোর ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ফকিরহাটে জাতীয় দলের গোলকিপার জিয়ার সঙ্গে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কুশল বিনিময় শৃঙ্খলার স্বীকৃতিস্বরূপ চলতি বছর ‘ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড’ পাচ্ছে পিজিআর: প্রধানমন্ত্রী

আদম (আঃ) এর সিজদা প্রত্যাখ্যান ও ইবলীসের প্রতিশ্রুতি: বনি ইসরাঈল সুরা ৬১-৬২

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬
  • ১১৩ বার দেখা হয়েছে

ধর্ম ডেস্ক

বনি ইসরাঈল সূরার ৬১ ও ৬২ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তাআলা আদম আলাইহিস সালামের প্রতি ফিরিশতাদের সিজদার নির্দেশ প্রদান ও ইবলীসের বিদ্রোহের ঘটনা বর্ণনা করেছেন। আয়াতগুলিতে বলা হয়েছে, যখন আল্লাহ তাআলা ফিরিশতাদের আদমকে সিজদা করতে বললেন, তখন ইবলীস ছাড়া সকল ফিরিশতা তা পালন করেছিল। ইবলীস প্রশ্ন করে বলল, “আমি কি তাকে সিজদা করব যাকে আপনি কাদা থেকে সৃষ্টি করেছেন?” (৬১ আয়াত)।

পরবর্তী আয়াতে ইবলীস ঘোষণা করে যে, যদি তাকে কিয়ামতের দিন পর্যন্ত অবকাশ দেওয়া হয়, তবে সে আদমের বংশধরদের মধ্যে প্রায় সবাইকে পথভ্রষ্ট করবে, শুধুমাত্র অল্প সংখ্যক ব্যতীত (৬২ আয়াত)।

সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এই আয়াতগুলিতে মহান আল্লাহ তাআলা নবীদেরকে আশ্বস্ত করেছেন যে, মানবজাতির প্রতি শয়তানের প্রতিরোধ ও বিদ্রোহ কোনো নতুন ঘটনা নয়; এটি প্রাচীনকাল থেকে চলমান। ইবলীস আদম আলাইহিস সালামের সিজদা প্রত্যাখ্যানের মাধ্যমে তার বিদ্রোহ শুরু করে।

প্রথমত, ইবলীস আল্লাহর উপর প্রশ্ন তোলে যে, মাটি থেকে সৃষ্ট আদমকে অগ্নি থেকে সৃষ্ট নিজের চেয়ে শ্রেষ্ঠত্ব দেওয়া কেন? এই প্রশ্নের উত্তর স্পষ্ট যে, সৃষ্টিকর্তা একমাত্র এমন ক্ষমতা ধারণ করেন এবং যাকে তিনি শ্রেষ্ঠত্ব দেবেন, সেই তা অধিকার করবে।

দ্বিতীয়ত, ইবলীস ঘোষণা করে যে, যদি সে দীর্ঘায়ু লাভ করে, তবে মানবজাতির বংশধরদের মধ্যে প্রায় সবাইকে পথভ্রষ্ট করবে। যদিও সে প্রচেষ্টা চালাবে, আল্লাহ তাআলা সতর্ক করেছেন যে, খাঁটি বান্দাদের উপর ইবলীসের কোনো ক্ষমতা নেই। এই নীতি অনুযায়ী, সত্যনিষ্ঠ বান্দারা তার প্রভাবে বিভ্রান্ত হবে না।

ইবন আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) ব্যাখ্যা করেন যে, যারা কুফরের পক্ষে কাজ করে, তাদের কিছু “অশ্বারোহী ও পদাতিক বাহিনী” শয়তানের নির্দেশে কাজ করে। এছাড়াও, বাদ্যযন্ত্র, গান এবং রঙ-তামাশা শয়তানের প্রভাব বিস্তার করে মানুষকে সত্য থেকে বিচ্ছিন্ন করে। এই ব্যাখ্যা থেকে বোঝা যায়, ইসলামী শিক্ষায় শিষ্টাচার অনুযায়ী মানব সমাজে এ ধরনের প্রলোভন ও বিভ্রান্তির প্রতি সতর্ক থাকার নির্দেশ রয়েছে।

আয়াতসমূহ মানবজাতিকে সতর্ক করে যে, শয়তানের প্রতারণা ও প্রলোভন দীর্ঘায়ু ও শক্তিশালী হলেও আল্লাহর আনুগত্যপূর্ণ বান্দাদের উপর তার কোনো প্রভাব নেই। এর মাধ্যমে মুসলিমদের উদ্দেশ্য হলো ধৈর্য, সততা এবং আল্লাহর প্রতি আনুগত্য বজায় রেখে শয়তানের প্রলোভন থেকে বিরত থাকা।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026